দরিদ্র আইন কী? (অনুধাবন)

Updated: 4 days ago
উত্তরঃ

দরিদ্র আইন ছিল ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে দরিদ্রদের সাহায্য ও তাদের অবস্থার উন্নতির জন্য প্রণীত একগুচ্ছ আইন। এই আইনগুলোর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল দরিদ্রদের কর্মসংস্থান, সাহায্য প্রদান এবং তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

প্রাথমিকভাবে ১৬০১ সালের এলিজাবেথীয় দরিদ্র আইন দ্বারা এই ব্যবস্থার সূচনা হয়, যা স্থানীয় প্যারিশগুলোকে দরিদ্রদের জন্য ত্রাণ ও কাজের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব দেয়। পরবর্তীতে, ১৮৩৪ সালের দরিদ্র আইন সংশোধনী আইন (Poor Law Amendment Act) এই ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনে, যা কর্মসংস্থান বা ত্রাণের জন্য ওয়ার্কহাউস পদ্ধতি চালু করে এবং দরিদ্রদের জন্য জীবনযাত্রার কঠোর শর্ত আরোপ করে।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
5

Related Question

View All
উত্তরঃ গ্রেট ব্রিটেন

শিল্প বিপ্লবের সূতিকাগার বলা হয় গ্রেট ব্রিটেনকে। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু করে ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত গ্রেট ব্রিটেনে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন প্রক্রিয়ায় এক বিশাল পরিবর্তন সূচিত হয়, যা শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত। নতুন নতুন যন্ত্রপাতির আবিষ্কার, যেমন - জেমস ওয়াটের বাষ্পীয় ইঞ্জিন, জন কে-এর ফ্লাইং শাটল, হারগ্রেভসের স্পিনিং জেনি ইত্যাদি গ্রেট ব্রিটেনে শিল্পায়নের পথ উন্মুক্ত করে। অনুকূল ভৌগোলিক অবস্থান, কয়লা ও লোহার মতো প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য, উপনিবেশগুলোতে পণ্যের বাজার এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এই বিপ্লবকে ত্বরান্বিত করে।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
8
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত মি. ডেভিডের কৃষিক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উদ্বৃত্ত পণ্য বিক্রয়ের জন্য আন্তর্জাতিক বাজার অনুসন্ধানের ঘটনাটি পাঠ্যবইয়ের শিল্প বিপ্লবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। শিল্প বিপ্লব ছিল উৎপাদন ব্যবস্থার এক যুগান্তকারী পরিবর্তন যা অর্থনীতি ও সমাজে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

শিল্প বিপ্লব মূলত অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ব্রিটেনে শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এই সময়ে নতুন নতুন যন্ত্রপাতির আবিষ্কার ও প্রয়োগের ফলে হস্তশিল্পের পরিবর্তে কারখানায় ব্যাপক হারে পণ্য উৎপাদন শুরু হয়। বাষ্পীয় ইঞ্জিন, স্পিনিং জেনি, পাওয়ার লুম ইত্যাদির উদ্ভাবন উৎপাদন ব্যবস্থাকে আমূল বদলে দেয়, যার ফলে উৎপাদন ক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পায় এবং পণ্য তৈরির খরচ কমে আসে।

মি. ডেভিডের সনাতন পদ্ধতি ছেড়ে আধুনিক কৃষি পদ্ধতি গ্রহণ উৎপাদন বৃদ্ধির যে চিত্র তুলে ধরে, তা শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে যন্ত্রনির্ভর উৎপাদন বৃদ্ধির প্রতিচ্ছবি। শিল্প বিপ্লবের ফলে যেহেতু উৎপাদিত পণ্যের পরিমাণ অনেক বেড়ে গিয়েছিল, তাই এই উদ্বৃত্ত পণ্য বিক্রির জন্য নতুন নতুন বাজারের প্রয়োজন হয়। মি. ডেভিডের বহির্বিশ্বে বাজার অনুসন্ধানের প্রচেষ্টাও এই ঐতিহাসিক বাস্তবতারই প্রতিফলন, যা তার দেশকে আর্থিকভাবে লাভবান করে তুলেছিল, যেমনটি শিল্প বিপ্লব উত্তর দেশগুলো উপনিবেশ স্থাপন ও বিশ্ববাণিজ্য বিস্তারের মাধ্যমে লাভবান হয়েছিল।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
5
উত্তরঃ

মি. ডেভিডের কৃষিক্ষেত্রে আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার এবং উৎপাদিত উদ্বৃত্ত পণ্য বহির্বিশ্বে বাজারজাতকরণের ঘটনাটি বিশ্ব অর্থনীতিতে এক সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল, যা বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ারই একটি অংশ। এটি স্থানীয় উৎপাদনকে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে যুক্ত করে এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক আন্তঃনির্ভরশীলতা সৃষ্টি করে।

উদ্দীপকের মি. ডেভিডের কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি সনাতন কৃষি পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক কৌশল অবলম্বন করে উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। এই উদ্বৃত্ত পণ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করার উদ্যোগ নেন। ফলে মি. ডেভিডের দেশের পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে যায় এবং তার দেশ আর্থিকভাবে লাভবান হয়। এই প্রক্রিয়া একদিকে যেমন উৎপাদনকারী দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে, তেমনি অন্য দেশের ভোক্তাদের জন্য নতুন পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করে।

পাঠ্যবইয়ের আলোকে এই ঘটনার বৈশ্বিক প্রভাব বহুবিধ। প্রথমত, এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটায়। মি. ডেভিডের মতো অসংখ্য উদ্যোক্তার মাধ্যমে দেশগুলো পরস্পরের সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে সংযুক্ত হয়, যা পণ্য ও সেবার অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করে। দ্বিতীয়ত, এটি বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। যখন একটি দেশ আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করে তা রপ্তানি করে, তখন উভয় দেশের অর্থনীতিই উপকৃত হয়। এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তির বিনিময় এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবদান রাখে। তৃতীয়ত, এর মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে আদান-প্রদান ঘটে, কারণ পণ্যের হাত ধরে বিভিন্ন দেশের মানুষের জীবনযাত্রার ধরন, রুচি ও চাহিদা সম্পর্কে ধারণা তৈরি হয়।

সুতরাং, মি. ডেভিডের পদক্ষেপ আধুনিক বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্যের একটি ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি। এটি একদিকে যেমন উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়ন করে, তেমনি অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী বাজারের সম্প্রসারণ এবং দেশসমূহের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা বৃদ্ধি করে বৈশ্বিক ঐক্য ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। এটি বর্তমান বিশ্বায়িত অর্থনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে, যেখানে স্থানীয় উদ্যোগের বৈশ্বিক প্রভাব অনস্বীকার্য।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
5
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews