পৃথিবীর সর্ববৃহৎ পাটকল আদমজি জুট মিলস্।
বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ করা যায়। কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প প্রতিষ্ঠার ফলে কৃষি পণ্যগুলোকে দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একসময় মানুষ কিছু কিছু কৃষিপণ্য রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণের জন্য প্রক্রিয়াজাতকরণ করত। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে কেমিক্যাল দিয়ে এগুলো সংরক্ষণ করেছে। বর্তমানে এগুলো সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন কোল্ডস্টোরেজ গড়ে উঠেছে। মূলত এই প্রক্রিয়াগুলোর মাধ্যমেই কৃষিপণ্যগুলো প্রক্রিয়াজাতকরণ করা যায়।
দুর্জয় অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক খাতে শ্রম দিচ্ছে।
সাধারণত যেসব অর্থনৈতিক কাজের জন্য মজুরি নির্ধারিত নেই, করের আওতায় আনা কঠিন এবং যা সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় না তাকে অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম বলে। যেমন-নিজের জমি, দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করা, গৃহস্থালি কর্ম, হকারি, দিন মজুরি ইত্যাদি। অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশের বেশিরভাগ অর্থনৈতিক কার্যক্রম অনানুষ্ঠানিক খাতের মাধ্যমে হয়।
উদ্দীপকের দুর্জয় বাবার খামারের কাজে সহায়তা করে। খামারে কাজ না থাকলে খালে-বিলে মাছ ধরে অর্থ উপার্জন করে। তাই বলা যায় যে, দুর্জয়ের কার্যাবলি অর্থনীতির অনানুষ্ঠানিক খাতের অন্তর্ভুক্ত।
দুর্জয় তার কাজের মাধ্যমে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
বিশ্বের অন্য যেকোনো উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামের একজন খামারি ও তার পরিবারের সদস্যরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খামারে কাজ করেন। তাদের এ অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এমনিভাবে কামার-কুমোরের কাজসহ বিভিন্ন কুটির শিল্প, দোকান ও অন্যান্য ছোট-খাটো ব্যবসাও অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক উৎস হিসেবে জাতীয় অর্থনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একইভাবে শহরাঞ্চলে বসবাসকারী স্বল্প ও মাঝারি আয়ের অনেক মানুষও অনানুষ্ঠানিকভাবে অর্থনৈতিক কাজে নিয়োজিত থেকে অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখছে।
উদ্দীপকের দুর্জয় বাবার খামারে কাজের পাশাপাশি খালে-বিলে মাছ ধরে সংসারের আর্থিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। তার এ কাজ অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাতের অংশ হিসেবে দুর্জয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
Related Question
View AllSAFTA-এর পুরো নাম 'South Asian Free Trade Area' বা দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা।
মাঝারি শিল্প বলতে সেসব শিল্পকে বোঝায়, যেখানে দেড় কোটি টাকার অধিক মূলধন খাটানো হয়।
মাঝারি শিল্পের উদাহরণ হলো হাল্কা ইঞ্জিনিয়ারিং, সিল্ক, সিরামিক, কোন্ড স্টোরেজ বা হিমাগার ইত্যাদি। দেশের চাহিদা পূরণ ও অনেক লোকের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে এ ধরনের শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তমিজ উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের কাজ অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলির আওতাভুক্ত।
সাধারণত যেসব অর্থনৈতিক কাজের জন্য মজুরি নির্ধারিত নেই, করের আওতায় আনা কঠিন এবং যা সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় না তাকে অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ বলে। যেমন- নিজের জমি, দোকান বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে কাজ করা, গৃহস্থালি কর্ম, হকারি, দিনমজুরি ইত্যাদি। আবহমানকাল থেকে চলে আসছে বলে অর্থনীতিবিদরা এসব কাজকে অর্থনীতির প্রথাগত খাতও বলে থাকেন।
উদ্দীপকের তমিজ উদ্দিন ও তার ছেলেরা জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করেন। আবার অবসর সময়ে তিনি একটি মুদির দোকান চালান। এ প্রেক্ষিতে বলা যায়, তমিজ উদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যদের কাজ অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজের আওতাভুক্ত। কারণ তাদের এ কাজের জন্য কোনো নির্ধারিত মজুরি নেই, তা করের আওতায় আনা কঠিন এবং সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিতও নয়।
তমিজ উদ্দিনের মতো মানুষের কাজ তথা অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলি জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে- বক্তব্যটি যথার্থ।
বিশ্বের অন্য যেকোনো উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও অনানুষ্ঠানিক খাত অন্যতম ভূমিকা পালন করছে। গ্রামের একজন কৃষক ও তার পরিবারের সদস্যরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমিতে কাজ করেন। তাদের এ অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। f এমনিভাবে কামার-কুমোরের কাজসহ বিভিন্ন কুটিরশিল্প, মুদির দোকান ও অন্যান্য ছোটখাটো ব্যবসাও অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ হিসেবে জাতীয় অর্থনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একইভাবে শহরাঞ্চলে বসবাসকারী স্বল্প ও মাঝারি আয়ের অনেক মানুষও অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজে নিয়োজিত থেকে অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।
সামগ্রিক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক খাতের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার পরও আমাদের অর্থনীতির অগ্রগতিতে প্রথাগত বা অনানুষ্ঠানিক কার্যাবলি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হচ্ছে, শিল্পায়নের মাধ্যমে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতি সাধন এবং বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা।
অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম বলতে এমন অর্থনৈতিক কাজকে বোঝায়, যা করের আওতায় আনা কঠিন এবং সরকার কর্তৃক যাতে কোনো নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয় না।
আবহমানকাল থেকে চলে আসছে বলে অর্থনীতিবিদরা একে 'প্রথাগত খাত' হিসেবেও অভিহিত করেন। এ ধরনের কাজের উদাহরণ হচ্ছে-নিজের জমি, দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ, গৃহস্থালি কর্ম, হকারি ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!