বিপদ থেকে রক্ষা বিষয়ক গল্প: রিফাত একটি ছোট গ্রামে থাকে। একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে একজন অপরিচিত ব্যক্তি তাকে ডেকে বলল, "তোমার বাবা তোমাকে খুঁজছে। আমি নিয়ে যাচ্ছি।" রিফাত প্রথমে ভয় পেলেও তার বাবার পরামর্শ মনে পড়ল। সে বুঝাতে পারল, অপরিচিত ব্যক্তি তাকে ফাঁদে ফেলতে চাইছে। রিফাত দ্রুত বাড়ি গিয়ে ঘটনাটি তার মাকে জানায়। মা তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসনকে খরব দেন। অপরিচিত ব্যক্তিটি ধরা পড়ে এবং তার চক্র ভেঙে যায়। রিফাতের সতর্কতা এবং সচেতনতার জন্য বড় বিপদে থেকে সে রক্ষা পায়।
এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, সচেতনতা এবং অভিভাবকদের নির্দেশনা অনুসরণ করলে কিশোরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
Related Question
View Allবয়ঃসন্ধিক্ষণে দেহ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। আর তাই অতিরিক্ত খাদ্যশক্তির প্রয়োজন হয়।
পুষ্টিমানসম্পন্ন পর্যাপ্ত খাদ্যের অভাবে পুষ্টিহীনতা দেখা দিতে পারে। এসময় সহজেই ক্লান্তিবোধ হয়। বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের রক্তস্বল্পতা হতে পারে। আর এ থেকে সুরক্ষা পেতে গেলে অবশ্যই পুষ্টিমানসম্পন্ন খাবার খেতে হবে। এ সময় শারীরিক ক্লান্তি দূর করার জন্য ঘন ঘন এবং বেশি বেশি খাবার খেতে হবে। রক্তস্বল্পতা দূর করার জন্য লৌহ জাতীয় খাবার খেতে হবে। উক্ত খাবার রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।
বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের শরীরে নানা পরিবর্তন দেখা দেয়। এ কারণেই নীলার মধ্যে আচরণের ভিন্নতা লক্ষ করা যায়। শারীরিক পরিবর্তন বা ঋতুস্রাব শুরুর প্রথমদিকে তার পেটে ব্যথা, মাথা ধরা পিঠে ব্যথা ইত্যাদি বিভিন্ন অসুবিধা দেখা দেয়। এর ফলে হঠাৎ হাসিখুশি মেয়েটি কেমন যেন চুপচাপ হয়ে যায়। খাবারের প্রতিও তার তেমন আগ্রহ নেই। তার দৈহিক বৈশিষ্ট্য অন্যরা দেখে বিরূপ মন্তব্য করবে এ ভয়ে থাকে। কিন্তু সে লজ্জায় এসব কথা কাউকে বলতে পারছিল না। কেমন একটা দ্বিধা সংকোচ তার মধ্যে কাজ করে। এ সকল পরিবর্তনের ফলে তার মধ্যে এ ধরনের আচরণ লক্ষ করা যায়।
বয়ঃসন্ধিকালে শরীরের নানা পরিবর্তন আসলে নীলাকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে। খাবারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। দুশ্চিন্তার কারণে হাসিখুশি নীলা হঠাৎ চুপচাপ হয়ে যায়। এমতাবস্থায় তার মা বিষয়টি বুঝতে পেরে নীলাকে ডেকে বয়ঃসন্ধিকালের এ পরিবর্তন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তার মা তাকে বয়ঃসন্ধিকালের সাধারণ সমস্যাগুলো তাকে সহজভাবে বুঝিয়ে দিলে উক্ত পরিবর্তন সম্পর্কে তার মনের ভয় ও দ্বিধা দূর হয়। সে আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। এসময় স্বাভাবিক হওয়ার জন্য তার মায়ের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি ছিল। কারণ মেয়েরা এসব কথা আর অন্য কারও সাথে সহজভাবে আলোচনা করতে পারে না। তাই নীলা মায়ের সাথে এসব বিষয় নিয়ে প্রথমে কথা বলতে সংকোচ,
লজ্জাবোধ করলেও পরে তার মায়ের ব্যবহারে সেসব কথা খুলে বলে। মায়ের সাথে সবকিছু নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করার মাধ্যমে নীলার বয়ঃসন্ধিকালীন সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সুতরাং বলা যায়, নীলার মায়ের ভূমিকা নীলাকে স্বাভাবিক আচরণে অভ্যস্ত করবে।.
সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য দরকার নিরাপদ পরিবেশ।
কৈশোরে ত্বকের নিচে বগলের গ্রন্থি থেকে বেশি ঘাম নিঃসরণ হয়। এজন্য নিয়মিত গোসল করা, পরিষ্কার পোশাক পরা উচিত। বয়ঃসন্ধিক্ষণে ছেলেদের বীর্যপাত হলে গোসল করে পরিচ্ছন্ন হতে হয়। মেয়েদের ঋতুস্রাবের সময় পরিষ্কার কাপড়ের ন্যাপকিন বা প্যাড ব্যবহার করা উচিত। এসব পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাকে কৈশোরের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!