দিনাজপুর জেলার সুন্দরবন গ্রামের আকতার একজন সচ্ছল কৃষক। তার বিভিন্ন ধরনের কাঠের ও ফলের বাগান রয়েছে। তিনি কাঠের গাছ পূর্ণবয়স্ক হওয়ার পূর্বে ছাটাই করেন এবং ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর সংগ্রহের পর গাছের পাতা ও রোগাক্রান্ত ডাল ছাটাই করেন। এর ফলে তার গাছের ফুল, ফল ধারণ ও ফলের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক বনায়ন হলো এমন বন ব্যবস্থাপনা বা কর্মকাণ্ড যার সাথে পল্লির দরিদ্র জনগোষ্ঠী ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং যার মাধ্যমে উপকারভোগী জনগণ জ্বালানি, খাদ্য, পশুখাদ্য ও জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পেয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বন হলো লতা, গুল্ম ও ছোট-বড় গাছপালায় আচ্ছাদিত আদি, ব্যাপক ও নিরবচ্ছিন্ন এলাকা।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধে বন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন বায়ুপ্রবাহের গতিরোধ করে বিপর্যয় কমায়। বন প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ কমায়। আবার এ বন ঝড়ঝঞ্ঝা ও জলোচ্ছ্বাসজনিত ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বিগত দশকে সিডর, আইলাসহ অনেক দুর্যোগ থেকে সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলকে চরম ক্ষয়ক্ষতি হতে সুরক্ষা দিয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আকতার গাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য গাছের মূল, পাতা, ফুল, ফল ছাঁটাই করেন। এটি প্রুনিং পদ্ধতি। নিচে তার কর্মকাণ্ড বর্ণনা করা হলো-

i. শাখা ছাঁটাই: গাছে কুশি কম হলে, শাখা বেশি হলে ছাঁটাই করেন। এতে পরবর্তী নতুন শাখা শক্ত ও মজবুত হয়। 

ii. পাতা ছাঁটাই: গাছে পাতার পরিমাণ বেশি হলে পাতা ছাঁটাই করেন। এতে গাছের ফুল ও ফল ধারণ ক্ষমতা বাড়ে। চারাগাছ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে রোপণ করলে গাছের পানি শোষণ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে পাতা ছাঁটাই করলে প্রস্বেদন হার কমে যায়। এতে গাছের ফলন বেশি হয়।

iii. মূল ছাঁটাই: যেসব গাছ মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ নাইট্রোজেন গ্রহণ করে তাদের বৃদ্ধি বেশি হয়। তাই এসব গাছের শিকড় ছাঁটাই করে গাছের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে ফল ও ফুল বেশি ধরে। যেমন: আম, লিচু।

iv. ফল ও ফুল ছাঁটাই: কখনো কখনো গাছে প্রচুর পরিমাণে ফল ও ফুল ধরতে দেখা যায়। এতে ফুল ও ফলের আকৃতি ছোট হয়ে যায়। তাই গাছের ফল, ফুল বৃদ্ধির জন্য অপেক্ষাকৃত ছোট ফল ও ফুল ছাঁটাই করেন যাতে অন্যান্য ফল ও ফুলগুলো আকারে বড় হতে পারে।

V. কুশি ছাঁটাই: গাছে কুশির পরিমাণ বেশি হলে তা ছাঁটাই করেন। অপেক্ষাকৃত ছোট কুশিগুলো ছাঁটাই করলে অন্যান্য কুশিগুলো আকারে বড় হতে পারে ফলে ফল, ফুলের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষের উক্তিটি দ্বারা প্রুনিং এর উপকারিতা বোঝানো হয়েছে। এর ফলে গাছের ফুল ও ফল ধারণ ক্ষমতা এবং ফলের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়। নিম্নে এই পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হলো- 

i. এই পদ্ধতি প্রয়োগের ফলে বৃক্ষের সঠিক আকার ও আকৃতি বজায় থাকে।

ii. রোগাক্রান্ত শাখা-প্রশাখা হেঁটে দেয়া হয় বলে গাছ কম রোগাক্রান্ত হয়। 

iii. গাছের সার্বিক উৎপাদন তথা কাঠের পরিমান, ফুল ও ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং গুণগত মানও উন্নত হয়। 

iv: ছাঁটাইকৃত অংশ তাৎক্ষণিকভাবে জ্বালানি, বেড়া হিসেবে ও অন্যান্য কাজে এবং গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 

V. ছাঁটাইয়ের ফলে গাছের মূল ও কাণ্ডের পার্শ্ব বা বেড় বাড়ে এবং কাঠের পরিমান বৃদ্ধি পায়।

vi. ঝড়-তুফানসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে গাছ কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

vii. গাছের কেনোপির ভেতরে আলো-বাতাসের চলাচল বৃদ্ধি পায়। 

viii. ছাঁটাইয়ের পর গাছের পল্লব বর্ধন বেশি হয়। 

ix. কৃষি বন ছাঁটাই করলে মাঠের আন্তঃফসলের উপকার হয়। 

X. স্বর্ণলতা, বন্য অর্কিড ইত্যাদি বিভিন্ন পরগাছা থেকে গাছ মুক্তি পায়। 

xi. গাছের বিভিন্ন পরিচর্যা যেমন: ওষুধ ছিটানো, ফল সংগ্রহ ইত্যাদিতে সুবিধা হয়।

পরিশেষে বলা যায়, বনায়ন বা স্বল্পপরিসরে বাগান করে লাভবান হওয়ার জন্য প্রুনিং অনেক উপকারী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
128
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বন বলতে সাধারণভাবে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে বৃহদাকার গাছপালা দ্বারা আচ্ছাদিত স্থানকে বোঝায়, যেখানে বন্য পশুপাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য জীব প্রাকৃতিকভাবে বসবাস করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
651
উত্তরঃ

বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীবের সক্রিয় উপস্থিতি, বিস্তৃতি ও পারস্পরিক প্রাকৃতিক সুষম সহাবস্থাকে জীববৈচিত্র্য বলে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গাছ ও প্রাণীর জন্মস্থান, বাসস্থান ও বংশ বিস্তারের স্থান হলো বন। বন জীবের খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষা করে। খাদ্যশৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটলে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পাবে। আবার বনাঞ্চলে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে বন্যপ্রাণী আবাস এলাকায় চলে আসবে। ভবিষ্যতের জৈবিক উৎপাদনশীলতা রক্ষার্থে বন্য জীবের গুরুত্ব অনেক বেশি। বন আছে বলেই বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, পশুপাখি, কীট-পতঙ্গ ও অণুজীব রয়েছে। বন না থাকলে এসব জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যেত।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

খোকনের দেখা প্রথমোক্ত বনটি হলো ম্যানগ্রোভ বন বা উপকূলীয় বন। এ বনের বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

i. ম্যানগ্রোভ বনের নিম্নভূমি জোয়ার-ভাটা দ্বারা দৈনিক দুইবার প্লাবিত হয়। 

ii. এ বনাঞ্চলে বৃক্ষসমূহের জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম হয় এবং শ্বাসমূল থাকে। 

iii. এ বনাঞ্চল নদ-নদী, খাল-বিল দ্বারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন থাকে। 

iv. ম্যানগ্রোভ বনের মাটি সর্বদা লোনা পানিতে ভেজা থাকে বলে বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ। 

V. এ বনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরি, যার জন্য এ বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।

vi. ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান কাষ্ঠল বৃক্ষ হলো- সুন্দরি, গেওয়া, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, ওড়া ইত্যাদি। 

vii. এ বনের অকাষ্ঠল বৃক্ষের মধ্যে গোলপাতা, হোগলা, হেতাল, কেয়া, হারগোজা, বেত, শন ইত্যাদি প্রধান। 

viii. ম্যানগ্রোভ বনের প্রাণীর মধ্যে রয়েছে বানর, কুমির, হাঙ্গর, অজগর ও বিভিন্ন প্রজাতির সাপ। 

ix. এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিত্রা হরিণ এবং গোলপাতা।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
445
উত্তরঃ

উদ্দীপকে খোকনের দেখা প্রথম বনটি হলো ম্যানগ্রোভ বন ও পরের বনটি হলো পাহাড়ি বন।

সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার লোনা মাটিতে যে বন গড়ে উঠেছে তাকে ম্যানগ্রোভ বন বলে। অপরদিকে পাহাড়ি উঁচু এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো বনকে পাহাড়ি বন বলে। ভৌগোলিক অবস্থান ও জলাবায়ুভেদে বন দুটির মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। যেমন-

১. পাহাড়ি বনের ভূমি উঁচু ও মাঝারি হয় কিন্তু ম্যানগ্রোভ বনের ভূমি নিচু হয়। 

২. পাহাড়ি বনের মাটি অম্লীয় (pH = ৫-৬) কিন্তু ম্যানগ্রোভ বনের মাটি ক্ষারীয় (pH = ৭.৫-৮.৫) প্রকৃতির হয়। 

৩. পাহাড়ি বনে বন্যার পানি প্রবেশ করতে পারে না, অপরদিকে ম্যানগ্রোভ বনে জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে বন্যার পানি প্রবেশ করে এবং বেশিরভাগ এলাকা পানির নিচে ডুবে থাকে। 

৪. ম্যানগ্রোভ বনের উদ্ভিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের শ্বাসমূল থাকে, জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম হয়, যা পাহাড়ি বনের উদ্ভিদে অনুপস্থিত। পাহাড়ি বনে আবহাওয়া উষ্ণ ও শুষ্ক হওয়ার ফলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পর্ণমোচী জাতীয় বৃক্ষ জন্মে। 

৫. পাহাড়ি বনের প্রধান বৃক্ষ চাপালিশ, সেগুন, কড়ই, শাল ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি, গেওয়া, বাইন, গরান, কেওড়া, পশুর ইত্যাদি। 

৬. পাহাড়ি বনের প্রধান পশু হলো হাতি, চিতাবাঘ, নেকড়ে, বন্য শূকর, কাঠবিড়ালি, বানর, সাপ, গিরগিটি ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান পশু হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রাহরিণ, কুমির, অজগর ইত্যাদি। 

৭. পাহাড়ি বনের প্রধান পাখি হলো বনমোরগ, ময়না, টুনটুনি, কাঠঠোকরা, ধনেশ ইত্যাদি। ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান পাখি হলো মাছরাঙা, মদনটাক, সবুজ বক, শিকরা, সিঁদুরে সহেলী, লালপা, কানি বক ইত্যাদি।

পরিশেষে বলা যায়, পাহাড়ি ও ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও দু'প্রকার বনই আমাদের দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
718
উত্তরঃ

কৃষি বন হলো একটি ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি যার মাধ্যমে একই জমিতে একই সাথে পর্যায়ক্রমিকভাবে বৃক্ষ, খাদ্য বা পশুখাদ্যের চাষাবাদের মাধ্যমে জমির সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.8k
উত্তরঃ

ট্রেনিং ও প্রুনিং উভয় ক্ষেত্রেই গাছের অংশবিশেষ ছাঁটাই করা হয়। প্রুনিং-এ গাছের শাখা, পাতা, কাণ্ড, ফুল, ফল-মূল ইত্যাদি কেটে অপসারণ করা হয়।' অন্যদিকে গাছকে নির্দিষ্ট উচ্চতা, আকার-আকৃতি, সুন্দর সুগঠিত ও শক্ত কাঠামো দেওয়ার জন্য ট্রেনিং করা হয়। ট্রেনিং-এ গাছের শাখা-প্রশাখা ছাঁটাই করা হয় যা এক প্রকার প্রুনিং। প্রুনিং গাছের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে ফুল ও ফল ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, রোগ ও পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং গাছে বেশি আলো-বাতাস প্রবেশের ব্যবস্থা করে। ট্রেনিংয়ের ফলে ব্যবহারযোগ্য কাঠের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, সকল ট্রেনিং হলো প্রুনিং কিন্তু সকল প্রুনিং ট্রেনিং নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews