'ISO'-এর পরিবেশ সংক্রান্ত মানদণ্ড সনদটিকে বলা হয় 'ISO- 14000'।
জীবন বিমাকে নিশ্চয়তার চুক্তি বলা হয়।
জীবন বিমায় মূলত মানুষের মৃত্যুজনিত ঝুঁকি বিমা করা হয়। কিন্তু মানুষের জীবন অর্থ দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। এতে বিমাকৃত ব্যক্তির মৃত্যু হলে বা ব্যক্তি অক্ষম হলে কত টাকা ক্ষতি হবে তা নিরূপণ করা যায় না। ফলে বিমা কোম্পানি চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বা নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে। তাই জীবন বিমাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি না বলে নিশ্চয়তার চুক্তি বলে।
দীপ্ত উদ্দীপকের যন্ত্রটি ট্রেডমার্ক আইনে নিবন্ধন করেছেন।
কোনো প্রতিষ্ঠান বা এর পণ্যের স্বতন্ত্রতা প্রকাশের জন্য ট্রেডমার্ক ব্যবহার করা হয়। এটি বিশেষ কোনো চিহ্ন, প্রতীক বা লোগো দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এটি প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত। এর মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পণ্যকে ক্রেতাদের কাছে পরিচিত করে তোলা যায়।
উদ্দীপকের দিপ্ত একটি নতুন প্রযুক্তির যন্ত্র উদ্ভাবন করেন। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় ২৪ ঘণ্টা ফ্রিজ চালানো যায়। তিনি এ যন্ত্রটি 'VOLTA' নাম দিয়ে বাজারজাত করেন। 'VOLTA' নাম ও চিহ্নটি তিনি একটি বিশেষ আইনে নিবন্ধন করেন। এর মাধ্যমে তার পণ্য একই ধরনের অন্য প্রতিষ্ঠানের পণ্য থেকে আলাদাভাবে পরিচিতি পাচ্ছে। ক্রেতারা এই নাম ও চিহ্ন দেখে পণ্যের প্রকৃত মান সম্পর্কে নিশ্চিত হচ্ছে। ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই সুবিধা পায়। এসব বৈশিষ্ট্যের সাথে ট্রেডমার্কের মিল আছে। সুতরাং, উদ্দীপকের যন্ত্রটি ট্রেডমার্ক আইনে নিবন্ধিত হয়েছে।
উদ্দীপকের দিপ্ত নতুন প্রযুক্তিটি ট্রেডমার্ক আইনে নিবন্ধন করলেও পেটেন্ট চুক্তি না করায় সব ধরনের আইনগত সুবিধা পাবেন না- আইনজীবীর এ অভিমত যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।
আবিষ্কারক তার নতুন আবিষ্কৃত পণ্যের একক মালিকানার জন্য পেটেন্ট চুক্তি করে। এ চুক্তি করা না থাকলে কেউ ঐ পণ্য নকল করলে আইনগত প্রতিকার পাওয়া যায় না।
উদ্দীপকের দিপ্ত একটি যন্ত্র আবিষ্কার করে 'VOLTA' নামে নিবন্ধন করেন। সানোয়ার নামে এক ব্যক্তি 'VOLTA' নামে একই ধরনের যন্ত্র বাজারে ছাড়ে। তাই তিনি সানোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা করতে চান। তার ট্রেডমার্ক চুক্তি নিবন্ধন করা থাকায় আইনজীবী জানান সানোয়ারের থেকে তিনি ক্ষতিপূরণ পাবেন। অন্যদিকে, সিলেটের নাসির 'ELECTRO' নামে ঐ একই ধরনের যন্ত্র বাজারজাত করে। কিন্তু আইনজীবীর মতে নাসিরের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
নতুন প্রযুক্তির জন্য দিপ্ত কোনো পেটেন্ট চুক্তি নিবন্ধন করেননি। তাই যে কেউ পণ্য নকল করে অন্য নামে তা বাজারজাত করতে পারে। নাসিরও এই সুযোগটি নিয়ে ঐ পণ্য নকল করেছে। এজন্য আইনজীবী দিপ্তকে বলেছেন, সানোয়ারের বিরুদ্ধে ট্রেডমার্কে নিবন্ধিত হওয়ার আইনগত প্রতিকার পাওয়া যাবে। কিন্তু পেটেন্ট নিবন্ধিত না থাকায় নাসিরের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। অতএব, পণ্যের পেটেন্ট নিয়ে আইনজীবীর দেওয়া অভিমত সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত।
Related Question
View Allবর্তমানে বাংলাদেশে ২০০৯ সালের ট্রেডমার্কস আইন চালু আছে।
লেখক বা শিল্পীর সৃজনশীল সাহিত্য বা শিল্পকর্ম নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিক্রি, উন্নয়ন ও ব্যবহারের একক আইনগত অধিকারকে কপিরাইট বলে।
এর উদ্দেশ্য হলো সৃষ্টিকর্ম নকল থেকে রক্ষা করে প্রকৃত লেখক, শিল্পী বা স্বত্বাধিকারীর স্বার্থের সুরক্ষা করা। কপিরাইট আইন অনুযায়ী একজন লেখক বা শিল্পী তার সৃষ্ট কাজের ওপর পূর্ণ অধিকার লাভ করেন। সাধারণত বই, প্রবন্ধ, নৃত্য, সংগীত, চিত্র, চলচ্চিত্র প্রভৃতি কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত।
উদ্দীপকের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়টি ফ্রানসাইজিং (Franchising) ব্যবসায়ের অন্তর্ভুক্ত।
এর মাধ্যমে কোনো খ্যাতনামা কোম্পানির নাম ব্যবহার করে পণ্য তৈরি ও বিক্রি করার অধিকার পাওয়া যায়। এরূপ ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে মূল প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিতে হয়। অনুমতির বিনিময়ে মূল প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট হারে ফি পেয়ে থাকে। কেএফসি, পিজ্জাহাট, ব্যান্ড বকস কোম্পানি ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের উদাহরণ।
উদ্দীপকের ইসমাম ঢাকায় বেড়াতে এসে তার মামাতো ভাইয়ের সাথে চিড়িয়াখানা, নভোথিয়েটার, জাতীয় জাদুঘরসহ বিভিন্ন দর্শনীয় এলাকায় ঘোরাফেরা করে। তারা সব জায়গায় একই নামের একটি রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করে। এই রেস্টুটেন্টটি বিদেশি। কিন্তু এ দেশেও একই নামে এর অনেক শাখা আছে। মূল রেস্টুরেন্টের নাম ব্যবহারের অনুমতি নিয়েই ব্যবসায়ীরা এদেশে শাখা খুলেছে। সব শাখায় একই ধরনের খাবার ও সেবা দেওয়া হয়। এজন্য শাখাগুলো বিক্রীত পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে ফি মূল প্রতিষ্ঠানকে দেয়। এসব বৈশিষ্ট্য ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়টি ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের আওতাভুক্ত।
উদ্দীপকে বর্ণিত ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়াতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি।
ফ্রানসাইজিং হলো একটি চুক্তিভিত্তিক ব্যবসায়। এখানে দুটি পক্ষের (ফ্রানসাইজর ও ফ্রানসাইজি) মধ্যে চুক্তি হয়। এ ধরনের ব্যবসায়ে সাধারণত ব্রান্ডেড পণ্য বা সেবা বিক্রি করা হয়।
ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ে স্বনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নামেই পণ্য বিক্রি করা হয়। তাই এ ব্যবসায়ে সাফল্য লাভের সুযোগ বেশি থাকে। তারপরও আমাদের দেশে এ জাতীয় ব্যবসায়ের খুব একটা প্রসার ঘটেনি।
ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য দুই পক্ষকেই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফ্রানসাইজরের (মূল প্রতিষ্ঠান) সুনাম যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেদিকে ফ্রানসাইজিকে (অনুমোদন গ্রহণকারী) বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। এজন্য কোনো অবস্থাতেই পণ্য ও সেবার বিকৃতি ঘটানো যাবে না। পণ্যের সঠিক মান বজায় রাখতে হবে। দুই পক্ষকেই চুক্তির শর্ত যথাসম্ভব নমনীয় রাখতে হবে। তাছাড়া যথাযথ প্রচারের ব্যবস্থাও করতে হবে। এভাবেই এদেশে ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়ানো যাবে বলে আমি মনে করি।
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ন্যূনতম প্রবর্তক দুইজন।
যেকোনো ব্যবসায় শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত অনুমোদন নেওয়াই হলো লাইসেন্স।
লাইসেন্সকে অনুমোদনপত্র বলা হয়। কোনো ব্যবসায় স্থাপন ও পণ্য বিক্রয়ের বৈধ অধিকারের জন্য উদ্যোক্তাকে লাইসেন্স নিতে হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেওয়া হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে তা আবার নবায়ন করা হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট হারে ফি দিতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
