যে হিসাব ব্যবস্থায় লেনদেনের দ্বৈতসত্তা বিশ্লেষণ করে এক পক্ষকে ডেবিট ও অন্য পক্ষকে ক্রেডিট করে হিসাবভুক্ত করা হয় তাকে দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতি বলে। দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:
→ দুটি পক্ষ নির্ণয়
→ দাতা ও গ্রহীতা
→ ডেবিট ও ক্রেডিট
→ সমমূল্যের লেনদেন
→ পৃথক সত্তা
→ নির্ভুল হিসাব
→ বিস্তারিত ও নির্ভুলযোগ্য তথ্য
→ বিজ্ঞানসম্মত পূর্ণাঙ্গ হিসাব ব্যবস্থা
Related Question
View Allব্যবসা ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুসারে প্রাপ্য টাকা বা বিক্রয় মূল্য থেকে নির্দিষ্ট হারে যে পরিমাণ টাকা ছেড়ে দেয়া হয় বা ক্রয়ের ক্ষেত্রে যে অর্থ কম দেয়া হয় তাকে বাট্টা বলে।
বাট্টা তিন প্রকার:
ক. ব্যবসায়ি বাট্টা
খ. পরিমাণ বাট্টা
গ. নগদ বাট্টা
হিসাব বিজ্ঞানের জনক হলেন লুকা প্যাসিওলি। তার দুটি বইয়ের নাম-
ক. সুম্মা এরিথমেটিকা জিওমেট্রিকা প্রপোরশানিয়েট প্রপোরশনালিটা।
খ. দি মর্ডান কনসেন্ট অন একাউন্টিং।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!