অমলের সঙ্গে গল্প করে তার প্রতি মুগ্ধতায় পয়সা না থাকা সত্ত্বেও দইওয়ালা তাকে দই খাইয়ে যায়।
'অমল ও দইওয়ালা' নাটকে ঘরবন্দি অমল দইওয়ালাকে নিজের কাছে ডেকে নেয়। তার কাছে দই কেনার পয়সা নেই। দই সে খেতেও চায় না। কিন্তু দইওয়ালার সঙ্গে গল্প করে। দইওয়ালার গ্রামের কথা জানতে চায়। দই বিক্রির প্রতি তার আগ্রহের কথা জানায়। দইওয়ালা অমলের সাথে গল্প করে জানতে পারে দই বিক্রির আনন্দ। অতঃপর খুশি হয়ে সে বিনা পয়সায়ই অমলকে দই খাওয়ায়।
তাই দেখা যায়, অমলের সরলতার সংস্পর্শে দইওয়ালার মনে তৃপ্তির উদয় হলে সে বিনা পয়সায়ই অমলকে দই খাইয়ে যায়।
Related Question
View Allঅমলের কল্পনাপ্রবণ মন দইওয়ালার গ্রামকে যেভাবে কল্পনা করেছিল, দইওয়ালার বর্ণনামতে তার সঙ্গে ছিল আশ্চর্য মিল। যা দইওয়ালাকে অবাক করে দেয়।
'অমল ও দইওয়ালা' নাটকে অসুস্থ অমল জানালায় চোখ মেলে ঘরের মধ্যে বসে থাকে। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা মানুষের সঙ্গে ডেকে গল্প করে। দইওয়ালা যখন তার সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, সে তাকে ডেকে তার সঙ্গে গল্প করে। সে দইওয়ালার সঙ্গে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। দইওয়ালাকে তার অসুস্থতার কথা জানায়। দইওয়ালা কোথা থেকে এসেছে জানতে চায়। দইওয়ালা অমলকে তার গ্রামের কথা বলে। পাঁচমুড়া পাহাড়ের তলায়, শামলী নদীর ধারে তার গ্রাম। অমলের মনে পড়ে না সে কখনো সেই গ্রামে গিয়েছিল কিনা। তবুও সে সেই গ্রামের বর্ণনা দিতে থাকে। অনেক পুরোনো কালের বড়ো বড়ো গাছের ছায়ায় তাদের গ্রাম। পাশ দিয়ে গেছে একটি লাল রঙের রাস্তা। সেখানে পাহাড়ের গায়ে গরু চরে বেড়ায়। মেয়েরা নদী থেকে জল তুলে মাথায় কলসি নিয়ে যায়। দইওয়ালা শুনে বিস্মিত হয়। অমল কখনো না গিয়েও তার গ্রামের হুবহু বর্ণনা দিয়েছিল। অমলের কিশোর মনের কল্পনা তাকে মুগ্ধ করে।
অমলের ছিল একটি কল্পনাপ্রবণ মন। সেই মন দিয়ে অজ্ঞাত গ্রামের বর্ণনাও সে ফুটিয়ে তোলে মনের মাধুরী মিশিয়ে। আর সেই ভাবনা দইওয়ালার গ্রামের সাথে আশ্চর্যজনকভাবে মিলে যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!