জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
দৃশ্যকল্প-১ সম্পদ বৈষম্যকে এবং দৃশ্যকল্প-২ অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও নগরায়ণকে নির্দেশ করছে।
সমাজে এক শ্রেণির মানুষ ভূমি দখল, নদী দখল করে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করে অনেক সম্পদের মালিক হচ্ছে। এর ফলে ভারসাম্যহীন সমাজ গড়ে উঠছে ও পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। নদী দখলের ফলে জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে এবং নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা
বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আর অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ নাগরিক জীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান বালু দিয়ে নদীর কিছু অংশ ভরাট করে পাশের কিছু জমিসহ সাইনবোর্ড টানিয়ে প্লট বিক্রি করছে যা উপরে বর্ণিত আমাদের সম্পদ বৈষম্যকে নির্দেশ করছে। আর দৃশ্যকল্প-২ এ বলা হয়েছে সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থাপনের পর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না করে পার্শ্ববর্তী খালে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এ বিষয়গুলো হলো অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও নগরায়ণ যা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের অন্যতম চ্যালেঞ্জ।
তাই বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১ ও ২ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জসমূহকে নির্দেশ করছে।
দৃশ্যকল্প-৩ এ 'ক' সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকগণ সকলের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে তুলেছে
যা বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিতের অন্যতম উদাহরণ।
বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সার্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ঘোষণা করেছে। আর এই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের জন্য প্রয়োজন সকলের অংশীদারিত্ব। এক্ষেত্রে উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়নে সকলকে যার যতটুকু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে তাস্বস্ব অবস্থান থেকে পালন করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে। শুধু তাই নয়, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সমাজের সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ ও মিলিত প্রচেষ্টায় একযোগে উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে কাজ করতে হবে। তা হলেই সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ সাধিত হবে।
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-৩ এ দেখা যায়, 'ক' সিটি কর্পোরেশনের
নাগরিকগণ তাদের শহরের উন্নয়নের জন্য শুধু সরকারের দিকেই তাকিয়ে থাকেনি। তারা সকলে নিজেদের অবস্থান থেকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের মাধ্যমে তাদের সিটি কর্পোরেশনের সর্বত্র উন্নয়ন করছে। এতে সেটি সুন্দর ও বাসযোগ্য কর্পোরেশনে পরিণত হয়েছে। এভাবে তাদের মতো বিশ্বের সব দেশের নাগরিকগণ যদি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে তবে বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ সাধিত হবে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, দৃশ্যকল্প-৩ এ 'ক' সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকদের দায়িত্ব পালনের ঘটনাটি বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিতকরণের উদাহরণ।
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!