দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুপুর পিৎজা, বার্গার, চিপস জাতীয় খাবার খেতে পছন্দ করে। তার ওজন ৭৫ কেজি এবং উচ্চতা ১৫৮ সে.মি.। নুপুর ছুটিতে মামাবাড়ি বেড়াতে গেলে তার ডাক্তার মামা তাকে এসব খাবারের পরিবর্তে শাক-সবজি এবং টাটকা ফল খেতে এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করার পরামর্শ দেন। 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

যেসব খাদ্য উপাদান জীবদেহে শক্তি উৎপাদন, বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করে, তাদের নিউট্রিয়েন্টস (Nutrients) বা পুষ্টি উপাদান বলে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

ফুড পয়জনিং হলো দূষিত বা বিষাক্ত খাবার খাওয়ার ফলে সৃষ্ট এক ধরনের অসুস্থতা। এই অসুস্থতা সাধারণত ঘটে যখন কেউ এমন খাবার বা পানীয় গ্রহণ করে যা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, পরজীবী বা তাদের দ্বারা উৎপাদিত বিষাক্ত পদার্থ (টক্সিন) দ্বারা contaminated বা দূষিত।

খাবারের মাধ্যমে এসব ক্ষতিকারক অণুজীব বা বিষাক্ত পদার্থ শরীরে প্রবেশ করলে হজমতন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যার ফলে বমি, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, জ্বর, মাথা ঘোরা এবং দুর্বলতাসহ বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়। সঠিক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করলে বা খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও রান্না না করলে ফুড পয়জনিং হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা হয়েছে কিনা তা জানার একটি সহজ পরিমাপক হলো বডি মাস ইনডেক্স বা বি.এম.আই (BMI)। এর সাহায্যে একজন ব্যক্তির ওজন তার উচ্চতার সাপেক্ষে আদর্শ মানে আছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়। বি.এম.আই নির্ণয়ের সূত্র হলো:

বি.এম.আই = \[ \frac{\text{ওজন (কেজি)}}{\text{{[উচ্চতা (মিটার)]}}^2} \]

উদ্দীপকে দেওয়া তথ্য অনুসারে, নুপুরের ওজন ৭৫ কেজি এবং উচ্চতা ১৫৮ সে.মি.। বি.এম.আই নির্ণয়ের জন্য উচ্চতাকে প্রথমে মিটারে রূপান্তর করতে হবে:

উচ্চতা = ১৫৮ সে.মি. = \( \frac{158}{100} \) মিটার = ১.৫৮ মিটার

এখন, নুপুরের বি.এম.আই নির্ণয় করা যাক:

বি.এম.আই = \( \frac{75}{(1.58)^2} = \frac{75}{2.4964} \approx 30.04 \) কেজি/মি

প্রাপ্ত বি.এম.আই (৩০.০৪ কেজি/মি) অনুযায়ী, নুপুর স্থূলতার (Obesity) শিকার। সাধারণত, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের বি.এম.আই ২৫-এর বেশি হলে তাকে অতিরিক্ত ওজন সম্পন্ন এবং ৩০-এর বেশি হলে তাকে স্থূলকায় ধরা হয়। তার পিৎজা, বার্গার, চিপস জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস এবং অধিক ওজন তার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, যা তার ডাক্তার মামার পরামর্শের (শাক-সবজি ও টাটকা ফল খাওয়া এবং নিয়মিত শরীরচর্চা) যৌক্তিকতাকে সমর্থন করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুপুরের খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, তার ডাক্তার মামার দেওয়া পরামর্শ অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত এবং তার সুস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। জাঙ্ক ফুড (junk food) গ্রহণ এবং অপর্যাপ্ত শরীরচর্চার কারণে নুপুর স্থূলতার ঝুঁকিতে আছে, যা বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।

উদ্দীপক অনুসারে, নুপুরের ওজন ৭৫ কেজি এবং উচ্চতা ১৫৮ সে.মি. (১.৫৮ মিটার)। তার বডি মাস ইনডেক্স (BMI) নির্ণয় করলে পাওয়া যায়: \( \text{BMI} = \frac{\text{ওজন (কেজি)}}{\text{উচ্চতা}^২ (\text{মিটার}^২)} = \frac{75}{(1.58)^2} = \frac{75}{2.4964} \approx 30.04 \text{ কেজি/মি}^২ \)। আদর্শ BMI ১৮.৫ থেকে ২৪.৯ এর মধ্যে থাকে। নুপুরের BMI ৩০.০৪ হওয়ায় সে স্থূলতার (Obesity) শিকার। পিৎজা, বার্গার, চিপস জাতীয় ফাস্ট ফুড (fast food) সাধারণত অতিরিক্ত ক্যালরি, চর্বি (fat) এবং চিনি সমৃদ্ধ হয়, যা দ্রুত ওজন বৃদ্ধি করে এবং উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস (diabetes), হৃদরোগ (heart disease) এবং অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার (metabolic problems) ঝুঁকি বাড়ায়।

নুপুরের ডাক্তার মামা তাকে শাক-সবজি এবং টাটকা ফল খেতে এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করার পরামর্শ দিয়েছেন। এই পরামর্শের যৌক্তিকতা অনস্বীকার্য। শাক-সবজি ও ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন (vitamin), খনিজ লবণ (minerals) এবং ফাইবার (fiber) থাকে। ফাইবার হজমে সহায়তা করে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং অতিরিক্ত খাওয়া রোধ করে। এগুলো কম ক্যালরিসমৃদ্ধ হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। অপরদিকে, নিয়মিত শরীরচর্চা শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি পোড়াতে, মাংসপেশী সুগঠিত করতে, রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে এবং হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি মেটাবলিজম (metabolism) বৃদ্ধি করে এবং মনকে সতেজ রাখে।

সুতরাং, নুপুরের বর্তমান শারীরিক অবস্থা এবং খাদ্যাভ্যাসের প্রেক্ষাপটে তার মামার পরামর্শ অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও দূরদর্শী। এই পরামর্শ মেনে চললে নুপুর স্থূলতা জনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে মুক্তি পাবে এবং একটি সুস্থ ও কর্মঠ জীবন যাপন করতে পারবে। তাই নুপুরের সুস্বাস্থ্যের জন্য তার মামার দেওয়া পরামর্শ অনুসরণ করা অত্যাবশ্যক।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
387

Related Question

View All
উত্তরঃ

হৃদপিন্ডের সংকোচন উপসরনের ফলে হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহকালে ধমনি প্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে।

4k
উত্তরঃ

সিস্টোলিক রক্তচাপ হল হৃদযন্ত্র সংকোচনের (সিস্টোল) সময় ধমনীগুলিতে সৃষ্ট সর্বোচ্চ চাপ। যখন হৃদপিণ্ড সংকুচিত হয়ে রক্তকে ধমনীগুলির মধ্য দিয়ে পাম্প করে, তখন ধমনীর দেয়ালে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাকে সিস্টোলিক রক্তচাপ বলা হয়। রক্তচাপ পরিমাপের সময় এটি উপরের সংখ্যা হিসাবে প্রকাশিত হয় (যেমন, 120/80 mmHg হলে 120 হলো সিস্টোলিক রক্তচাপ)। এটি হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক এবং স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।

3.4k
উত্তরঃ

রাফিনের আব্বার উপসর্গগুলির ভিত্তিতে বলা যায় যে তিনি সম্ভবত ডায়াবেটিস (বহুমূত্র রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

ব্যাখ্যা:

ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদী (ক্রনিক) রোগ যেখানে দেহে ইনসুলিন নামক হরমোনের কার্যকারিতা কমে যায় বা দেহ পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না। এর ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। ডায়াবেটিসের সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  1. ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রক্তে উচ্চ গ্লুকোজের মাত্রা ক্ষত নিরাময়ে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগে।
  2. চামড়া শুকিয়ে যাওয়া: ডায়াবেটিসের কারণে শরীরের পানি ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়, ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
  3. সহজেই ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়া: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে শরীর পর্যাপ্ত শক্তি পায় না, ফলে সহজেই ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন অপরিহার্য। ডাক্তার সাধারণত রোগীদের জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসের ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে থাকেন যাতে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

2.9k
উত্তরঃ

রক্ত (Blood) কী ?
সাধারণত শরীরের কোন অংশে কেটে গেলে লাল রঙের যে তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, তাই রক্ত। 
▪︎রক্ত হচ্ছে প্লাজমা ও প্লাজমায় ভাসমান বিভিন্ন কোষীয় উপাদানে গঠিত জটিল তরল টিস্যু। 
▪︎রক্ত (Blood) হল মানুষের দেহের এক প্রকার 
তরল যোজক কলা (Liquid Connective Tissue)
যা কোষবহুল, বহু জৈব ও অজৈব পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত সামান্য লবণাক্ত, আঠালো, ক্ষারধর্মী লালবর্ণের ঘন তরল পদার্থ এবং হৃৎপিন্ড, ধমনী, শিরা ও কৈশিক জালিকার মধ্য দিয়ে নিয়মিত প্রবাহিত হয়ে দেহে অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ পরিবাহিত করে। 
 

6.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews