দিনার দাদার বয়স ৮০ বছর। একদিন হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তার মূত্র নিঃসরণ বন্ধ হয়ে গেল এবং শরীরের অনেক স্থান ফুলে গেল। ডাক্তার পর্যবেক্ষণ করে বললেন' যন্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ

নেফ্রনের রেনাল ক্যাপসুলে-প্রায় সম্পূর্ণ আবদ্ধ এবং রেনাল অ্যাফারেন্ট আর্টারিওল থেকে সৃষ্ট একগুচ্ছ কৈশিক জালিকাই হলো গ্লোমেরুলাস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

নেফ্রন হলো বৃক্কের গঠন ও কার্যকরি একক। নেফ্রনের গ্লোমেরুলাস রক্তের প্রোটিন ছাড়া প্রায় সকল উপাদান ছাঁকনির মাধ্যমে পৃথক করে বোম্যান্স ক্যাপসুলের গহ্বরে প্রেরণ করে। এটি গ্লুকোজ, লবণ এবং প্রয়োজনীয় পানি পুনঃশোষণ করে। সালফারঘটিত যৌগ, ক্রিয়েটিনিন এবং কয়েক প্রকারের জৈব অ্যাসিড রক্ত হতে নালিকা গহ্বরে প্রেরণ করে। নেফ্রন দেহে pH-এর মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

দিনার, দাদার সমস্যাটি হলো বৃক্ক বিকল। বৃক্ক বিভিন্ন কারণে বিকল হতে পারে। বর্ণনার সুবিধার জন্য বৃক্ক পূর্ব, বৃদ্ধ উত্তর ও বৃন্ধীয় এ তিনটি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
বৃক্ক যখন সুস্থ থাকে কিন্তু পরিশোধনযোগ্য পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ পায়না তাই পরিমিত মূত্র উৎপন্নে ব্যর্থ হয় তখন তাকে বৃদ্ধ পূর্ব ক্যাটাগরি বলে। হার্ট ফেইলিউর, লিভার ফেইলিউর, মানসিক বিপর্যয়, প্রচুর রক্তক্ষরণ প্রভৃতি কারণে এটি হতে পারে। বৃক্ক যখন সুস্থ থাকে এবং পরিমিত মূত্র উৎপাদনে সক্ষম থাকে কিন্তু মূত্র বৃক্ক থেকে মূত্রনালিতে বহনে বাধাপ্রাপ্ত হয় তখন এ অবস্থাকে বৃদ্ধ উত্তর ক্যাটাগরি বলে। বৃক্কে পাথর, নালিতে টিউমার বা জন্মগত ত্রুটি থাকলে, পুরুষে প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে গেলে, উদর ও শ্রোণিদেশীয় ক্যান্সার হলে ইউরেটারে চাপ পড়ে তার ফলে মূত্র বৃক্ক থেকে মূত্রথলিতে পৌঁছাতে পারে না। তাছাড়া, মূলথলিতে পাথর, টিউমার হলে বা রক্ত জমাট থাকলে বৃদ্ধ-উত্তর ক্যাটাগরির সৃষ্টি হয়। সবশেষে বৃক্ক নিজেই যখন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বিশেষ করে এর টিস্যু ও পরিস্রাবক এককগুলো বা এগুলো থেকে নির্গত নালিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন এ অবস্থাকে বৃক্কীয় ক্যাটাগরি বলে। সংক্রমণ, ক্যান্সার, ওষুধ বা অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থের প্রতিক্রিয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পাদনের জন্য শরীরে পরিমিত পানি থাকা অপরিহার্য। তবে অপর্যাপ্ত পানি শরীরের যেমন খারাপ তেমনি অতিরিক্ত পানি ধারণেও শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তাই দেহে পানিসাম্য প্রতিষ্ঠা বা অসমোরেগুলেশন খুবই জরুরি। আর এ জরুরি কাজটি করে বৃক্ক। দেহে পানির পরিমাণ বেড়ে গেলে রক্ত বেশি তরল হয়ে যায়। ফলে, মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে অবস্থিত অসমোরিসেপ্টর নামক যন্ত্র উত্তেজিত হয়। এসময় পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ADH ক্ষরণের পরিমাণ হ্রাস পায়। তখন নেফ্রনের সংগ্রাহক নালিকা অভেদ্য হয়ে যায়। ফলে মূত্র হতে পানি পুনঃশোষণ কম হয় এবং দেহের অতিরিক্ত পানি তরল মূত্র আকারে বের হয়ে যায়।
আবার পানি কম পান করলে বা অন্য কোনো কারণে দেহে পানির পরিমাণ কমে গেলে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়। ফলে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে অবস্থিত অসমোরিসেপ্টর নামক অংশ উত্তেজিত হয়। এসময় পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ADH ক্ষরণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তখন সংগ্রাহক নালিকা ভেদ্য হয়ে যায়, ফলে মূত্র হতে পানির পুনঃশোষণ বেশি হয় এবং অতি ঘন মূত্র নির্গত হয়। ফলে দেহে প্রয়োজনীয় পানি রক্ষিত হয়ে, দেহে পানির ভারসাম্য বজায় থাকে।
এজন্যই বলা যায় যে, মালেক সাহেবের অধিক ঘন মূত্রের সাথে বৃক্কের সম্পর্ক রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
27

আমিষ জাতীয় খাদ্য বিপাকের ফলে দেহে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্যপদার্থ সৃষ্টি হয়। যে প্রক্রিয়ায় এসব পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন বলে।রেচন প্রক্রিয়ায় নিষ্কাষিত বস্তুগুলোকে বলা হয় রেচন পদার্থ । রেচন পদার্থগুলো সাধারণত ক্ষারীয় হয় । রেচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী অঙ্গগুলোকে বলা হয় রেচন অঙ্গ ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাণিকোষে রিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনজাত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো রেচন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
29
উত্তরঃ

গ্লোমেরুলাস রক্তের হাইড্রোস্ট্যাটিক চাপে। রক্তের প্রোটিন ও রক্তকণিকা ছাড়া সকল পানি, লবণ, শর্করা, ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড প্রভৃতি পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ায় কৈশিকজালিকার এন্ডোথেলিয়াম ও ভিত্তিঝিল্লি এবং রেনাল ক্যাপসুলের এপিথেলিয়াম ভেদ করে ক্যাপসুলের স্পেসে জমা হয়। এ পরিদ্রুত তরলকে গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
45
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক। বৃক্কের সূক্ষ্ম গাঠনিক একক হলো নেফ্রন। নিচে নেফ্রনের সূক্ষ্ম গঠন বর্ণনা করা হলো-

নেফ্রনের দৈর্ঘ্যে প্রায় ৩ সেন্টিমিটার। নেফ্রন প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত। মালপিজিয়ান করপাসল ও বৃক্কীয় নালিকা। মালপিজিয়ান করপাসল বৃক্কের কর্টেক্সে অবস্থিত। এটি দুটি অংশে বিভক্ত- বোম্যান্স ক্যাপসুল ও গ্লোমেরুলাস। বৃক্কীয় নালিকা 'রেনাল করপাসল, প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা, হেনলির লুপ, ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকা ও সংগ্রাহক নালিকা নিয়ে গঠিত। রেনাল করপাসল নেফ্রনের সম্মুখভাগে থাকে। এটি বোম্যানস ক্যাপসুল এবং গ্লোমেরুলাস সমন্বয়ে গঠিত। রেনাল করপাসলের পরবর্তী প্রায় ১৪ মি.মি. অংশকে প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা বলে যা এক স্তর বিশিষ্ট কিউবয়ডাল এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা গঠিত। কোষগুলোর একপ্রান্তে মাইক্রোভিলাইযুক্ত ব্রাশ বর্ডার এবং অপরপ্রান্তে ব্যাসাল চ্যানেল থাকে। এ নালিকার শেষপ্রান্ত সোজা হয়ে মেডুলা অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং একটি 'U' আকৃতির লুপ গঠন করে যা হেনলির লুপ নামে পরিচিত। এ লুপে দুটি অংশ। যথাঃ অবরোহন বাহু এবং আরোহন বাহু। এ লুপের আরোহন বাহুর পরবর্তী ৫ মি.মি. হলো ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকা। এ নালিকার পরবর্তী অংশই সংগ্রাহক নালিকা। কিছু সংগ্রাহক নালিকা একত্রিত হয়ে বেলিনি-র ডাক্ট গঠন করে। অনেকগুলো বেলিনি-র ডাক্ট একত্রে মেডুলাতে প্যাপিলারি ডাক্টের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত পেলভিসে উন্মুক্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
32
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক। এটি নাইট্রোজেন ঘটিত তরল বর্জ্য সৃষ্টি করে তা দেহ থেকে অপসারণ করে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
মূত্রে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি নাইট্রোজেন ঘটিত পদার্থ থাকে, এগুলো মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে অপসারণে বৃক্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃক্কস্থিত নেফ্রন একটি জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রমাগতভাবে মূত্র উৎপন্ন করে। উৎপন্ন মূত্র সংগ্রাহী নালিকার মাধ্যমে বৃক্কের পেলভিসে পৌঁছায়। পেলভিস থেকে ইউরেটারের ফানেল আকৃতির প্রশস্ত অংশ বেয়ে ইউরেটারে প্রবেশ করে। ইউরেটার থেকে মূত্র মূত্রথলিতে আসে এবং সাময়িকভাবে জমা থাকে। মূত্রথলি মূত্র দ্বারা পরিপূর্ণ হলে মূত্র ত্যাগের ইচ্ছা জাগে এবং মূত্রথলির নিচের দিকে অবস্থিত ছিদ্রপথে দেহের বাইরে বেরিয়ে আসে। এভাবে বৃক্ক মানবদেহ থেকে ক্ষতিকর নাইট্রোজেন জাতীয় বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
32
উত্তরঃ

প্রাণিকোষে বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনজাত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো রেচন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
32
উত্তরঃ

বৃক্কের গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট নেফ্রনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় বিভিন্ন দ্রব্য এর প্রাচীরের কোষে শোষিত হয়ে সংলগ্ন কৈশিকজালিকায় প্রবেশের প্রক্রিয়াকে বলা হয় নির্বাচিত পুনঃশোষণ। বৃক্কের প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকার কোষেই অধিকাংশ পুনঃশোষণ সংঘটিত হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
43
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews