দক্ষিণ সুদানের তেল, গ্যাস ও কয়লা ইত্যাদি সম্পদ থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি বৃহৎ অংশ উত্তর সুদানে ব্যয় হতো। রাষ্ট্রিয় সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও দক্ষিণ সুদানের লোকজন নানা হয়রানির শিকার হতো। এরূপ বৈষম্য আর বঞ্চনা তৎকালীন সুদানের জাতিগোষ্ঠির মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস সৃষ্টি করে। এরই ধারাবাহিকতায় সংঘাত সৃষ্টি হয়। দু'দশকের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয় এর ভিত্তিতে ২০১১ সালে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষ গণভোট মেনে নেয় এবং জাতিসংঘের সহায়তায় দক্ষিণ সুদান স্বাধীনতা লাভ করে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নবাৰ আব্দুল লতিফ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক।
এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট একচেটিয়া ভোট পেয়ে বিশাল জয় লাভ করে ফলে একে 'ব্যালটবিপ্লব' বলা হয়। প্রাদেশিক আইনসভা নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের ২৩৬টি আসনে জয় লাভ করে। আর ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন লাভ করে। মুসলিম লীগের কুশাসন ও শোষণে জর্জরিত পূর্ব বাংলার জনগণের পুঞ্জিভূত বেদনা ও আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ ছিল ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

স্বাধীনতার পূর্বে দক্ষিণ সুদানের অর্থনৈতিক বৈষম্য ও বঞ্চনার সাথে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বঞ্চনার সাদৃশ্য রয়েছে।

পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, পূর্ব পাকিস্তান ছিল প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বিপুল সম্ভাবনাময় হলেও পূর্ব বাংলার জনগণ এ অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। উদ্দীপকে দক্ষিণ সুদানের ক্ষেত্রেও অনুরূপ দৃষ্টান্ত লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকে লক্ষণীয় যে, দক্ষিণ সুদানের তেল, গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি সম্পদ থেকে প্রাপ্ত অর্থ উত্তর সুদানে ব্যয় করা হতো, এসব বৈষম্য ও বঞ্চনা তৎকালীন সুদানের জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস সৃষ্টি করে। যার ধারাবাহিকতায় সংঘাত সৃষ্টি হয়। উদ্দীপকের দক্ষিণ সুদানের এ বঞ্চনার ন্যায় পূর্ব পাকিস্তানও পশ্চিম পাকিস্তান দ্বারা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বঞ্চনার শিকার হয়। লক্ষণীয় যে প্রাদেশিক সরকারের হাতে মুদ্রাব্যবস্থা ও অর্থনীতির কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। পাকিস্তানে যে তিনটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গৃহীত হয় তার প্রথমটি পর্যালোচনা করলেই এ বৈষম্য স্পষ্ট হয়। যেমন: এতে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের পণ্য বরাদ্দকৃত ব্যয় ছিল যথাক্রমে ১১৩ কোটি ও ৫০০ কোটি রুপি কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ সকল বা্যংক, বিমা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে। এ সকল অর্থনৈতিক বৈষম্যই পরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে সংগ্রামী চেতনায় অনুপ্রাণিত করে।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে এ কথা প্রতীয়মান হয় যে, দক্ষিণ সুদানের অর্থনৈতিক বঞ্চনার সাথে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বঞ্চনার সাদৃশ্য বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রক্রিয়াগত ভিন্নতা রয়েছে যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট হয়।

উদ্দীপকে লক্ষ করা যায় যে, চরম বৈষম্যের জের ধরে উত্তর ও দক্ষিণ সুদানের জাতিগুলোর মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বাধে। যুদ্ধ বন্ধ করতে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় এবং এ গণভোটের রায় মেনে সাবেক সুদান রাষ্ট্র ভেঙে দক্ষিণ সুদান নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। অন্যদিকে, পাকিস্তান শাসনামলে কেন্দ্রীয় সরকারের চরম বৈষম্য, অত্যাচার ও নির্যাতনের ফলে পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ৩০ লক্ষ শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে, মূলত তিনটি পদ্ধতি অবলম্বন করে মোকাবিলা করে। ইয়াহিয়ার বর্বর হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের দখলকৃত অঞ্চলসমূহে নির্বিচারে গণহত্যা, নারী ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ প্রভৃতি জঘন্যতম অপরাধে লিপ্ত হয়। বাঙালি যুবক সম্প্রদায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গ্রামগঞ্জে-শহরে গোপনে সংগঠিত হয়ে গেরিলা পদ্ধতিতে পাকবাহিনীকে পর্যুদস্ত করতে থাকে। পাক বর্বর বাহিনীর জঘন্যতম অত্যাচারে হাজার হাজার যুবক ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অস্ত্রধারণ করে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, মুক্তিবাহিনী ও ভারতের সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে একটি যৌথ কমান্ড গঠিত হয় এবং তাদের আক্রমণে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে একথা প্রতীয়মান হয় যে, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রেই সুদানের তুলনায় বাংলাদেশের জনগণের বিশেষত্বের প্রমাণ রেখেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
24

Related Question

View All
উত্তরঃ

শহিদ মিনার নির্মাণের উদ্দেশ্য হলো ভাষাশহিদদের স্মরণ ও ভাষার প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন।
১৯৫২ সালের ভাষার জন্য শহিদ হওয়া ব্যক্তিদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও তাদের স্মৃতিসংরক্ষণের জন্য ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ শুরু করে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের বাবা তা উদ্বোধন করেন। কিন্তু পুলিশ ও সেনাবাহিনী তা ভেঙে ফেললে ১৯৫৭ সালে বর্তমান স্থানে শহিদ মিনার স্থাপন শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
526
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মানভূমের ভাষা আন্দোলনের সাথে আমার * পঠিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাদৃশ্য খুঁজে পাই।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মানভূমের বাঙালিদের মধ্যে ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলন গড়ে ওঠে। এসময় রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরের হিন্দি ভাষা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ আন্দোলনের সাথে আমার পঠিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের * সাদৃশ্য লক্ষণীয়। অনুরূপ ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬.৪০% মানুষের মুখের ভাষা বাংলার পরিবর্তে মাত্র ৭.২০% মানুষের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা এসে ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। তাছাড়া ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে ঘোষণা করলে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন নতুন মাত্রা ও সর্বাত্মক রূপলাভ করে। এ সময়ে তমদ্দুন মজলিস ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক হরতাল আহূত হলে স্থানীয় প্রশাসন ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ১ মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে এবং সকল সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়। সরকারের এ ঘোষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা মিছিল বের করলে পুলিশের গুলিতে সালাম, আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার শহিদ হন। যার ফলে বিশ্ব ইতিহাসে ভাষার জন্য আন্দোলনের এক অবিনশ্বর ইতিহাস রচিত হয়।

অতএব উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে পূর্ব-বাংলার ভাষা আন্দোলনের মিল পরিলক্ষিত হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদ উজ্জীবিত হয় যা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূলমন্ত্র ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
389
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বাংলা ভাষা আন্দোলনে 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল' উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটায়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি সর্বপ্রথম নিজেদের স্বতন্ত্র সত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়। আর এ চেতনাই পরবর্তীতে প্রতিটি গণআন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগায় এবং সকল বৈষম্য থেকে মুক্তির পথ সুগম করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে শাসক দল মুসলিম লীগের সকল বৈষম্যমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে গণরায় প্রদানের মাধ্যমে যুক্তফ্রন্টকে জয়ী করে। বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত বাঙালি জাতি পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বাধিকারের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। সর্বোপরি এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাই ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯৫২ সালে। বাঙালি জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা অর্জন করে তার ধারাবাহিকতাতেই স্বাধীনতা অর্জন করে।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা দেয় তার মধ্যে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল। তাই উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
726
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। কাল রাত বলতে নৃশংস ও ভয়ংকর রাতকে বোঝানো হয়। ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে বাঙালি জাতির উপর যে জঘন্য ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় এ রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। এ রাতে অসংখ্য নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করা হয় এবং ঢাকা শহরের রাস্তায় লাশের স্তূপ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
590
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews