সবুজ তৃণ মায়ের আঁচল কোণে লেগে থাকে।
সাহসী ও সংগ্রামী সন্তানদের কারণে বাংলাদেশ গর্বিত।
বিভিন্ন পেশাজীবী সন্তান দেশমাতৃকার কোল জুড়ে থাকে। এই মাকে রক্ষা করার জন্য এই সন্তানরা শত কষ্ট সহ্য করে। কোনো অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারকে তারা মেনে নিতে পারে না। দেশের জন্য তারা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতেও দ্বিধা করে না। দেশমাতৃকাকে সমস্ত দুঃশাসন থেকে রক্ষার জন্য মায়ের সন্তানরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা যেকোনো দুঃসময়ে জেল জুলুম ফাঁসির দণ্ড মাথায় নিয়ে নিজের সুখ শান্তি ও আলস্য পরিহার করে দেশের জন্য আত্মত্যাগ করতে দ্বিধা করে না।
উদ্দীপকটি 'গরবিনী মা-জননী' কবিতার দেশমাতৃকার জন্য বাংলার সর্বস্তরের মানুষের আত্মত্যাগের দিকটিকে নির্দেশ করে।
'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় কবি স্বদেশকে পুণ্যবতী ও ভাগ্যবতী বলে উল্লেখ করেছেন। দেশের আপামর মানুষের ভালোবাসাই দেশমাতাকে এমন গর্বিত করেছে। কেননা কামার, কুমোর, জেলে, চাষি, বাউল, মাঝি, উদাসী সবাই মাকে রক্ষা করার জন্য শত কষ্ট সহ্য করে। কোনো অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার তারা মেনে নেয় না।
উদ্দীপকেও দেশমাতার জন্য করা সর্বস্তরের মানুষের আত্মত্যাগের কথা ফুটে উঠেছে। কৃষক, জেলে, মাঝি, রিকশাওয়ালা, তেজি তরুণ সবাই দেশমাতার জন্য যুদ্ধে আত্মত্যাগ করেছে। তাদের জন্যই দেশমাতা মুক্ত হতে চলেছে। আলোচ্য কবিতায়ও দেশমাতার প্রতি দেশের সব মানুষের এমন গভীর ভালোবাসাই প্রকাশ পেয়েছে। যারা স্বদেশের প্রয়োজনে মরতেও দ্বিধা করে না। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার দেশমাতৃকার জন বাংলার সর্বস্তরের মানুষের আত্মত্যাগের দিকটিকে নির্দেশ করে।
শুধু মাতৃভূমির জন্য সর্ব সাধারণের আত্মত্যাগের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়া উদ্দীপকটি 'গরবিনী মা-জননী' কবিতার অংশবিশেষকে ধারণ করে।
'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় কবি ভাগ্যবতী বাংলা মায়ের গর্বিত হওয় কথা তুলে ধরেছেন। কবি বলেছেন, দেশমাতার প্রিয় সন্তানরা তাে পাগলের মতো ভালোবাসে। এ কারণে দেশমাতার বিপদে তারা বুলে ফাঁসি উপেক্ষা করে শত্রু নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
উদ্দীপকে মুক্তিযুদ্ধে বাংলার কৃষক, জেলে, মাঝি, তরুণ এদের অংশগ্রহে বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। তারা জীবনের মায়া ত্যাগ করেছে দেশমাতা মুক্ত করতে। কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করতে। প্রিয় জন্মভূমির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছে।
'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় কবি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জীবা সঙ্গে পরিবেশ-প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক তুলে ধরেছেন। বলে বাংলার সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আত্মত্যাগের কথা। সমস্ত দুঃশ থেকে দেশকে রক্ষা করতে মায়ের সন্তানদের ঝাঁপিয়ে পড়ার বিষয় উঠে এসেছে আলোচ্য কবিতায়। এছাড়াও কবিতায় শোক দ্বারা পীড়িত মেয়েদের কষ্টময় জীবনের কথাও প্রকাশ পেয়েছে। পক্ষান্তরে উদ্দীপকে কেবল মাতৃভূমির জন্য সর্বস্তরের মানুষের আত্মত্যাগের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allসন্ধ্যা-দুপুর মার পায়ে ধুলোর নূপুর বাজে।
'রক্তে-ধোওয়া সরোজিনী' বলতে আত্মত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত দেশমাতৃকাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
'গরবিনী মা-জননী' কবিতার কবি দেশমাতৃকা বাংলাকে তুলনা করেছেন কোমল পদ্মের সাথে। দেশমাতৃকার মর্যাদা রক্ষার জন্য এদেশের সন্তানেরা অনেক সংগ্রাম করেছে, বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। এ কারণেই কবি দেশমাতাকে 'রক্তে-ধোওয়া সরোজিনী' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
উদ্দীপকে বর্ণিত সাজিদের মাধ্যমে 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় উল্লিখিত দেশমাতৃকার মুক্তির লক্ষ্যে যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকারের অঙ্গীকার করার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় সর্বাবস্থায় বাংলা মাকে রক্ষার দৃঢ়প্রতিজ্ঞার কথা উঠে এসেছে। এই মায়ের মর্যাদা রক্ষার জন্য তাঁর সন্তানেরা অনেক কষ্ট স্বীকার করে। তবুও কোনো অন্যায় অবিচারকে তারা মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। দেশমাতৃকার জন্য প্রয়োজনে বুকের তাজা রক্ত উৎসর্গ করতেও তাদের দ্বিধা নেই। উদ্দীপকে বর্ণিত সাজিদ তার মাকে অনেক ভালোবাসে। মায়ের মুখের হাসির জন্য সে যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। এমন মাতৃভক্তির প্রকাশ 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায়ও লক্ষ করা যায়। সাজিদের বক্তব্যে কবিতার এ বিশেষ দিকটিই ফুটে উঠেছে।
প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'গরবিনী মা-জননী' কবিতা উভয় ক্ষেত্রেই মায়ের মহিমা ও তাঁর প্রতি সন্তানের গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তি প্রকাশ পেয়েছে।
সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় দেশমাতৃকার বন্দনা প্রকাশিত হয়েছে। মাতৃভূমি মমতা দিয়ে তাঁর সন্তানদের বুকে আগলে রাখেন। দেশমাতৃকার মর্যাদা রক্ষায় তাই তার সন্তানেরাও থাকে অবিচল।
উদ্দীপকে বর্ণিত সাজিদ তাঁর মায়ের অসামান্য ত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন। শত প্রতিকূলতার মাঝেও তাঁর রত্নগর্ভা মা সন্তানদের মানুষ করেছেন। সাজিদ তাই মায়ের প্রতি সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে অঙ্গীকার করেছেন- মায়ের মুখের হাসি ফোটাতে তিনি যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকবেন।
'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় দেশকে মায়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে। মা-ই পৃথিবীতে আমাদের সবচেয়ে আপনজন। মায়ের মতো দেশও আলো-বাতাস দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। তাই মাকে আমরা যেমন ভালোবাসি দেশের জন্যও আমাদের তেমন ভালোবাসাই জ্ঞাপন করতে হবে। মায়ের জন্য আমরা যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকব। দেশের মর্যাদা রক্ষার জন্য নিজিদের বিলিয়ে দিতে থাকব। উদ্দীপকে মায়ের কথা বলা হয়েছে, আর আলোচ্য কবিতায় দেশমাতৃকার কথা। তবে উভয় ক্ষেত্রেই মায়ের জন্য একই অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। সার্বিক বিবেচনায় তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
সবুজ তৃণ মায়ের আঁচল কোণে লেগে থাকে।
সাহসী ও সংগ্রামী সন্তানদের কারণে বাংলাদেশ গর্বিত।
বিভিন্ন পেশাজীবী সন্তান দেশমাতৃকার কোল জুড়ে থাকে। এই মাকে রক্ষা করার জন্য এই সন্তানরা শত কষ্ট সহ্য করে। কোনো অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারকে তারা মেনে নিতে পারে না। দেশের জন্য তারা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতেও দ্বিধা করে না। দেশমাতৃকাকে সমস্ত দুঃশাসন থেকে রক্ষার জন্য মায়ের সন্তানরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা যেকোনো দুঃসময়ে জেল জুলুম ফাঁসির দণ্ড মাথায় নিয়ে নিজের সুখ শান্তি ও আলস্য পরিহার করে দেশের জন্য আত্মত্যাগ করতে দ্বিধা করে না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

