দৃশ্যকল্প-১

একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান বালু দিয়ে নদীর কিছু অংশ ভরাট করে পাশের কিছু জমিসহ সাইনবোর্ড টানিয়ে প্লট বিক্রি করছে।

দৃশ্যকল্প-২

সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থাপনের পর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না করে পার্শ্ববর্তী খালে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে।

দৃশ্যকল্প-৩

'ক' সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকগণ সরকারের দিকে তাকিয়ে না থেকে সকলে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করার মাধ্যমে সেটিকে সুন্দর বাসযোগ্য কর্পোরেশনে রূপান্তর করেছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।

উত্তরঃ

সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন

উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ সম্পদ বৈষম্যকে এবং দৃশ্যকল্প-২ অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও নগরায়ণকে নির্দেশ করছে।

সমাজে এক শ্রেণির মানুষ ভূমি দখল, নদী দখল করে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করে অনেক সম্পদের মালিক হচ্ছে। এর ফলে ভারসাম্যহীন সমাজ গড়ে উঠছে ও পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। নদী দখলের ফলে জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে এবং নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা

বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আর অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ নাগরিক জীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান বালু দিয়ে নদীর কিছু অংশ ভরাট করে পাশের কিছু জমিসহ সাইনবোর্ড টানিয়ে প্লট বিক্রি করছে যা উপরে বর্ণিত আমাদের সম্পদ বৈষম্যকে নির্দেশ করছে। আর দৃশ্যকল্প-২ এ বলা হয়েছে সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থাপনের পর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না করে পার্শ্ববর্তী খালে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এ বিষয়গুলো হলো অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও নগরায়ণ যা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের অন্যতম চ্যালেঞ্জ।
তাই বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১ ও ২ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জসমূহকে নির্দেশ করছে।

উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-৩ এ 'ক' সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকগণ সকলের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে তুলেছে

যা বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিতের অন্যতম উদাহরণ।


বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সার্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ঘোষণা করেছে। আর এই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের জন্য প্রয়োজন সকলের অংশীদারিত্ব। এক্ষেত্রে উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়নে সকলকে যার যতটুকু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে তাস্বস্ব অবস্থান থেকে পালন করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে। শুধু তাই নয়, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সমাজের সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ ও মিলিত প্রচেষ্টায় একযোগে উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে কাজ করতে হবে। তা হলেই সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ সাধিত হবে।

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-৩ এ দেখা যায়, 'ক' সিটি কর্পোরেশনের
নাগরিকগণ তাদের শহরের উন্নয়নের জন্য শুধু সরকারের দিকেই তাকিয়ে থাকেনি। তারা সকলে নিজেদের অবস্থান থেকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের মাধ্যমে তাদের সিটি কর্পোরেশনের সর্বত্র উন্নয়ন করছে। এতে সেটি সুন্দর ও বাসযোগ্য কর্পোরেশনে পরিণত হয়েছে। এভাবে তাদের মতো বিশ্বের সব দেশের নাগরিকগণ যদি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে তবে বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ সাধিত হবে।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, দৃশ্যকল্প-৩ এ 'ক' সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকদের দায়িত্ব পালনের ঘটনাটি বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিতকরণের উদাহরণ।

147

আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার পর থেকে এর উদ্দেশ্যগুলো অর্জনে সংস্থাটি অনেক সাফল্য লাভ করেছে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হয়ে সকলের সম্ভাবনা, মর্যাদা ও সমতা নিশ্চিত করতে জাতিসং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত উন্নয়নের সমন্বয়ে 'টেকসই উন্নয়ন অতীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে জাতিসংঘ কাজ করে যাচ্ছে। পূর্ববর্তী শ্রেণিতে আমরা এসডিজি সম্পর্কে ধারণা পেয়েছি। জাতিসংঘ নির্ধারিত এসডিজি অর্জনে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে সাথে বাংলাদেশও সমান ভালে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এ কাজ খুব সহজ নয়। এ কাজে সরকার ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। এ অধ্যায়ে এসডিজি অর্জনে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব, এসডিজি অর্জনের ফলাফল, এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের করণীয় সম্পর্কে জানব।

  • টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য পোস্টার ডিজাইন করতে পারব;
  •  টেকসই উন্নয়ন অতীষ্ট বাস্তবায়নে অনুপ্রাণিত হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।

Mehrab Hasan
Mehrab Hasan
2 years ago
5.9k
উত্তরঃ

জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।

305
উত্তরঃ

সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন

198
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews