দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর,/ লও যত লৌহ লোট্র কাষ্ঠ ও প্রস্তর

হে নবসভ্যতা। হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী, / দাও সেই তপোবন পুণ্যচ্ছায়ারাশি,

গ্লানিহীন দিনগুলি, সেই সন্ধ্যায়ান/ সেই গোচারণ; সেই শান্ত সামগান।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লি-দুলালের দেশে যেতে চান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'দীঘল বাঁকা পন্থখানি' বলতে কবি পল্লিগ্রামে যাওয়ার যে দীর্ঘ বাঁকা পথ তাকে বুঝিয়েছেন।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি আদরের পল্লি-দুলালের দেশে যেতে চেয়েছেন। যে পথে তিনি পল্লিগ্রাম যাবেন কবি নানা উপমায় সেই গ্রামীণ মেঠোপথের বর্ণনা দিয়েছেন। ধান-কাউানের খেতের ভেতর সরু সুতার মতো পথ, গাঁয়ের হাবা মেয়ের এলো সিঁথি যেমন আঁকাবাঁকা তেমনই সেই পথ। পথটি গরুর গায়ের রেখায় ক্ষতের মতো এবড়ো থেবড়ো। মূলত প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা কবি গ্রামীণ মেঠোপথকেই বুঝিয়েছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শহরের যান্ত্রিকতা থেকে মুক্ত প্রকৃতির অনিন্দ্য রূপাকে কামনা করা হয়েছে, যার সঙ্গে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার যান্ত্রিকতামুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশ বর্ণনার দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে।

শহুরে মানুষ ইট-কাঠ-পাথরের সভ্যতায় হাঁপিয়ে ওঠে। তারা তখন গ্রামের প্রকৃতিতে অবকাশ খোঁজে। তাদের আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে নির্মল প্রকৃতি।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন, যা শহরের কোলাহল ও কৃত্রিমতা থেকে মুক্ত। কবি পল্লিগ্রাম সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা যার বনের শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ। গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে যে পথে হেঁটে চলে কবি সেই পথে হাঁটতে চেয়েছেন। কবির ইচ্ছা গ্রামের দুরন্ত ছেলেদের সাথে খেলা করবেন। ধলদিঘিতে সাঁতার কেটে রক্তকমল তুলে আনবেন। পাখির সঙ্গে ডাকবেন কিংবা অজানা ফুলের রূপ দেখে মুগ্ধ হবেন। তিনি প্রকৃতির রূপের সঙ্গে এককথায় মিশে যেতে চান।' উদ্দীপকেও দেখা যায়, কবি নগরের পরিবর্তে অরণ্যকে ফিরে পেতে চান; নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী নবসভ্যতা থেকে মুক্ত হয়ে তপোবনকে ফিরে পেতে চান। শান্ত, কোমল, স্নিগ্ধ পরিবেশ ফিরে পেতে চান। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সঙ্গে কবিতার প্রকৃতিচেতনায় সাদৃশ্য রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কবির আকাঙ্ক্ষার সাথে 'যাব আমি তোমার দেশে" কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষা অনেকাংশেই একীভূত।

শহরের যান্ত্রিক সভ্যতায় মানুষ মুক্তির শান্তি পায় না। তখন তাদের মন ছুটে যায় নির্মল প্রকৃতির কাছে। তারা মনে-প্রাণে পল্লি-প্রকৃতির কাছে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করে। মনে মনে সেই আগের গ্রামীণ জীবনই যেন তাদের আরাধ্য হয়ে ওঠে।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। সেই পল্লিগ্রামকে প্রকৃতি ঘিরে রেখেছে। সেই পল্লিপ্রকৃতির সমস্ত অনুষঙ্গের সাথে কবি মিশে গেছেন। গ্রামের মেঠোপথ থেকে শুরু করে গ্রামের আকাশ, গ্রামের দিঘিতে পদ্ম তোলা, কিংবা গ্রামের ছেলেদের সাথে খেলা করা এ সমস্ত কিছুই শহুরে কৃত্রিমতা থেকে অনেক দূরে; তাই কবি মিশে যেতে চেয়েছেন এদের সাথে। কবি গ্রামের মাটিতে পা ফেলে হাঁটবেন। পাখির সাথে ডাকবেন। গাছের শাখা দুলিয়ে হাজার রঙের ফুল তুলবেন। নিরালা নিঝুম অন্ধকারে পল্লিগ্রামের অপরূপ সৌন্দর্য অন্বেষণ করবেন।

উদ্দীপকেও দেখা যায়, কবি নগরের পরিবর্তে অরণ্যকে ফেরত চেয়েছেন। শহরের যান্ত্রিক লোহা, কাঠ, পাথর দ্বারা নির্মিত নব সভ্যতার পরিবর্তে চেয়েছেন ঘন বন। গ্রামীণ শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশকে কামনা করেছেন যা মনকে করে তোলে স্নিগ্ধ, প্রাণবন্ত। উদ্দীপকের কবির এই আকাঙ্ক্ষা যেন 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষাকে ছুঁয়ে গিয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের কবির আকাঙ্ক্ষা অর্থাৎ প্রকৃতিকে কাছে পাওয়ার ইচ্ছা বা ফিরে পাওয়ার আকুতি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবির সাথে একীভূত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
228

Related Question

View All
উত্তরঃ

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটি লিখেছেন কবি জসীমউদ্‌দীন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
600
উত্তরঃ

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় গ্রাম্য মেয়ে পথে কদমকলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে।


'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি আদরের পল্লি-দুলালের দেশে অর্থাৎ পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন এবং সেই সূত্রে পল্লিগ্রামের চিত্র এঁকেছেন। পল্লিগ্রাম, প্রকৃতি যেন কবিকে ঘিরে রেখেছে। তার বনের শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ। সেখানে ধান-কাউনের খেতের ভিতর দিয়ে সরু সুতার মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ গেছে। সেই পথ নানা মাঠ ও বন পেরিয়ে গাঁয়ের ছায়াময় পথে মিশেছে। সেই পথে গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
655
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শহুরে দুই বন্ধুর গ্রাম দেখার যে ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে আমার পাঠ্য পুস্তকের 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে।

গ্রাম মানুষের প্রিয়। শহুরে মানুষকে গ্রাম চিরদিন হাতছানি দিয়ে ডাকে। গ্রামের অনাবিল নির্মল প্রকৃতি ও পরিবেশ মানুষের মনে শান্তি আনে। তাই গ্রামে যাওয়ার জন্য শহুরে মানুষ আকুল হয়।

উদ্দীপকে শহরের দুই বন্ধু শফিক ও আশিক গ্রীষ্মের ছুটিতে তাদের গ্রামের বন্ধু শাহেদের বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। তারা বইয়ের পাতায় পড়েছে, টেলিভিশনে দেখেছে, কিন্তু কখনো সশরীরে গ্রামে যায়নি। তাদের ভালো লাগা ও যাওয়ার ব্যাকুলতা আরও বেড়ে যায় ছেলেমেয়েদের দুরন্তপনার বর্ণনা শুনে। শহুরে এই দুই বন্ধুর ব্যাকুলতা ধরা পড়ে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার মধ্যে। কবি সেই গ্রামে যেতে চান যেখানে ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে সরু সুতোর মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ গেছে। সেই পথে কবি গ্রামে যেতে চান, সেখানে দস্যি বা দুরন্ত ছেলেদের সাথে খেলতে চান, ধলদিঘিতে সাঁতার কেটে রক্তকমল আনতে চান। এমন ইচ্ছা ও ব্যাকুলতা উদ্দীপকের শহুরে দুই বন্ধুর মধ্যেও প্রকাশ পেয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
210
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শাহেদ তার গ্রামের যে নয়নাভিরাম বর্ণনা করেছেন 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবিও তেমনই এক পল্লি বা গ্রামের বর্ণনা দিয়েছেন।

মানুষ সব সময় প্রকৃতি ও গ্রামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়। জীবন ও জীবিকার তাগিদে শহরে বসবাস করলেও গ্রামের মনোমুগ্ধকর রূপ সর্বদাই মানুষকে টানে।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি আদরের পল্লি-দুলালের দেশে অর্থাৎ পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। সেই পল্লিগ্রামটিকে প্রকৃতি যেন ঘিরে রেখেছে। সেখানে বেত-কেয়ার বনে ডাহুক ডাকে, ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে সরু সুতার মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ চলে গেছে। কবি সেই পথে গ্রামে গিয়ে দস্যি ছেলেদের সাথে খেলা করবেন, দিঘিতে সাঁতার কেটে রক্তকমল তুলে আনবেন। অজানা ফুলের রূপে মুগ্ধ হবেন। উদ্দীপকেও এমন সৌন্দর্যময় একটি গ্রামের বর্ণনা করেছে শাহেদ।

উদ্দীপকে শাহেদ তার গ্রামের নয়নাভিরাম এক বর্ণনা দিয়েছেন। তার গ্রামের বনবনানী, ফুল, পাখি, দিঘি, শাপলা, মেঠোপথ, ছেলেমেয়েদের দুরন্তপনা ইত্যাদির নয়নাভিরাম বর্ণনা শুনে তার শহুরে দুই বন্ধু গ্রামে আসার জন্য ব্যাকুল হয়। এমনই নয়নাভিরাম গ্রামের বর্ণনা পাওয়া যায় 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
171
উত্তরঃ

ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে যে দীর্ঘ সরু সুতার মতো বাঁকা পথ গেছে কবি সেই পথ দিয়ে পল্লি-দুলালের দেশে যাবেন।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। পলিগ্রাম, প্রকৃতি যেন তাকে ঘিরে রেখেছে। তার বনের শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ। কবি পল্লিগ্রামে যাওয়ার পথ কল্পনা করেছেন। কবির কল্পনার সেই পথকে হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির সাথে তুলনা করেছেন। সেই পথ কোথাও সিধা কোথাও বাঁকা। সেই পথে গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে। কবি এই পথে পল্লি-দুলালের দেশে যাবেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
193
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews