ব্যবসায়ের মোট সম্পদের উপর তৃতীয় পক্ষের দাবিই হচ্ছে দায়। দায় হচ্ছে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক দায়বদ্ধতা। যা একটি নির্দিষ্ট সময় পরে অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে। লেনদেনের ফলে দায় বৃদ্ধি বা হ্রাস পেতে পারে। যেমন: ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে দায় বৃদ্ধি পায়। আবার ঋণ পরিশোধ করলে দায় হ্রাস পায়। দায়ের সাথে সম্পদের বিপরীত সম্পর্ক = বিদ্যমান। তাই দায় বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট এবং হ্রাস পেলে ডেবিট হয়।
সমগ্র বিশ্বব্যাপী ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানসমূহে হিসাব সংরক্ষণের জন্য নির্ভরযোগ্য, বিজ্ঞানসম্মত ও পূর্ণাঙ্গ পদ্ধতি হিসেবে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত এবং পরিচিত। দুতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে অর্থ বা আর্থিক মূল্যে পরিমাপযোগ্য প্রতিটি লেনদেনকে দ্বৈত স্বত্বায় প্রকাশ করা হয়। ব্যবসায়ের সঠিক ফলাফল ও প্রকৃত আর্থিক অবস্থা জানার জন্য দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির কোনো বিকল্প নেই।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
- লেনদেনের দ্বৈত স্বত্বা নীতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
- দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির ধারণাও বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
- দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির সুবিধাসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারব।
- লেনদেনে জড়িত দুটি পক্ষ অর্থাৎ ডেবিট ও ক্রেডিট পক্ষ শনাক্ত/চিহ্নিত করতে পারব।
- হিসাবচক্রের বিভিন্ন ধাপ ব্যাখ্যা করতে পারব।
- লেনদেনের জন্য উপযুক্ত হিসাবের বই চিহ্নিত করতে পারব।
- একতরফা দাখিলার ধারণা নিয়ে ব্যবসায়ের মুনাফা নির্ণয় করতে পারব।

Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!