কম্পাঙ্কের একক হলো Hz (হার্জ)।
আমরা জানি, শব্দ মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগও বিভিন্ন। যেমন- শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে কঠিন মাধ্যমে, তারপর তরল মাধ্যমে, এরপর বায়ুমাধ্যমে। রেলপাত লোহার তৈরি অর্থাৎ রেলপাত একটি কঠিন মাধ্যম। সুতরাং রেললাইনের মধ্য দিয়ে শব্দ খুব দ্রুত চলাচল করে। তাই রেললাইনে কান পাতলে দূর থেকে রেলগাড়ি চলার শব্দ রেল লাইনের মধ্য দিয়ে খুব দ্রুত কানে পৌছায় বলে ঐ শব্দ শোনা যায়।
আমরা জানি, কম্পনশীল বস্তু শব্দ সৃষ্টি করে। উদাহরণস্বরূপ কোনো ঘণ্টায় আঘাত করলে সেই ঘণ্টায় কম্পনের সৃষ্টি করে, যা শব্দ উৎপন্ন করে। এই শব্দ বায়ু মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়ে আমাদের কানে। পৌছায়। প্রথমে কম্পনশীল ঘণ্টাটি এদের চারপাশের বায়ুর অণুগুলোকে কম্পিত করে। বায়ুর এ কম্পিত অণুগুলো এদের কম্পনকে পার্শ্ববর্তী বায়ুর অণুগুলোতে স্থানান্তর করে দেয়। পর্যায়ক্রমে এভাবেই শব্দ ঢেউয়ের মতো ঘণ্টা থেকে আমাদের কানে পৌছায়।
উদ্দীপকের ঘটনায় প্রথমে জয় ট্রেনের শব্দ শুনতে পায় নি, কিন্তু পরে শুনতে পেয়েছিল।
বিশ্লেষণ: শব্দ স্থানান্তরের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন। আবার মাধ্যমের বিভিন্নতার জন্য শব্দের বেগ বিভিন্ন হয়। অর্থাৎ বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দ বিভিন্ন বেগে সঞ্চালিত হয়। সাধারণভাবে কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি, তরল মাধ্যমে তার চেয়ে কম এবং বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম। উদ্দীপকের ঘটনায় জয় যখন ট্রেন লাইন দিয়ে হাঁটছিল তখন ট্রেনের শব্দ শুনতে পাওয়ার মাধ্যম ছিল বাতাস। বাতাসে শব্দ ধীর গতিতে চলে। সাধারণত শব্দ বায়ুতে প্রতি সেকেন্ডে ৩৪৩ মিটার পথ অতিক্রম করে। পরবর্তীতে ট্রেনের লাইনে কান পাতায় সে শব্দ শুনতে পায়। এসময় শব্দ শুনতে পাওয়ার মাধ্যম রেল লাইন অর্থাৎ লোহা। লোহায় শব্দ অত্যন্ত দ্রুত বেগে চলে। লোহায় শব্দ প্রতি সেকেন্ডে ৫,১৩০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে। তাই একই দূরত্বে থাকা সত্ত্বেও ট্রেনের শব্দ বাতাসের চেয়ে লোহার ভিতর দিয়ে আগে এসেছে। এককথায়, মাধ্যমের ভিন্নতার দরুন জয় প্রথমে শব্দ শুনতে পায় নি, পরে শুনতে পেয়েছিল।
Related Question
View Allযে শক্তি আমাদের কানে প্রবেশ করে শ্রবণের অনুভূতি জাগায় তাই শব্দ।
আমরা জানি, শব্দ মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগও বিভিন্ন। যেমন- শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে কঠিন মাধ্যমে, তারপর তরল মাধ্যমে, এরপর বায়ুমাধ্যমে। রেলপাত লোহার তৈরি অর্থাৎ রেলপাত একটি কঠিন মাধ্যম। সুতরাং রেলপাতের মধ্য দিয়ে শব্দ খুব দ্রুত চলাচল করে। তাই রেলপাতে কান রাখলে দূর থেকে রেলগাড়ি চলার শব্দ রেল পাতের মধ্য দিয়ে খুব দ্রুত কানে পৌছায় বলে ঐ শব্দ শোনা যায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত,
বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৩০ মি./সে.
শব্দ শোনার সময় = ?
বোমা ফাটার স্থান ও তীরে অবস্থিত লোকটির দূরত্ব ৩৩০০ মিটার
আমরা জানি,
শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়
বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ৩৩০ মি./সে. = ১০ সেকেন্ড
অতএব, বোমা ফাটার স্থান থেকে তীরে অবস্থিত 'লোকটি ১০ সেকেন্ড পর শব্দ শুনবে।
উদ্দীপক অনুযায়ী, ডুবুরি বোমা ফাটার স্থান থেকে ৩৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত।
সমুদ্রের পানিতে শব্দের বেগ ১৫০০ মি./সে.
শব্দ শোনার সময় = ?
আমরা জানি,
শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়
বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ১৫০০ মি./সে. = ২.২ সেকেন্ড
'গ' হতে পাই, তীরে অবস্থিত লোকটি বোমা ফাটার শব্দ শুনে ১০ সেকেন্ড পর।
অতএব, ডুবুরি ও লোকটি একই সময়ে বোমা ফাটার শব্দ শুনতে পাবে না, ডুবুরি আগে শুনতে পাবে।
যে শব্দ শুনতে ভালো লাগে, সুখকর, মধুর ও আনন্দদায়ক সে শব্দই সুশ্রাব্য শব্দ।
শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দ্বারা কোন সুর চড়া ও কোন সুর মোটা বুঝা যায় তাকে তীক্ষ্ণতা বলে। শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্ক ও দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেলে তীক্ষ্ণতা কমে এবং দৈর্ঘ্য কমলে তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। 'কাজেই বাঁশের বাঁশির দৈর্ঘ্য কম হলে শব্দের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
