পূজা শব্দের অর্থ প্রশংসা করা বা শ্রদ্ধা করা।
পূজা হচ্ছে প্রশংসা বা শ্রদ্ধা নিবেদন। আমাদের ভিতরে যে আত্মা আছে তাকে পবিত্র করা, মনকে সুন্দর করা এবং অভীষ্ট দেবতার প্রতি মনের একাগ্রতা ও ভক্তি জাগ্রত করতে আমরা পূজা করে থাকি।
উদ্দীপকের দীপ্তর বাবা ব্যবসায়ের সাফল্য কামনা করে পূজা করেন। তাই তিনি গণেশ দেবের পূজা করেন। কারণ একমাত্র সিম্বি বা সফলতার দেবতা হচ্ছেন গণেশ। নিচে এ পূজার পদ্ধতি দেওয়া হলো-গণেশ সিদ্ধি বা সফলতার দেবতা। দেবতা হিসেবে গণেশ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তিনি সকল বাধা বিপত্তি দূর করে মানুষের সকল প্রচেষ্টায় সফলতা দান করেন। যেকোনো কাজ আরম্ভ করার পূর্বে যদি দেবতা গণেশের পূজা করা হয় তাহলে সে কাজের সকল বাধা দূর হয়ে যায় এবং সে কাজ থেকে খুব সহজেই সফলতা অর্জন করা যায়। ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করার আগে যদি গণেশের পূজা করা হয় তাহলে ব্যবসা-বাণিজ্যে দ্রুত উন্নতি হয়। গণেশের পূজা করলে মনে সাহসিকতার জন্ম হয়। তাছাড়া যেকোনো পূজা করার আগে গণেশ দেবের পূজা করার রীতি রয়েছে। প্রতিদিন যখন আমরা কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে বের হই তখন যদি গণেশের পূজা করি তাহলে ঐদিন গণেশের আর্শীবাদে আমরা সকল বিপদ-আপদ থেকে মুক্ত থাকত্বেপারি এবং যেকোনো কঠিন কাজে সফল হতে পারি। আর এ কারণে আমরা নিপুনতা জীবতা গণেশের পূজা করব
দীপ্ত তার বিদ্যায় সাফল্য অর্জনের জন্য প্রতিবছর প্রতিমা নির্মাণ করে দেবী সরস্বরতীর আরাধনায় মত্ত হয়। আর তার বাবা ব্যবসায়ের সাফল্য কামনা এবং সকল বাধাবিঘ্ন দূর করার জন্য গণেশ দেবের পূজায় মত্ত হয়।
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধভাবে বাস করাই মানুষের প্রকৃতি। ধর্ম সমাজকে সুসংগঠিত করে গড়ে তোলে। আধ্যাত্মিক ও আর্থসামাজিক দিক থেকে পূজা-পার্বণ যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। পূজা-পার্বণের মাধ্যমে সামাজিক মিলনের সৃষ্টি হয়। সকলে মিলে যখন পূজা করা হয় তখন পূজা হয়ে ওঠে পার্বণ বা উৎসবমুখর। প্রতিমা আনয়ন, পূজার উপকরণ সংগ্রহ, মন্দিরে পূজার সাজসজ্জা, ধূপের গন্ধ, আরতি, প্রসাদ বিতরণ, নতুন পোশাক পরিচ্ছদ পরিধান প্রভৃতি আমাদের মনে সুন্দর ও পবিত্র পরিবেশের সৃষ্টি করে। এর ফলে আমাদের মনে শুভ্রতা সৃষ্টি হয় এবং ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের ভাব জাগ্রত হয়।
Related Question
View Allপূজা শব্দের অর্থ হচ্ছে প্রশংসা বা শ্রদ্ধা নিবেদন করা।
পূজা হচ্ছে প্রশংসা বা শ্রদ্ধা নিবেদন। আমাদের ভিতরে যে আত্মা আছে তাকে পবিত্র করা, মনকে সুন্দর করা এবং অভীষ্ট দেবতার প্রতি মনের একাগ্রতা ও ভক্তি জাগ্রত করতে আমরা পূজা করে থাকি।
দীপ্তর বাবা গণেশ দেবের পূজা করেন। নিচে গণেশ দেবের পূজা পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো-
দুর্গাপূজা ও বাসন্তী পূজার সময় এবং ভাদ্র ও মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী, তিথিতে বিশেষভাবে গণেশ দেবের পূজা করা হয়। এছাড়া যেকোনো পূজা করার আগে গণেশ দেবের পূজা করার রীতি রয়েছে। পূজা যথাযথভাবে সমাপ্ত করার জন্য পূজার উপকরণ না হয়ে করতেহয়। পূজা করার বিধিসমূহ অনুসরণ করতে হয়। গণেশ পূজায় তুলসীপত্র নিষিদ্ধ।
গণেশ দেবের প্রণামমন্ত্রটি হলো-
একদন্তং মহাকায়ং লম্বোদরং গজাননম্।
বিঘ্ননাশকরং দেবং হেরম্বং প্রণামাম্যহম্।
দীপ্ত তার বিদ্যায় সাফল্য অর্জনের জন্য প্রতিবছর প্রতিমা নির্মাণ করে দেবী সরস্বতীর আরাধনায় মত্ত হয়। আর তার বাবা ব্যবসায়ের সাফল্য কামনা এবং সকল বাধাবিঘ্ন দূর করার জন্য গণেশ দেবের পূজায় মত্ত হয়।
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধভাবে বাস করাই মানুষের প্রকৃতি। ধর্ম সমাজকে সুসংঘটিত করে গড়ে তোলে। আধ্যাত্মিক ও আর্থসামাজিক দিক থেকে পূজা-পার্বণ যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। পূজা পার্বণের মাধ্যমে সামাজিক মিলনের সৃষ্টি হয়। সকলে মিলে যখন পূজা করা হয় তখন পূজা হয়ে ওঠে পার্বণ বা উৎসবমুখর। প্রতিমা আনয়ন, পূজার উপকরণ সংগ্রহ, মন্দিরে পূজার সাজসজ্জা, ধূপের গন্ধ, আরতি, প্রসাদ বিতরণ, নতুন পোশাক পরিচ্ছদ পরিধান প্রভৃতি আমাদের মনে সুন্দর ও পবিত্র পরিবেশের সৃষ্টি করে। এর lov ফলে আমাদের মনে শুভ্রতা সৃষ্টি হয় এবং ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের ভাব acti আগ্রত হয়।
পার্বণ শব্দটির অর্থ হচ্ছে পর্ব বা উৎসব।
১১. মাঘ মাসের শুক্লাপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজা হয়ে থাকে, অন্যদিকে আশ্বিন মাসের শুক্লাপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে লক্ষ্মীপূজা হয়। ২. সরস্বতী দেবীর আরাধনা মূলত বিদ্যার আরাধনা অন্যদিকে লক্ষ্মীদেবীর আরাধনা হচ্ছে সম্পদের আরাধনা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
