দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর

লও যত লৌহ, লোষ্ট্র, কাঠ ও প্রস্তর

হে নব সভ্যতা হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী

দাও ফিরে তপোবন, পুণ্যচ্ছায়া রাশি,

গ্লানিহীন অতীতের দিনগুলো।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

'পল্লব' শব্দের অর্থ গাছের নতুন পাতা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

চারপাশের অরণ্যনধন লক্ষ করে কবি ব্যথিত হন বলে তাঁর কণ্ঠে মৌসুমি ফুলের গান জানে না।

চারদিকে গাছপালা কেটে ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। গাছে ফুল, ফল নেই। কারো কণ্ঠে গান নেই। চারদিকে শূন্য ও হাহাকার। ক্ষুধার্থ, ভয়ার্ত দৃষ্টি প্রাণহীন সব মুখ ম্লান হয়ে আছে। তাই মৌসুমি ফুলের গান আর কবির কণ্ঠে জাগে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'জাগো তবে অরণ্য কন্যারা' কবিতার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের অবদানের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের কোনো বিকল্প নেই। তাই বৃক্ষনিধন না করে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। বৃক্ষকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। বৃক্ষনিধনকারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

উদ্দীপকে নগরসভ্যতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বনভূমির জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে নগরসভ্যতা নিয়ে সবুজ বৃক্ষের স্নেহচ্ছায়া, স্নিগ্ধতা, মুগ্ধতা ফেরত দিতে বলা হয়েছে। এই প্রত্যাশার মধ্যে মানুষের সুস্থ-সুন্দর জীবনের জন্য বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তার দিকটি উঠে এসেছে। উদ্দীপকের এই ভাবটির সঙ্গে আলোচ্য 'জাগো তবে অরণ্য কন্যারা' কবিতার কবির প্রত্যাশা সাদৃশ্যপূর্ণ। কবি এখানে বৃক্ষ কন্যাদের জেগে ওঠার আহ্বান করেছেন প্রকৃতিকে আবার শ্যামল-সবুজে, ফুলে-ফলে ভরিয়ে তোলার জন্য। মৌসুমি ফুল যেন ফোটে, প্রকৃতি যেন নতুন প্রাণে সতেজ হয়ে ওঠে। কবিতায় কবি বৃক্ষনিধন, বনভূমি উজাড়, চারদিকের জীর্ণতা দেখে কষ্ট পান। তিনি প্রকৃতিকে যেন তার ছন্দ নিয়ে তার মতোই থাকতে দেওয়া হয়- এ কথা ব্যক্ত করেছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতায় মানবকল্যাণে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের অবদানের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ফুটে ওঠা ভাবনা থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে কবির অভিমত হলো অরণ্য-কন্যাদের জাগানো।

অরণ্য প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। পৃথিবীতে অরণ্য না থাকলে মানুষের অস্তিত্ব থাকবে না। কারণ বৃক্ষ আছে বলেই পৃথিবীতে প্রাণী বেঁচে রয়েছে, শ্বাস নিচ্ছে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে শহরের রুক্ষ ও কঠিন প্রকৃতির বর্ণনা ফুটে উঠেছে। যে নগর লোহা, কাঠ ও পাথর দিয়ে তৈরি। সভ্যতা নামের রাক্ষসী নিষ্ঠুরের মতো সমস্ত অরণ্য গ্রাস করছে। কবি এসবের থেকে উত্তরণ প্রত্যাশা করেন। যার জন্য কবি ফিরে পেতে চান তপোবন। কবি মনে করেন তপোবন ফিরে পেলে তিনি এ সভ্যতার গ্রাস থেকে বাঁচতে পারবেন। 'জাগো তবে অরণ্য কন্যারা' কবিতাতেও কবি সুফিয়া কামাল এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন। সচেতন কবি চারপাশের অরণ্যনিধন লক্ষ করে ব্যথিত হন। কবি দেখেন মাটি অরণ্যের পানে চেয়ে রয়েছে। তাই তিনি অরণ্য-কন্যাদের জেগে ওঠার আহ্বান জানান, যাতে চারদিক পুনরায় ফুলে-ফলে ভরে ওঠে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে যে ভাবনা ফুটে ওঠে তার থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে কবির অভিমত হলো অরণ্য-কন্যাদের জাগানো অর্থাৎ বৃক্ষরোপণ করা। তারা জেগে উঠলে সব সমস্যার সমাধান হবে। তাই আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে ফুটে ওঠা ভাবনা থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে কবির অভিমত হলো অরণ্য-কন্যাদের জাগানো।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
199

মৌসুমি ফুলের গান মোর কণ্ঠে জাগে নাকো আর

চারিদিকে শুনি হাহাকার ।

ফুলের ফসল নেই, নেই কারও কণ্ঠে আর গান

ক্ষুধার্ত ভয়ার্ত দৃষ্টি প্রাণহীন সব মুখ স্নান ।

 

মাটি অরণ্যের পানে চায়

সেখানে ক্ষরিছে স্নেহ পল্লবের নিবিড় ছায়ায়।

জাগো তবে অরণ্য কন্যারা। জাগো আজি,

মর্মরে মর্মরে ওঠে বাজি

বৃক্ষের বক্ষের বহ্নিজ্বালা

মেলি লেলিহান শিখা তোমরা জাগিয়া ওঠো বালা!

কঙ্কণে তুলিয়া ছন্দ তান

জাগাও মুমূর্ষু ধরা-প্রাণ

ফুলের ফসল আনো, খাদ্য আনো ক্ষুধার্তের লাগি

আত্মার আনন্দ আনো, আনো যারা রহিয়াছে জাগি

তিমির প্রহর ভরি অতন্দ্র নয়ন, তার তরে

ছড়াও প্রভাত আলো তোমাদের মুঠি ভরে ভরে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

'বৃক্ষের বক্ষের বহ্নিজ্বালা' বলতে বৃক্ষনিধনে বৃক্ষের বুকে সৃষ্টি হওয়া যন্ত্রণার আগুনকে বোঝানো হয়েছে।

'জাগো তবে অরণ্য কন্যারা' কবিতায় কবি চারদিকে বৃক্ষনিধনে শূন্যতার হাহাকার ধ্বনি শুনতে পেয়েছেন। মানুষ তার প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত বৃক্ষনিধন করে চলছে। ফলে বন উজাড় হচ্ছে। চারদিকে রুক্ষতা, শূন্যতা বিরাজ করছে। তাই বৃক্ষের বুকে যন্ত্রণার আগুন জ্বলছে। প্রশ্নোক্ত চরণটির মাধ্যমে বৃক্ষের এই যন্ত্রণাকেই বোঝানো হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
415
উত্তরঃ

দোয়েলের অভিব্যক্তিতে 'জাগো তবে অরণ্য কন্যারা' কবিতার কবির মানসিকতার দিকটি ফুটে উঠেছে।

বৃক্ষ মানুষ ও পরিবেশের জন্য অতি উপকারী একটি উপাদান। মানুষ তার ক্ষুদ্র স্বার্থে নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করছে। এতে মানুষ ও প্রকৃতির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।

উদ্দীপকের দোয়েলের চোখে-মুখে বাসা হারানোর বেদনা। দোয়েল আর গান গায় না। এ দোয়েল যেন কবি সুফিয়া কামালের মানসিকতার বৈশিষ্ট্যই ধারণ করেছে। কারণ কবি চারপাশের অরণ্য নিধন লক্ষ করে ব্যথিত। মৌসুমি ফুলের গান আর তাঁর কণ্ঠে জাগে না। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের দোয়েলের অভিব্যক্তিতে 'জাগো তবে অরণ্য কন্যারা' কবিতার কবির সেই মানসিকতাই ফুটে উঠেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
179
উত্তরঃ

উদ্দীপকের নিলয়ের কর্মকাণ্ডের মধ্যেই কবির প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে। বক্তব্যটি যথার্থ।

বৃক্ষ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। বৃক্ষ আছে বলে এ পৃথিবীর বুকে জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাচ্ছে।

উদ্দীপকের নিলয় বাড়ির আঙিনার খালি জায়গায় ফল ও অন্যান্য গাছ রোপণ করে। গাছগুলোকে সে ভালোবাসে, যত্ন নেয়। পাখিরা নিলয়ের বাগানে চলে আসে। তারা গাছে গাছে ঘুরে বেড়ায়। নিলয়ের বাগান দেখে অনেকে গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ হয়। আলোচ্য কবিতার কবিও চান পৃথিবীর বুকে গাছপালা ধ্বংস না হয়ে প্রচুর পরিমাণে জন্মাক। তিনি চান দিকে দিকে আবার সবুজ বৃক্ষের সমারোহ সৃষ্টি হোক, পৃথিবী ফুলে ও ফসলে ভরে উঠুক।
পরিবেশের ভারসাম্য তথা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রাখতে বৃক্ষের কোনো বিকল্প নেই। তাই বৃক্ষনিধন না করে প্রচুর পরিমাণে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। বৃক্ষকে ভালোবাসতে হবে, ধ্বংস করা যাবে না। কবি আলোচ্য কবিতার মধ্য দিয়ে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, যা উদ্দীপকে নিলয়ের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত বক্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
136
উত্তরঃ

'ক্ষুধার্ত ভয়ার্ত দৃষ্টি' বলতে কবি ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থাকে বুঝিয়েছেন।

মানুষ নিজের প্রয়োজনে প্রকৃতিকে ধ্বংস করছে, বৃক্ষনিধনের মধ্য দিয়ে মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে রূঢ় আচরণ করছে। প্রকৃতিও এ কারণে মানুষের সঙ্গে বিরূপ আচরণ শুরু করছে। প্রকৃতিতে ফুল ও ফসলের সম্ভার কমে যাওয়ায় মানুষের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় মানুষ ভীত। 'ক্ষুধার্ত ভয়ার্ত দৃষ্টি' বলতে
কবি সেই ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থাকেই বুঝিয়েছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
315
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews