দিনাজপুরের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম করিমুল্লাপুর। এই গ্রামের জমিলা বেগম একটি মুরগির খামার করে। হঠাৎ করে খামারের ৪টি মুরগি মারা গেল। মৃত্যুর পূর্বে তারা চুনের মতো মলত্যাগ করেছিল। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জমিলা বেগমকে দ্রুত রাসায়নিক জৈব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দিলেন, যাতে খামারের অন্য মুরগিগুলো নিরাপদ থাকে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ডিম উৎপাদনে হাঁসের একটি জনপ্রিয় জাত হলো জিনডিং।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

পোল্ট্রির মধ্যে রাঁজহাসই মানুষ প্রথম পালন করে। অন্যান্য পোল্ট্রির তুলনায় রাঁজহাসের বৃদ্ধি বেশি হয়।
রাজহাঁস হতে অধিক মাংস পাওয়া যায়। ১০ সপ্তাহে ৫ কেজির বেশি ওজন হয়। এরা বছরে ২০-৩০টি ডিম দেয়। প্রাপ্ত বয়স্ক হাঁসের ওজন ১০-১৫ কেজি হয়। এরা সব ধরনের আবহাওয়াতেও খাপ খাওয়াতে পারে। ঘাস খায় বলে সম্পূরক খাদ্য কম লাগে। রাঁজহাস ফসলের জমির আগাছা খেয়ে পা দিয়ে মাটি নিড়ানির কাজ করে। বিছানা ও পোশাক তৈরিতে এর নরম পালক ব্যবহার করা হয়। উৎপাদন খরচ কম বলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সহজেই রাজহাস পালন করে লাভবান হওয়া যায়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মুরগিগুলো রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। রাণীক্ষেত একটি ভাইরাসজনিত রোগ। New Castle Disease Virus-এ রোগের জন্য দায়ী। এ রোগ হলে মুরগি চুনের মতো মলত্যাগ করে। এছাড়াও আরও যে লক্ষণসমূহ দেখা দিতে পারে সেগুলো হলো-

- মুখ দিয়ে লালা পড়া, হাঁচি, কাশি, নাক দিয়ে শ্লেষ্মা ঝরা।
- শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া এবং হা করে নিশ্বাস নেওয়া (অনেক সময় শ্বাস নেওয়ার সময় 'ঘড় ঘড়' শব্দ হয়)।!
- দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া।
- মুরগির খাওয়া-দাওয়ায় অনীহা এবং মাথা নিচু ও চোখ বন্ধ করে ঝিমাতে থাকা।
- ডানা নিচের দিকে ঝুলে যাওয়া।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

জাকিরের খামারের মুরগিগুলো রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত হওয়ায় প্রাণিজসম্পদ কর্মকর্তা তাকে রোগ প্রতিরোধের উপায় বলেন।
রাণীক্ষেত একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। আক্রান্ত মুরগির মল ও শ্লেষ্মার সাথে ভাইরাস জীবাণু নির্গত হয় এবং বাতাসের সাহায্যে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
রোগ প্রতিরোধে প্রাণিজসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শগুলো নিচে দেওয়া হলো-

১. রোগাক্রান্ত মুরগিকে আলাদা করে এবং মৃত মুরগিকে মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে।
২. জীবিত মুরগির জন্য স্বাস্থ্যকর বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. সময়মতো মুরগিকে প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে।
৪. ৭ দিন ও ২১ দিন বয়সের বাচ্চা মুরগিকে বি.সি.আর.ডি.ভি. প্রতি চোখে ১ ফোঁটা করে দিতে হবে।
৫. দুই মাসের বেশি বয়সের মুরগির রানের মাংসে আর.ডি.ভি. ১ সিসি করে ইনজেকশন দিতে হবে।
৬. এছাড়া পটাশ বা কার্বলিক এসিড গোলা পানি দিনে ৩ বার খামারের অসুস্থ মুরগি এবং সুস্থ মুরগিকে খাওয়াতে হবে।
৭. রোগ যাতে হতে না পারে সে জন্য খামারের মুরগির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করে খামারের অভ্যন্তর ও বাইরের পরিবেশ যথাসম্ভব স্বাস্থ্যসম্মত তথা জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।
৮. খামারে প্রবেশের ক্ষেত্রে (কর্মচারী, দর্শনার্থী) সর্বোচ্চ প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে জীবাণুনাশক দিয়ে পা ধুয়ে খামারে প্রবেশ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৯. পানি ও খাদ্যপাত্র প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে। 

রাণীক্ষেত রোগ প্রতিরোধে প্রাণিজসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
207
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুলেট হলো প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ২০/২২ সপ্তাহ বয়সের মুরগি যাকে এখনো মোরগের সংস্পর্শে দেওয়া হয়নি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
817
উত্তরঃ

বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক কারণ হাঁস পালনের জন্য জায়গা কম লাগে। হাঁস বছরে প্রায় ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। মুরগির তুলনায় হাঁস ৪০-৪৫টি ডিম বেশি পাড়ে। অধিকাংশ হাঁস নিজের খাবার নিজে সংগ্রহ করে খেতে পারে বিধায় হাঁস পালনে যত্ন, পরিচর্যা ও খরচ কম লাগে। দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এসব কারণে বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2k
উত্তরঃ

সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত। এটি হাঁসের ডাকপ্লেগ ভাইরাস দ্বরা সংক্রমিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। হাঁসের এই রোগ ডাক হারপেস ভাইরাস-১ (DHV-1) এর সংক্রমণে হয়ে থাকে।

এ রোগে হাঁস আলো দেখলে ভয় পায়। সাঁতার কাটতে চায় না। পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখায়। নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। সবুজ ও হলুদ রঙের পাতলা মলত্যাগ করে। পালক এলোমেলো হয়ে ঝুলে পড়ে। মাথা, ঘাড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং চোখের ভিতরে সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ রোগে হাঁস খুঁড়িয়ে হাঁটে, ডিম পাড়া হাঁস ডিম পাড়া কমিয়ে দেয় এবং হঠাৎ মারা যায়।

সাবিনার খামারের হাঁসগুলোতে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। অর্থাৎ সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
516
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাণী চিকিৎসক সাবিনাকে তার খামারে ডাক প্লেগ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানান।
সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাক প্লেগ নামক ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। উক্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো-

i. খামারের জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ii. আক্রান্ত হাঁস অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।

iii. মৃত হাঁস মাটিতে পুঁতে ফেলা।

iv. খামারে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা।

V. বাসস্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা।

vi. পরিষ্কার পানি সরবরাহ করা।

vii. হাঁসের ঘর ফিউমিগেশন করা।

viii. বাসস্থানে ঢোকার মুখে ফুটবাথের ব্যবস্থা করা।

ix. প্রতিষেধক হিসেবে খামারে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। হাঁসের বাচ্চাকে জন্মের ১৫-২০ দিন পর ১ম মাত্রা, ১ম মাত্রার ২৫ দিন পর বুস্টার বা ২য় মাত্রা এবং ২য় মাত্রার পর প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর অন্তর এ টিকা দিতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডাক প্লেগ রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
597
উত্তরঃ

যে সকল ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম নেয় না সেগুলোই অনুর্বর ডিম।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
706
উত্তরঃ

কবুতর খুব অল্প জায়গায়, কম খরচে, উঁচুতে দেয়ালের পাশে বা ছাদের উপর বাসা তৈরি করে পালন করা যায়।

কবুতরের রোগবালাই কম হয় এবং খাদ্য খরচও কম লাগে। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। কাজের অবসরে পালন করা যায় বলে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। সময়, শ্রম ও অর্থ কম লাগে বলেই কবুতর পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
684
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews