রনি একজন দৃষ্টি ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। বাবা-মা রনির জন্মের পূর্বে ও পরে যে বিষয়গুলোর প্রতি সচেতন হলে তার প্রতিবন্ধিতা রোধ করতে পারতো তা নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ
জন্মের পূর্বে করণীয়: রনির জন্মের পূর্বে অর্থাৎ, গর্ভাবস্থায় তার মায়ের পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা উচিত ছিল। কারণ শিশুর জন্য মাতৃগর্ভের প্রথম দিকের সময়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে পুষ্টির অভাব দেখা দিলে শিশুর মধ্যে বিভিন্ন প্রতিবন্ধিতা দেখা দিতে পারে। রনির মায়ের গর্ভাবস্থায় আয়োডিনযুক্ত লবণ গ্রহণ করা উচিত ছিল যা শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা প্রতিরোধে সহায়ক। এছাড়া ওষুধ গ্রহণে সতর্কতা, প্রতিষেধক টিকা গ্রহণ, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস ইত্যাদি বিষয়গুলো মেনে চলা উচিত ছিল।
জন্মের পরে করণীয়: জন্মের পর পর রনিকে শালদুধ খাওয়ালে তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেত। রনির জন্মের পর স্বাস্থ্যকর পরিবেশ রক্ষা, বিপজ্জনক পরিবেশ থেকে তাকে দূরে রাখা ইত্যাদি বিষয়ে তার মা-বাবার সতর্ক থাকতে হতো। এছাড়া তাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'এ' যুক্ত খাবার খাওয়াতে হতো। শিশুদের শাকসবজি (পুঁই, পালং, লালশাক, মিষ্টিকুমড়া ইত্যাদি) ও হলুদ ফলমূল (পাকা কলা, আম ইত্যাদি) খাওয়ালে এই প্রতিবন্ধিতা প্রতিরোধ করা যায়। উল্লিখিত বিষয়ে সচেতন হলে রনির বাবা-মা তার এ প্রতিবন্ধিতা রোধ করতে পারতো।
Related Question
View Allমা ও সন্তানের Rh উপাদানের মিল না থাকাকে Rh অসংগতা বা Rh incompatibility বলে।
কণার শিশুকে প্রতিবন্ধী শিশু হিসেবে শনাক্ত করা যায়।
কণার শিশুটি কোনো বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারে না। হাঁটা-চলাতেও তার সমস্যা রয়েছে। এটা মূলত তার রক্তে বিলিরুবিন (Bilirubin) বেড়ে যাওয়ার কারণেই হয়েছে।
রক্তে যদি বিলিরুবিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় তবে মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতি হয় এবং শিশু মানসিক প্রতিবন্ধী হয়। গর্ভকালীন সময়ে কণা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। তাছাড়া সে ঠিকমতো খাওয়া- দাওয়াও করেনি। অর্থাৎ নিজের প্রতি খেয়াল রাখেনি। ফলে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য যতটুকু পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন তার ঘাটতি হয়েছে। এ কারণেই কণার শিশুটির হাঁটা-চলার অর্থাৎ অঙ্গ সঞ্চালনমূলক বিকাশ ব্যাহত হয়েছে।
কণার অসচেতনতা তার শিশুর প্রতিবন্ধিতার কারণ বলে আমি মনে করি।
কণার শিশুটি প্রতিবন্ধী। গর্ভকালীন সময়ে কণার ম্যালেরিয়া হয়েছিল। তাছাড়া সে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করত না। সে নিজের প্রতি খেয়াল রাখত না।
গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। কারণ গর্ভবতী মায়ের অপুষ্টির ফলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া গর্ভধারণের আগে বিভিন্ন প্রতিষেধক নেওয়াটাও জরুরি। গর্ভকালীন সময়ে কণার ম্যালেরিয়া হয়েছে। গর্ভস্থ শিশুর জন্য এ রোগের প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে শিশুর শারীরিক বিকলাঙ্গতার পাশাপাশি মানসিক প্রতিবন্ধিতাও হতে পারে। বর্তমানে কণার সন্তান কোনো কিছুর প্রতি বেশি মনোযোগ দিতে পারে না। এমনকি সে ঠিকমতো হাঁটতেও পারে না। এগুলো সবই কণার অসচেতনতার ফল।
মা ও সন্তানের Rh উপাদানের মিল না থাকাকে Rh অসংগতা বা Rh incompatibility বলে।
শিশুর শারীরিক গঠন যদি স্বাভাবিক না হয়, হাত অথবা পা না থাকে, কথা বলতে না পারে, চোখে না দেখে অথবা কম দেখে, বুদ্ধিমত্তা কম থাকে, সামাজিক আচরণ ও ভাব বিনিময় ঠিকমতো করতে না পারে, তবে এই ধরনের শিশুদের প্রতিবন্ধী শিশু বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!