'ভিস্তি' হলো পানি বহনের জন্য চামড়ার তৈরি এক প্রকার থলি।
'মাটির ভয়ে রাজ্য হবে মাটি'- রাজার এ কথার কারণ হলো রাজা ঘরে বসে থাকলে রাজ্যের সব কাজকর্ম স্থবির হয়ে পড়বে।
'জুতা-আবিষ্কার' কবিতায় পায়ে ধুলা লাগায় রাজা ভীষণ বিরক্ত হন। তার পায়ে যেন ধুলা না লাগে সেই ব্যবস্থা করতে রাজা অমাত্যদের নির্দেশ দিলেন। রাজার নির্দেশমতো সবাই কাজ শুরু করলেন। রাজ্যের মন্ত্রী, পণ্ডিত, জ্ঞানী সবাই এ বিষয়ে ভাবতে শুরু করলেন। নানা জনের নানা পরামর্শের এক পর্যায়ে রাজাকে বলা হলো তিনি যদি ঘরে বসে থাকেন, ধুলার মধ্যে পা না দেন তাহলে তাঁর পায়ে ধুলা লাগবে না। রাজাও সে কথা বুঝলেন। কিন্তু পায়ে ধুলা লাগার ভয়ে ঘরে বসে থাকলে তো তার রাজ্যের সব কাজকর্ম মাটি হয়ে যাবে। এ বিষয়টি বোঝাতেই রাজা প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
উদ্দীপকের মেয়েটি 'জুতা-আবিষ্কার' কবিতার চামার কুলপতি চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে।
সঠিক কাজের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। কারণ পরিকল্পনা মতো কাজ করলে অল্প সময়ে সফলতা আসে। না হলে অনেক জটিলতা দেখা দেয়।
উদ্দীপকে একটি দুর্গম এলাকার কথা বলা হয়েছে। যেখানে দাঁড়িপাল্লা ভেঙে যাওয়ায় দোকান থেকে খাবার নিতে সমস্যায় পড়ে ভ্রমণরত কিছু মানুষ। এ সমস্যার সমাধান করে একটি বুদ্ধিমতী মেয়ে। সে একটি পাত্রে বাটখারা রেখে পানিতে ভাসায়। পাত্রটি যে পর্যন্ত ডুবে যায় সেখানে দাগ কেটে রাখে। তারপর বাটখারা তুলে সেই দাগ পর্যন্ত খাবার মেপে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। 'জুতা- আবিষ্কার' কবিতায়ও দেশের সংকটময় মূহূর্তে চামার কুলপতি গোটা রাজ্য চামড়া দিয়ে মোড়ানোর বদলে রাজার পা চামড়া দিয়ে মুড়িয়ে সংকট দূর করে। চামার কুলপতির সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তা উদ্দীপকের মেয়েটির মধ্যেও প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের মেয়েটি আলোচ্য কবিতার চামার কুলপতির প্রতিনিধিত্ব করে।
"উদ্দীপকের ঘটনা 'জুতা-আবিষ্কার' কবিতার সমাপ্তির ইঙ্গিত করলেও সূচনা নির্দেশ করেনি।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
সঠিক পরিকল্পনার অভাব মানুষের কাজের সফলতাকে দূরে ঠেলে দেয়। এমন ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলা এবং উদ্ভট পরিস্থিতির। অথচ সঠিক পরিকল্পনা থাকলে যেকোনো কাজ খুব সহজেই সমাধান হয়ে যায়।
উদ্দীপকে একটি মেয়ের বুদ্ধিমত্তার কথা প্রকাশ পেয়েছে। বুদ্ধি দিয়ে মেয়েটি ভ্রমণরত মানুষ এবং দোকানির সমস্যার সমাধান করে। 'জুতা-আবিষ্কার' কবিতায়ও চামার কুলপতির এমনই বুদ্ধিমত্তার কথা প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু এ বিষয়টি ছাড়াও আলোচ্য কবিতার শুরুতে ধুলাবালি থেকে রাজার পা মুক্ত রাখতে নানা অর্থহীন উদ্ভট চিন্তা ও কর্মকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। সঠিক সিদ্ধান্ত ও বুদ্ধিহীনতার কারণে রাজ্যজুড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, যা উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি।
উদ্দীপকে শুধু মেয়েটির বুদ্ধি দিয়ে সমস্যা সমাধান করার বিষয়টি ফুটে উঠেছে, যা আলোচ্য কবিতার শেষে প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকে কবিতায় উদ্ভূত বিড়ম্বনা প্রকাশ পায়নি, যেটা আলোচ্য কবিতার শুরুতে প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!