'দূরের পাল্লা' কবিতায় কবি বাংলাদেশের নদীতীরের জনজীবনের নানা দিক তুলে ধরেছে। তিনজন মাঝি একটি ছিপ নৌকা নিয়ে ধীরগতিতে এগিয়ে চলছে। নদীতীরের পরিবেশ ও প্রকৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে কবি দেখিয়েছেন নদীর পাড়ে ঝোপঝাড়, পানিতে জুড়ে আছে সবুজ শৈবাল। এ শৈবাল এতটাই সুন্দর যে, সেটিকে কবি পান্নার টাঁকশালের সঙ্গে তুলনা করেছেন। নদীতে নতুন জেগে ওঠা চর, তাতে বন-হাঁসের ডিম পেড়ে শ্যাওলায় ঢাকা, পানকৌড়ির ডুব দেওয়া, গ্রামীণ বধূর ডুব দেওয়া ও কলসিতে পানি নেওয়া প্রভৃতি অসাধারণ সৌন্দর্য দৃশ্য কবি তুলে ধরেছেন কবিতাটিতে।
Related Question
View Allতিনজন মাল্লা দূর পাল্লা দেয়। তারা সরু নৌকা নিয়ে সারা দিন পাড়ি দিতে থাকে। এ সময় তারা যেতে যেতে নদীপাড়ের ঝোপঝাড় দেখে, আর জঙ্গল ও জঞ্জাল দেখে।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় তিনটি দাঁড়ের কথা বলা হয়েছে। এ কবিতায় কবি জলময় শৈবালের কথা বলেছেন। জলময় সবুজ' শৈবালকে কবি মূল্যবান পান্নার টাকশাল বলেছেন।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় 'চৌপর' বলতে চার প্রহর বা সারা দিনকে বোঝানো হয়েছে। এ কবিতায় বন-হাঁস শ্যাওলায় তার ডিম্ ঢাকে।
চৌপর বলতে কবি চার প্রহর বা সারা দিনকে বুঝিয়েছেন। মাল্লারা ছিপ নৌকা নিয়ে সারা দিন দূরের পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য যাত্রা করে। এ দিকটিই কবি প্রশ্নের কথাটির মাধ্যমে বুঝিয়েছেন।
'দূরের পাল্লা' কবিতায় পানকৌড়ি পাখির উল্লেখ আছে। পাখিটির চুপচুপ করে ডুব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বন-হাঁস শ্যাওলায় তার ডিম ঢাছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!