উদ্দীপকে ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বরে বাংলাদেশে যে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়েছিল তা হচ্ছে 'সিডর' নামক ঘূর্ণিঝড়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যগুলো হচ্ছে নিম্নরূপ-
দুর্যোগের সময় জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা। প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ পৌছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা। দুর্যোগপরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা।
উদ্দীপকের যে দুর্যোগটির কথা বলা হয়েছে তা হচ্ছে সিডর।
সিডর বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে বেশ কয়েকটি জেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে। তন্মধ্যে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, বরিশাল প্রভৃতি জেলা উল্লেখযোগ্য। নিচে মানচিত্রের সাহায্যে সিডর আক্রান্ত জেলাগুলো দেখানো হলো-

উদ্দীপকে রাশেদ ও টিপু দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের ব্যাপারে মন্তব্য করেছিল তা যুক্তিযুক্ত।
দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি বলতে দুর্যোগপূর্ব সময়ে দুর্যোগের ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থাসমূহকে বোঝায়। আগে থেকে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগসংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং রাস্তাঘাট, যানবাহন, বেতার যন্ত্র ইত্যাদি দুর্যোগের পূর্বে প্রস্তুত রাখা দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই। কিন্তু উপরিউল্লিখিত বিষয়গুলোকে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করতে পারলে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি থেকে অনেকটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। এজন্য দুর্যোগ এলাকা চিহ্নিত করে দুর্যোগের পূর্বেই নিরাপদ স্থানে আশ্রয়গ্রহণ করতে হবে, প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সঙ্গে নিতে হবে। গবাদিপশুগুলোকে নিরাপদে রাখার জন্য স্থান নির্বাচন করে সেখানে রেখে আসতে হবে। নিরাপদ পানি সঙ্গে নিতে হবে যাতে দুর্যোগের সময় পানীয় জলের অভাব না দেখা দেয়। দুর্যোগের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধৈর্যের সাথে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে।
উপরোল্লিখিত কার্যাবলি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে দুর্যোগের ভয়াবহ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে যা উদ্দীপকের দুই বন্ধুর মন্তব্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রাশেদ ও টিপুর মন্তব্য পুরোপুরি যুক্তিযুক্ত।
Related Question
View Allবায়ুদূষণের একটি অন্যতম উৎস হলো শিল্পকারখানার ধোঁয়া।
দরিদ্রতা অর্থনৈতিক দূষণের ফল।
অর্থনৈতিক দূষণের প্রত্যক্ষ ফল হলো দরিদ্রতা। যেকোনো দেশের সার্বিক উন্নয়নের চাবিকাঠি হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। বিভিন্ন কারণে যখন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয় অর্থাৎ দূষণের সম্মুখীন হয় তখন উন্নয়ন থমকে দাঁড়ায় আর উন্নয়ন থমকে দাঁড়ালে একটি দেশে দরিদ্রতা নেমে আসে। কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফলে সামগ্রিক উন্নয়ন সাধিত হয় এবং দারিদ্র্যতা দূরীকরণ হয়। তাই বলা যায়, দরিদ্রতা অর্থনৈতিক দূষণের ফল।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত খনিজটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস যার ভৌগোলিক অবস্থান নিচে দেখানো হলো।
বাংলাদেশের আবিষ্কৃত প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রসমূহ দেশের উত্তর-পূর্বাংশ, পূর্ব বাংলা এবং দক্ষিণ-পূর্বাংশের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত।
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রসমূহের মধ্যে সিলেট, ছাতক, রশিদপুর, তিতাস, কৈলাসটিলা, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, সেমুতাং, বেগমগঞ্জ, কুতুবদিয়া, বিয়ানীবাজার, ফেনী, কামতা, ফেঞ্চুগঞ্জ, জালালাবাদ, বেলাবো, মেঘনা, শাহবাজপুর, সাঙ্গু, বিবিয়ানা, সুন্দলপুর, শ্রীকাইল ও বাঙ্গুরা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
এদের মধ্যে সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রটি বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র, যা ১৯৫৫ সালে আবিষ্কৃত হয়।
উদ্দীপকের শেষ বাক্যটির সারমর্ম হলো প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের ফলে একদিকে যেমন বনজসম্পদ রক্ষা পায় অন্যদিকে তেমনি কালো ধোঁয়ার হাত থেকে বায়ুদূষণ রোধ হয়।বাংলাদেশে ব্যাপক হারে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। শিল্প ক্ষেত্রে এবং জ্বালানি ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ফলে জ্বালানির কাজে ব্যবহৃত কাঠের বিকল্প হিসেবে গ্যাস অধিক গ্রহণযোগ্য। এর ফলে কাঠের ব্যবহার হ্রাস পায় যার ফলে বনজসম্পদ রক্ষা পায়। জ্বালানি হিসেবে কাঠ, কয়লার ব্যবহার অধিক হারে বায়ুদূষণ করে। কিন্তু প্রাকৃতিক গ্যাসের কোনো কালো ধোঁয়া নেই। ফলে প্রাকৃতিক গ্যাসের অধিক ব্যবহারের ফলে যেহেতু কাঠের ব্যবহার কম হয় তাই একদিকে যেমন বনজসম্পদ রক্ষা পায় অন্যদিকে কালো ধোঁয়া না থাকায় বায়ুদূষণ রোধ হয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি সঠিক।
দুর্যোগ হলো এখন কোনো ঘটনা বা অবস্থা যা মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করে এবং জানমালের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।
পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে।
যেকোনো ধরনের পরিকল্পনা যদি পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায় তবে তা বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। কারণ পৃথিবীর সবকিছুই পরিবেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে এমন পরিকল্পনা টিকে থাকে না। তাই উন্নয়নকে চিরস্থায়ী করতে অর্থাৎ টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!