দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিপ্রধান একটি দেশ। দেশটিতে বাণিজ্যঘাটতি লেগেই আছে। একদল উচ্চশিক্ষিত উদ্যোক্তা সে দেশের সরকারকে দেশে উৎপাদিত কাঁচামালের সাহায্যে শিল্পজাত পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি সম্প্রসারণের পরামর্শ দিল এবং এমন কিছু পণ্য উৎপাদন করতে অনুরোধ করল, যেগুলো বর্তমানে আমদানি করতে হয়। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় ও দেশিয় শিল্পের প্রসার ঘটবে।

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

অল্প শিক্ষিত ও প্রশিক্ষণবিহীন সদস্যরা জীবন ধারণের তাগিদে পরিবারের স্বল্প মূলধন ও সহজলভ্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ঘরে বসে বিভিন্ন দ্রব্য উৎপাদন করলে তাকে কুটির শিল্প বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রধান প্রধান বৃহৎ শিল্পগুলোর নাম হলো- পাট শিল্প, বস্ত্র শিল্প, চা শিল্প, তামাক শিল্প, সিমেন্ট ও টাইলস শিল্প, কাগজ শিল্প, ড্রাগস ও মেডিসিন শিল্প, সার শিল্প, চিনি শিল্প, সাবান ও প্রসাধনী শিল্প, লৌহ ও ইস্পাত শিল্প ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্প হলো আমদানি বিকল্প শিল্প। আমদানি বিকল্প শিল্প যেভাবে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতি মেটাতে পারে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

উন্নয়নশীল দেশে অবকাঠামো নির্মাণসহ শিল্পোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিবছর বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশসহ কাঁচামাল আমদানি বাবদ প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। এছাড়া দেশীয় শিল্পের কাঁচামালের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বিদেশের উপর নির্ভরশীল হতে হয়।
যেমন- ওষুধ, খাদ্যসামগ্রী, স্বর্ণ অলংকার, গাড়ি, কসমেটিক্স প্রসাধনী ইত্যাদি পণ্য আমদানি করার জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়। কিন্তু যে তুলনায় উন্নয়নশীল দেশের পণ্য খুব বেশি রপ্তানি হয় না। তাই বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতায় এসব দেশ পিছিয়ে পড়ে। এ অবস্থায় যদি আমদানি বিকল্প শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে শিল্পজাত দ্রব্য দেশেই উৎপাদনের ব্যবস্থা করা যায় তাহলে একদিকে যেমন উন্নয়নশীল দেশসমূহ উন্নত হয়ে উঠবে অন্যদিকে বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতি হ্রাস করতে পারবে। কারণ আমদানি বিকল্প শিল্প স্থাপনের ফলে দেশীয় পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং এসব পণ্য দেশীয় চাহিদা পূরণে সমর্থ হবে। ফলে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করতে হবে না। এর ফলে উন্নয়নশীল দেশে স্বনির্ভরতা অর্জনের পাশাপাশি শিল্পোন্নয়নের ভিত দৃঢ় হবে, যা বাণিজ্য ঘাটতি মেটাতে সহায়তা করবে।
অতএব বলা যায়, আমদানি বিকল্প শিল্প নিত্যপ্রয়োজনীয় সব দ্রব্য উৎপাদন করে আমদানি হ্রাসের মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি মেটাতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে আমদানি বিকল্প শিল্পের গুরুত্ব নিচে আলোচনা করা হলো-
বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস : বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে অব্যাহত বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার জন্য রপ্তানি বৃদ্ধি ও আমদানি হ্রাস করা দরকার। আমদানি হ্রাস করার জন্য আমদানি বিকল্প শিল্পায়নের প্রয়োজন আছে।

মূলধন দ্রব্য উৎপাদন: উন্নয়নশীল দেশ সাধারণত মূলধন দ্রব্য বেশি আমদানি করে। অতএব আমদানি বিকল্প শিল্পায়ন গ্রহণ করা হলে দেশের ভেতরে মূলধন দ্রব্য উৎপাদিত হয়। ফলে উন্নয়নের গতি সহজ ও ত্বরান্বিত হয়।
বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় আমদানি বিকল্প শিল্পায়নের ফলে
দেশের আমদানি হ্রাস পায়। ফলে বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরতা কমে যায় এবং মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হয়।
স্বনির্ভরতা অর্জন: আমদানি বিকল্প শিল্পায়নের ফলে দেশে
বিভিন্ন রকম ভোগ্য পণ্য, মধ্যবর্তী দ্রব্য ও পুঁজি দ্রব্য উৎপাদন করা যায়। ফলে শিল্পপণ্যের দিক থেকে দেশে স্বনির্ভরতা অর্জন করা যায়।

শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ: আমদানি বিকল্প শিল্পায়নে বিভিন্ন রকম শিল্প স্থাপন করা যায়। ফলে দেশে শিল্পের বিকেন্দ্রীয়করণ ঘটে এবং সমগ্র শিল্প খাতের প্রসার ঘটে।  বাজারের নিশ্চয়তা: বাংলাদেশসহ যেসব দেশে জনসংখ্যা
বেশি সেখানে জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী অসংখ্য প্রকার পণ্য আমদানি করতে হয়। এ অবস্থায় দেশে আমদানি বিকল্প শিল্প স্থাপন করা হলে এসব শিল্পপণ্যের বাজারের নিশ্চয়তা থাকে। এজন্য প্রাথমিক পর্যায়ে এ ধরনের শিল্পের উন্নয়নে কার্যকর সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আমদানি বিকল্প শিল্পায়ন নীতির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
79

Related Question

View All
উত্তরঃ

অল্প শিক্ষিত ও প্রশিক্ষণবিহীন সদস্যরা জীবনধারণের তাগিদে পরিবারের স্বল্প মূলধন ও সহজলভ্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ঘরে বসে বিভিন্ন দ্রব্য উৎপাদন করে তা-ই কুটির শিল্প।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
164
উত্তরঃ

কোনো একটি দেশ যে সব দ্রব্য আমদানি করে থাকে, তা যদি আমদানি না করে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন করা হয় তাকে আমদানি বিকল্পন শিল্প বলে। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা, মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ইত্যাদি কারণে আমদানি বিকল্পন শিল্প স্থাপন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বাংলাদেশ সাধারণত গাড়ি আমদানি করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ যদি আমদানি না করে দেশের অভ্যন্তরেই গাড়ি তৈরির কলাকৌশল ব্যবহার করে গাড়ি তৈরি করতে পারে তাহলে তা আমদানি বিকল্পন শিল্প বলে গণ্য হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
170
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত শিল্পটি হলো চা শিল্প। নিচে চা শিল্পের সমস্যাগুলো ব্যাখ্যা করা হলো-

বাংলাদেশের চা শিল্প প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল। কোনো বছর বৃষ্টি কম হলে চা উৎপাদন কম হয়, কারণ চা উৎপাদনের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত প্রয়োজন। পাহাড়ি অঞ্চলে চা বাগান হওয়ায় মূল ভূখণ্ডের সাথে চা বাগানে যাওয়ার ভালো সড়ক নেই, এমনকি টেলিফোন লাইন, মোবাইল নেটওয়ার্ক বা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও অনেক স্থানে অপ্রতুল। চা শিল্পে দক্ষ শ্রমিকের খুব অভাব, যেখানে ঐতিহাসিক কিছু অবাঙালি পরিবার চা উৎপাদনে নিয়োজিত। তারা শুধু দেখে দেখে কাজ শিখেছে। চায়ের বিকল্প হিসেবে কফির উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের চায়ের চাহিদা বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে।
পুরাতন পদ্ধতিতে চা চাষের ফলে বিশ্বমানের চা উৎপাদনে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে আছে। চা বাগানগুলোতে প্রায়ই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে, যার ফলে নিরাপত্তার অভাবে অনেক দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী বাগান এলাকায় বসবাস করতে চান না। ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন এদের চা অপেক্ষাকৃত উন্নত হওয়ায় রপ্তানি বাজারে বাংলাদেশ এদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ে। চা বাগান তৈরি, পাতা প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণনে বড় মূলধন প্রয়োজন, যা সহজে ফেরত আসে না।
তাই এ ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোক্তা, নতুন মূলধন দেখা যায় না। উল্লিখিত এসব সমস্যা বাংলাদেশের চা শিল্পে বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
175
উত্তরঃ

চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে বিভিন্নমুখী উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। নিচে উক্ত সমস্যার সমাধান সম্পর্কে আমার মতামত উপস্থাপন করা হলো-

চা উৎপাদনে আধুনিক উৎপাদন পদ্ধতি প্রয়োগ করা একান্ত প্রয়োজন। পুরনো পদ্ধতির পরিবর্তে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ করে একরপ্রতি উৎপাদন বাড়াতে হবে। অনাবৃষ্টি ও খরার সময় চা বাগানে পর্যাপ্ত সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। অদক্ষ, অশিক্ষিত শ্রমিক-কর্মচারীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে বাগানের পরিচর্যা ও পাতা সংগ্রহে দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, উৎপাদন বাড়বে। চা বাগান এলাকার পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। চা বাগানের সাথে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ ও পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বিভিন্ন নেটওয়ার্ক স্থাপন ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়মিত করতে হবে। বিদেশে চা রপ্তানি বাড়ানোর জন্য নতুন নতুন বাজার সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে। ব্যাপক প্রচারণা, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, প্রদর্শনী মেলায় অংশগ্রহণ রপ্তানি বাজার বৃদ্ধির সহায়ক। চা বাগানগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত ঋণ সুবিধাসহ সার ও কীটনাশকের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে অবশ্যই চায়ের গুণগত মান বাড়াতে হবে। চা শিল্পের উন্নয়নে নিবিড় গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা জোরদার করা একান্ত প্রয়োজন। গুণগত মান বজায় রাখার জন্য চায়ের উত্তম গুদামজাতকরণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্যাকেটিং প্রয়োজন। চা বাগান, প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, চা রপ্তানির সাথে জড়িত বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লিখিত কার্যক্রমের মাধ্যমে চা শিল্পের সমস্যাগুলো দূর করা সম্ভম্ব বলে আমি মনে করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
137
উত্তরঃ

প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা, তা-ই অতি ক্ষুদ্র শিল্প।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
226
উত্তরঃ

বাংলাদেশে বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প এবং কুটির শিল্প এই দুই চরম বিপরীতধর্মী প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে রয়েছে ক্ষুদ্র শিল্প।
ক্ষুদ্র শিল্প বলতে সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানাভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫০ লাখ টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৫-৯৯ জন শ্রমিক কাজ করে।
ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সাবান শিল্প, দিয়াশলাই শিল্প, কাঠশিল্প, হোসিয়ারি শিল্প, লবণ শিল্প ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
279
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews