দৃশ্যকল্প-১: 

'দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে নতুন বাজার। 

পুড়ছে দোকান-পাট, কাঠ, 

লোহা-লক্কড়ের স্তূপ, মসজিদ এবং মন্দির। 

দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে নতুন বাজার। 

বিষম পুড়ছে চতুর্দিকে ঘর-বাড়ি।'

দৃশ্যকল্প-২: 

স্বাধীনতা তুমি 

মজুর যুবার রোদে ঝলসিত দক্ষ বাহুর গ্রন্থিল পেশি। 

স্বাধীনতা তুমি 

অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে মুক্তিসেনার চোখের ঝিলিক।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা

তোমাকে পাওয়ার জন্যে

আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?

আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন ?

তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,

সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল,

সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।

তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,

শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো

দানবের মতো চিৎকার করতে করতে

তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,

ছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো । রিকয়েললেস রাইফেল

আর মেশিনগান খই ফোটাল যত্রতত্র।

তুমি আসবে বলে ছাই হলো গ্রামের পর গ্রাম ।

তুমি আসবে বলে বিধ্বস্ত পাড়ায় প্রভুর বাস্তুভিটার

ভগ্নস্তূপে দাঁড়িয়ে একটানা আর্তনাদ করল একটা কুকুর ।

তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,

অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতা-মাতার লাশের উপর ।

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, তোমাকে পাওয়ার জন্যে 

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা

আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?

আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন?

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে থুথুড়ে এক বুড়ো

উদাস দাওয়ায় বসে আছেন – তাঁর চোখের নিচে অপরাহ্ণের

দুর্বল আলোর ঝিলিক, বাতাসে নড়ছে চুল ।

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে

মোল্লাবাড়ির এক বিধবা দাঁড়িয়ে আছে

নড়বড়ে খুঁটি ধরে দগ্ধ ঘরের।

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে

হাড্ডিসার এক অনাথ কিশোরী শূন্য থালা হাতে

বসে আছে পথের ধারে ।

তোমার জন্যে,

সগীর আলী, শাহবাজপুরের সেই জোয়ান কৃষক,

কেষ্ট দাস, জেলেপাড়ার সবচেয়ে সাহসী লোকটা,

মতলব মিয়া, মেঘনা নদীর দক্ষ মাঝি,

গাজী গাজী বলে যে নৌকা চালায় উদ্দাম ঝড়ে,

রুস্তম শেখ, ঢাকার রিকশাওয়ালা, যার ফুসফুস 

এখন পোকার দখলে

আর রাইফেল কাঁধে বনে জঙ্গলে ঘুরে-বেড়ানো

সেই তেজি তরুণ যার পদভারে

একটি নতুন পৃথিবীর জন্ম হতে চলেছে –

সেই তেজি তরুণ যার পদভারে

সবাই অধীর প্রতীক্ষা করছে তোমার জন্যে, হে স্বাধীনতা।

পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে জ্বলন্ত

ঘোষণার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে,

নতুন নিশান উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্বিদিক

এই বাংলায় তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা।
                                                                               (সংক্ষেপিত)

R
R
2 years ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালি জাতির উপর নিষ্ঠুর গণহত্যা চালানোর জন্য সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে। স্বাধীনতার আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দিতে এবং স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার বাঙালি জাতিকে দমন করতে তারা শহরে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক নিয়ে প্রবেশ করে।

এই জলপাই রঙের ট্যাঙ্কগুলো ছিল পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বর্বরতা ও আগ্রাসনের প্রতীক। তারা ট্যাঙ্ক ও অন্যান্য মারণাস্ত্র ব্যবহার করে নির্বিচারে মানুষ হত্যা, বাড়িঘর, দোকানপাট জ্বালিয়ে দেয়, যা 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পরিচিত। উদ্দীপকের প্রথম দৃশ্যকল্পে বর্ণিত 'দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে নতুন বাজার' এবং 'বিষম পুড়ছে চতুর্দিকে ঘর-বাড়ি' এই ট্যাঙ্ক নিয়ে আসা হানাদার বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

'তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা' কবিতায় স্বাধীনতা অর্জনের পথে বাঙালি জাতির ওপর নেমে আসা অগণিত ধ্বংসযজ্ঞ, নির্মমতা ও বিসর্জনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত নতুন বাজার, দোকানপাট, মসজিদ ও মন্দিরসহ ঘরবাড়ি পুড়ে যাওয়ার ঘটনা এই কবিতার সেই ধ্বংসাত্মক দিকের সাথে গভীর সাদৃশ্য বহন করে।

কবিতায় দেখা যায়, স্বাধীনতা অর্জনের জন্য অসংখ্য মা-বোনের সম্ভ্রমহানি হয়েছে, অনেক ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়েছে, গ্রামকে গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। দৃশ্যকল্প-১ এ নতুন বাজার ও চারপাশের ঘর-বাড়ি দাউ দাউ করে পুড়ে যাওয়ার যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত ব্যাপক অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসযজ্ঞের চিত্রকেই ফুটিয়ে তোলে, যা কবিতার মূল উপজীব্য বিষয়।

এভাবে দৃশ্যকল্প-১ স্বাধীনতা অর্জনের পথে সাধারণ মানুষের বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়সহ সামগ্রিক জীবনে নেমে আসা ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে। 'তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা' কবিতাও সেইসব ধ্বংস ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের অপরিহার্য দিকটিকে প্রবলভাবে মূর্ত করেছে, যা উভয় অংশের মধ্যে মূলগত মিল নির্দেশ করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি স্বাধীনতা অর্জনের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় জাতির যে অপরিসীম ত্যাগ, বেদনা, ধ্বংসলীলা ও প্রতিরোধের চিত্র তুলে ধরেছে, তা বহু মাত্রিক। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ কেবল স্বাধীনতার ইতিবাচক ও সংগ্রামী দিকটি তুলে ধরেছে, যা কবিতার সমগ্র ভাবকে ধারণ করে না। কারণ, কবিতাটি একদিকে যেমন স্বাধীনতার জন্য মজুর যুবার আত্মত্যাগ ও মুক্তিসেনার ইস্পাতকঠিন সংকল্পকে তুলে ধরে, তেমনি অন্যদিকে স্বাধীনতা লাভের দীর্ঘ পথযাত্রায় বাঙালির জীবনে নেমে আসা অপরিসীম দুঃখ-দুর্দশা, রক্তপাত ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞকেও চিত্রিত করে।

দৃশ্যকল্প-২ এ স্বাধীনতাকে ‘মজুর যুবার রোদে ঝলসিত দক্ষ বাহুর গ্রন্থিল পেশি’ এবং ‘অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে মুক্তিসেনার চোখের ঝিলিক’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি স্বাধীনতার জন্য শ্রমজীবী মানুষের কঠোর পরিশ্রম, তাদের বলিষ্ঠ অবদান এবং মুক্তিসেনাদের সাহস, দৃঢ়তা ও অন্ধকারের মাঝে আশার আলোর প্রতীকী বর্ণনা। এই দিকগুলো নিঃসন্দেহে ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’ কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কবিতাটিতে মজুর, কৃষক, জেলে, ছাত্র, শিক্ষক – সকল শ্রেণির মানুষের আত্মত্যাগ ও আকাঙ্ক্ষা বর্ণিত হয়েছে, যা দৃশ্যকল্প-২ এর ভাবনার সাথে সংগতিপূর্ণ।

তবে, শামসুর রাহমানের ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’ কবিতায় কেবল সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দিকই নয়, বরং স্বাধীনতা অর্জনের পথে বাঙালির জীবনে নেমে আসা সীমাহীন দুর্ভোগ, স্বজন হারানো বেদনা, লাঞ্ছনা, গ্রাম ও শহর পুড়িয়ে দেওয়ার ভয়াবহতা এবং হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর মর্মান্তিক চিত্রও নিপুণভাবে বর্ণিত হয়েছে। কবিতাটি বিধ্বংসী আগুনের লেলিহান শিখা, স্বজন হারানো মায়ের আর্তনাদ, রক্তাক্ত প্রান্তর, ধর্ষিত নারীর অবর্ণনীয় কষ্ট এবং বুদ্ধিজীবী হত্যার মতো লোমহর্ষক ঘটনার বিবরণ দেয়। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ যে দাউ দাউ পুড়ে যাওয়া নতুন বাজার, দোকানপাট, ঘরবাড়ি এবং মসজিদ-মন্দিরের কথা বলা হয়েছে, তা কবিতার এই ধ্বংসাত্মক ও বেদনাবিধুর দিকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

সুতরাং, দৃশ্যকল্প-২ শুধুমাত্র স্বাধীনতার বীরত্বপূর্ণ ও আশাব্যঞ্জক দিকটিকে উপস্থাপন করে, যা কবিতার সামগ্রিক ভাবকে ধারণ করতে পারে না। কবিতাটি স্বাধীনতাকে একদিকে যেমন গৌরবময় সংগ্রাম হিসেবে দেখে, তেমনি অন্যদিকে এর চরম মূল্য হিসেবে যে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ও আত্মাহুতি ঘটেছে, তাকেও অস্বীকার করে না। তাই, কেবল সংগ্রামী চেতনা নয়, বরং স্বাধীনতা অর্জনে যে বেদনা ও ধ্বংসের পথ পাড়ি দিতে হয়েছে, সেই সত্যকেও কবিতাটি ধারণ করে, যা দৃশ্যকল্প-২ এ অনুপস্থিত। এই কারণে বলা যায়, উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এর ভাব ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’ কবিতার সমগ্র ভাবকে ধারণ করেনি।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
173

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা

তোমাকে পাওয়ার জন্যে

আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?

আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন ?

তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,

সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল,

সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।

তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,

শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো

দানবের মতো চিৎকার করতে করতে

তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,

ছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো । রিকয়েললেস রাইফেল

আর মেশিনগান খই ফোটাল যত্রতত্র।

তুমি আসবে বলে ছাই হলো গ্রামের পর গ্রাম ।

তুমি আসবে বলে বিধ্বস্ত পাড়ায় প্রভুর বাস্তুভিটার

ভগ্নস্তূপে দাঁড়িয়ে একটানা আর্তনাদ করল একটা কুকুর ।

তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,

অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতা-মাতার লাশের উপর ।

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, তোমাকে পাওয়ার জন্যে 

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা

আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?

আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন?

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে থুথুড়ে এক বুড়ো

উদাস দাওয়ায় বসে আছেন – তাঁর চোখের নিচে অপরাহ্ণের

দুর্বল আলোর ঝিলিক, বাতাসে নড়ছে চুল ।

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে

মোল্লাবাড়ির এক বিধবা দাঁড়িয়ে আছে

নড়বড়ে খুঁটি ধরে দগ্ধ ঘরের।

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে

হাড্ডিসার এক অনাথ কিশোরী শূন্য থালা হাতে

বসে আছে পথের ধারে ।

তোমার জন্যে,

সগীর আলী, শাহবাজপুরের সেই জোয়ান কৃষক,

কেষ্ট দাস, জেলেপাড়ার সবচেয়ে সাহসী লোকটা,

মতলব মিয়া, মেঘনা নদীর দক্ষ মাঝি,

গাজী গাজী বলে যে নৌকা চালায় উদ্দাম ঝড়ে,

রুস্তম শেখ, ঢাকার রিকশাওয়ালা, যার ফুসফুস 

এখন পোকার দখলে

আর রাইফেল কাঁধে বনে জঙ্গলে ঘুরে-বেড়ানো

সেই তেজি তরুণ যার পদভারে

একটি নতুন পৃথিবীর জন্ম হতে চলেছে –

সেই তেজি তরুণ যার পদভারে

সবাই অধীর প্রতীক্ষা করছে তোমার জন্যে, হে স্বাধীনতা।

পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে জ্বলন্ত

ঘোষণার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে,

নতুন নিশান উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্বিদিক

এই বাংলায় তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা।
                                                                               (সংক্ষেপিত)
 

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews