দবির মিয়ার মতো কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় সরকার কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে? তোমার মতামত দাও। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

দবির মিয়ার মতো কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় সরকার যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে সেগুলো নিচে আলোচনা করা হলো-

⇒ কৃষকদের দারিদ্র্যের কারণে তাদের নিজস্ব মূলধন নেই। তাই কৃষকরা ঋণ করে বা বাকিতে বীজ, সার, সেচ,
কীটনাশক ইত্যাদি ক্রয় করে থাকে। এসব ঋণের বা দোকানদারের টাকা পরিশোধ করার জন্য ফসল ঘরে আনার আগেই কম দামে বিক্রয় করতে হয়। তাই সরকার কৃষকদের পর্যাপ্ত ঋণের ব্যবস্থা করলে কৃষকরা কম দামে ফসল বিক্রয় করবে না, ন্যায্য পাবে।

⇒যখন ফসল সংগ্রহ করা হয় তখন ফসলের যোগান বেশি থাকে বলে কৃষিপণ্যের দাম কমে যায়। সরকার যদি গুদাম ঘর ও হিমাগার নির্মাণ করে ফসল সংরক্ষণ করে তবে কৃষকরা কম দামে ফসল বিক্রয় করতে বাধ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্বত্বভোগীরা বিভিন্ন ছল-চাতুরি ও কৌশলের মাধ্যমে কৃষকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করে থাকে। সরকার গ্রামাঞ্চলে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র স্থাপন করলে এবং নিজস্ব প্রতিনিধির মাধ্যমে কৃষিপণ্য ক্রয় করলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস পাবে।

⇒ কৃষিপণ্যের মূল্য নিশ্চিত করতে হলে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা খুবই জরুরি। যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত শস্য স্থানীয় বাজারে কম দামে বিক্রয় করতে বাধ্য হয়।
→ কৃষিপণ্যের উৎপাদন ব্যয় হ্রাসের জন্য কৃষকদের ভর্তুকির প্রয়োজন। সরকার কর্তৃক কৃষকদের ভর্তুকি প্রদান করা হলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং বিভিন্ন প্রকার শসা উৎপাদনে আগ্রহী হবে।
⇒ যখন কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় তখন দাম দ্রুত কমে যায়। এ সময় সরকার কৃষকদের উৎসাহ প্রদানের জন্য কৃষি মূল্যনীতি প্রয়োগ করতে পারে।
উল্লিখিত ব্যবস্থাসমূহ সরকার গ্রহণ করলে কৃষকদের স্বার্থরক্ষা হয় বলে আমি মনে করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
56

Related Question

View All
উত্তরঃ

সেচ হলো কৃত্রিমভাবে কৃষিজমিতে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
135
উত্তরঃ

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫.১% কৃষি খাতে নিয়োজিত। কিন্তু এ দেশের অধিকাংশ কৃষক ভূমিহীন ও দরিদ্র। ফলে কৃষিকাজের সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য ঋণ গ্রহণ করতে হয়। তাই কৃষকরা বিভিন্ন উৎস থেকে কৃষিঋণ গ্রহণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
136
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনা অনুসারে আব্দুল করিম কৃষিপণ্যের বিপণন বা বাজারজাতকরণের সাথে জড়িত। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-উৎপাদিত ফসল ভোক্তার নিকট তথা ক্রেতার নিকট পৌঁছে দেওয়ার যাবতীয় কার্যক্রম বা প্রক্রিয়াকে কৃষিপণ্যের বিপণন বা বাজারজাতকরণ বলে। এ ধরনের পেশার লোকদের দালাল বা ফড়িয়া বলে। বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্রেতা বা ভোক্তার চাহিদামতো কৃষিপণ্য উৎপাদন করা বাজারজাতকরণের প্রথম ধাপ। বিপুল কৃষিপণ্য একসাথে বিক্রি করা যায় না। ফলে কৃষিপণ্য গুদামজাত ও সংরক্ষণ করতে হয়। বিক্রির উদ্দেশ্যে কৃষিপণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌছানোর জন্য পরিবহনের প্রয়োজন হয়। ক্ষেত থেকে ফসল ক্রয় করা, গুদামজাতকরণ, পরিবহন ইত্যাদির জন্য বিপণনের কাজে ব্যবসায়ী/কৃষকের অর্থের যোগান থাকতে হয়। অতঃপর উক্ত কৃষিপণ্যসমূহ বাজারে বিক্রয় করতে হয়। আব্দুল করিমও ফসলের মৌসুমে কৃষকদের অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখেন তাদের ফসল কেনার জন্য। কৃষকদের থেকে সংগৃহীত ফসল তিনি শহরের বাজারে সরবরাহ করেন। এই মধ্যপন্থী কার্যক্রম, অর্থাৎ বাজারজাতকরণের মাধ্যমে আয় করে তার সংসার চালান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
107
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি, বাজারজাতকরণ বা বিপণন পেশা আমাদের দেশে প্রয়োজনীয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও এ দেশের অধিকাংশ কৃষক অশিক্ষিত। তারা অনেক পরিশ্রম করে শস্য ফলায়। তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে বিক্রি করলে ভালো দাম পায় না। তাই তারা দালাল বা ফড়িয়াদের কাছে সাধারণ দামের চেয়ে একটু বেশি দামে তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রির চেষ্টা করে। দালাল বা ফড়িয়ারা ওই ফসল শহরে আরও বেশি দামে বিক্রি করে। এতে তারা নিজেরাও লাভবান হয়, আবার কৃষকরাও সাধারণের থেকে একটু বেশি লাভবান হয়। এই দালাল বা ফড়িয়াদের মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রাম থেকে গঞ্জে এবং গঞ্জ থেকে শহরে বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য ভোক্তার কাছে আসে। বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করার কাজেও এ ধরনের দালাল বা ফড়িয়াদের অবদান রয়েছে। আমাদের দেশে এই ধরনের দালাল ও ফড়িয়ারা আছে বলেই কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সঠিক সময়ে বিক্রি করতে পারছে। তবে বর্তমানে কিছু ভুয়া দালাল ও ফড়িয়া কৃষকদের ঠকিয়ে তাদের কষ্টে উৎপাদিত পণ্য আত্মসাৎ করছে। যার ফলে সরকার ওই দালাল ও ফড়িয়াদের দূর করতে নিজেরাই কৃষকদের কাছ থেকে ধান/চাল কিনছে। কিন্তু এ দেশে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে দালাল ও ফড়িয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই আমি মনে করি, আমাদের দেশে এ ধরনের পেশা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
134
উত্তরঃ

একজন কৃষক ফসল ফলানোর জন্য যে জমি ব্যবহার করে থাকে তা-ই কৃষি খামার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
125
উত্তরঃ

কৃষি খামারে একটি মাত্র ফসলের পরিবর্তে একাধিক ফসল উৎপাদন করাকে বলা হয় শস্য বহুমুখীকরণ। এ ক্ষেত্রে একই জমিতে বছরের নানা সময়ে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা হয়। ১৯৯০-এর দশকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সরকার শস্য বহুমুখীকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
140
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews