জুন, ০৫, ২০২৫
প্রিয় প্রান্ত,
আমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা রইল। আশা করি পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভালো আছ। গত চিঠিতে তোমাকে লিখেছিলাম, সোনারগাঁও বেড়াতে যাব। এবারের গ্রীষ্মের ছুটিতে আমার সে ইচ্ছা পূর্ণ হলো। আমরা সকাল সাতটায় খাওয়া-দাওয়া সেরে সোনারগাঁওয়ের উদ্দেশে যাত্রা করলাম। দুই ঘণ্টা বাস ভ্রমণ শেষে সকাল নয়টায় সেখানে পৌছলাম। রাস্তার পাশে ভগ্নপ্রায় বিরাট দ্বিতল ইমারত, সামনে মস্ত পুকুরের পাশে গাছের সারি। এছাড়া, শানবাঁধানো ঘাটে ঘোড়ার পিঠে বীরযোদ্ধার পাথরের খোদাই করা গর্বিত প্রতিমূর্তি স্মরণ করিয়ে দেয় বাংলার অবলুপ্ত শৌর্যবীর্যের কথা। আর একটু এগিয়ে যেতেই দেখলাম শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের প্রচেষ্টায় নির্মিত বাংলার লোকশিল্প ও কারুশিল্প জাদুঘর। এখান থেকে শুরু ঈশা খাঁর রাজধানীর মূল ভবন। রাস্তার দুই পাশে রয়েছে অনেক পুরোনো অট্টালিকা। প্রতিটি অট্টালিকায় রয়েছে প্রাচীন যুগের স্থাপত্য নিদর্শন। বাংলাদেশ সরকার পুরাকীর্তি সংরক্ষণ বিভাগের অধীনে সোনারগাঁওয়ের ধ্বংসপ্রায় প্রাসাদসমূহ সংস্কার ও সংরক্ষণের আওতায় এনেছেন। উত্থান-পতনের ধারা বেয়ে আজকের ধ্বংসপ্রায় সোনারগাঁও হয়তো একদিন বিলীন হয়ে যাবে। কিন্তু সোনারগাঁওয়ের স্মৃতি আমার মানসপটে চিরদিনই থাকবে অমলিন। তুমিও সময় পেলে দেখে এসো বাংলার ইতিহাস প্রসিদ্ধ নির্দশন সোনারগাঁও। আমি ভালো আছি। তোমার পড়াশোনা কেমন চলছে, জানাবে। তোমার বাবা-মাকে আমার সালাম জানাবে।
ইতি
তোমার বন্ধু
রায়হান
[এখানে প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা সংবলিত খাম আঁকতে হবে।]
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

