দীর্ঘ গৃহযুদ্ধে 'ক' রাষ্ট্রের সরকারের সাথে জনগণের দূরত্ব বেড়ে যায়। এ দূরত্ব ঘুচাতে রাজনীতিবিদরা সর্বজনীন সাধারণ নির্বাচনের ব্যবস্থা করে। নির্বাচনে ন্যাশনাল পার্টির জনাব 'খ' এর নেতৃত্বে একদল নির্বাচিত প্রতিনিধি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একই সাথে সর্বজন শ্রদ্ধেয় জনাব 'গ' কে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্থানে বসানো হয়। যদিও তার তেমন কোনো ক্ষমতা নেই।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের সকল সম্মানের উৎস রাষ্ট্রপতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রীয় ও সরকারি সব ব্যয় জাতীয় সংসদের সম্মতির ভিত্তিতে করতে হয় বলে জাতীয় সংসদকে রাষ্ট্রের তহবিল বা অর্থের রক্ষাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
রাষ্ট্রের অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে তার ওপর জাতীয় সংসদ দৃষ্টি রাখে। জাতীয় সংসদের অনুমোদন ও কর্তৃত্ব ব্যতীত কোনো প্রকার ব্যয় করা যায় না। আবার কোনো কর আরোপ বা কর সংগ্রহ করতেও সংসদের অনুমতি নিতে হয়। প্রত্যেক অর্থ বছরে সরকার সংসদে বাজেট উপস্থাপন করে। সংসদ অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী সরকারকে চলতে হয়। সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়সমূহের ওপরও সংসদে আলোচনা হয়। এভাবে জাতীয় সংসদ রাষ্ট্রীয় তহবিলের রক্ষক হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'ক' রাষ্ট্রটিতে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে।
যে সরকার ব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং নির্বাহী বিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার বলে। এ সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভার হাতে দেশের শাসন ক্ষমতা থাকে। সাধারণ নির্বাচনে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দল মন্ত্রিসভা গঠন করে। দলের আস্থাভাজন ব্যক্তি হন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। এ সরকার ব্যবস্থায় একজন নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান থাকেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা হয় প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী। এ ধরনের সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি রাষ্ট্রে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে 'ক' রাষ্ট্রে সর্বজনীন সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে। এই রাষ্ট্রে একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ স্থানে বসানো হয় এবং আরেকজন প্রধানের নেতৃত্বে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দেশ পরিচালনা করেন। অর্থাৎ, একজনকে রাষ্ট্রপতির পদে বসানো হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ দেশ পরিচালনা করে। উপরে আলোচিত সংসদীয় সরকারের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বলা যায়, 'ক' রাষ্ট্রে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মতো পরিষদ তথা মন্ত্রিপরিষদ সরকারের সাথে জনগণের সেতুবন্ধ স্থাপন করে- উক্তিটি যথার্থ।
সরকার ও জনগণের মধ্যে সংযোগ সাধন করা মন্ত্রিপরিষদের অন্যতম দায়িত্ব এবং কর্তব্য। তারা জাতীয় অগ্রগতির লক্ষ্যে সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ ও তার সঠিক বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনকে উপযুক্ত দিক নির্দেশনা প্রদান করেন, যা অনুসরণ করে সরকার জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হয়। জনগণ যাতে সুখে-শান্তিতে ও নিরাপদে বসবাস করে সে লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদকে নিরলসভাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়।
সংসদীয় রীতি অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ আইন প্রণয়ন, আইনের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন তথা সংশোধন, জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন নীতি নির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে থাকেন। তারা সংসদের বাইরেও জনস্বার্থে নানাবিধ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সরকারি কর্মসূচি ও গৃহীত সিদ্ধান্ত বক্তৃতা-বিবৃতির মাধ্যমে জনগণকে অবহিত করার মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে অর্থাৎ জনগণ এবং সরকারের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করে থাকেন।
উপরের আলোচনার পরিসমাপ্তিতে বলা যায়, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদই জনগণের সাথে সরকারের সম্পর্ক স্থাপনের প্রধান মাধ্যম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
155

‘সরকার' অতি পরিচিত একটি শব্দ। বিশ্বের সব দেশেই কোনো না কোনো সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকার কাকে বলে সে সম্পর্কে আমরা চতুর্থ অধ্যায়ে জেনেছি। মূলত সরকারের দ্বারা একটি দেশের শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সকল দেশে সরকার থাকলেও তা একরকম নয় । এ অধ্যায়ে আমরা আমাদের দেশের সরকার-পদ্ধতি সম্পর্কে জানব ।

এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা-

♦ বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ উল্লেখ করতে পারব

♦ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব

♦ বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো বর্ণনা করতে পারব বাংলাদেশের আইনসভার গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব

♦ বাংলাদেশের বিচার বিভাগের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
বিভাগের উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধান করে বিভাগীয় প্রশাসন। তবে বিভাগের সব কাজ সম্পন্ন করা হয় বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে। তিনি কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে বিভাগের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.3k
উত্তরঃ

'A' চিহ্নিত স্থানটি সরকারের আইন বিভাগকে নির্দেশ করছে।
সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় জাতীয় সংসদ যাবতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের সব ক্ষমতা জাতীয় সংসদের। সংসদ যেকোনো আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রধানমন্ত্রী ও 'মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদের কাছে দায়ী থাকে। কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো কর বা খাজনা আরোপ ও আদায় করা যায় না। সংসদ প্রতি বছর জাতীয় বাজেট পাস করে। সংসদ সংবিধানে উল্লিখিত নিয়মের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে এজন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার হয়। সুতরাং বলা যায়, আইন বিভাগের কর্মকাণ্ডের পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'B' চিহ্নিত বিভাগটি হলো নির্বাহী বিভাগ এবং 'A' চিহ্নিত বিভাগটি হলো আইন বিভাগ। বাংলাদেশে আইন বিভাগ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ বিষয়টির সাথে আমি একমত।
সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভার স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের যেসব কাজ করতে হয় সেগুলো হলো- আইনসংক্রান্ত কাজ, শাসনসংক্রান্ত কাজ এবং বিচারসংক্রান্ত কাজ। এই তিন প্রকার কাজ সম্পাদন করার জন্য আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগের ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে। তবে আইন বিভাগের কাজের পরিধি ব্যাপক। এটি শুধু আইন প্রণয়নই করে না, নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণও করে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদের কাছে দায়ী থাকেন। কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙেযায়। মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, অনাস্থা প্রস্তাব, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, সংসদীয় বিভিন্ন কমিটি ও সংসদে সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট, আইন বিভাগের সাথে নির্বাহী বিভাগের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। আইন বিভাগ তথা জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রশাসনকে রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড বলা হয়।
রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনার দায়িত্ব প্রশাসনের। রাষ্ট্রের ভিতরে শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সুষ্ঠু প্রশাসনের কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রশাসন রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড হিসেবে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
5.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews