দৃশ্যকল্প-১: আজ আমি শোকে বিহ্বল নই

আজ আমি ক্রোধে উন্মত্ত নই

আজ আমি প্রতিজ্ঞায় অবিচল।

দৃশ্যকল্প-২: একুশে ফেব্রুয়ারির দিন যখন ফুল দিতে আসবি সেদিন আরও বলব। আজ শুধু এটুকুই বলি- এই একুশে ফেব্রুয়ারির কাহিনি হচ্ছে আমাদের জাতির প্রথম শহিদ। ওরা রক্ত দিয়েছিল বলেই বাংলা ভাষা রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পেয়েছিল। শুধু তাই নয়, একুশে ফেব্রুয়ারি থেকেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাঙালিদের স্বাধীনতার মূল সংগ্রাম শুরু হয়। সেই সংগ্রাম আরো উনিশ বছর ধরে চলে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

'একুশের গান' কবিতায় 'রক্তে রাঙানো' কথাটির আলংকারিক অর্থ বহু মানুষের আত্মোৎসর্গ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের একুশে ফেব্রুয়ারিতে যাঁদের রক্তের বিনিময়ে মাতৃভাষা বাংলাকে পেয়েছে বাঙালি জাতি তাঁদের চিরদিন স্মরণ করবে।

পাকিস্তানিরা বাঙালির মুখের ভাষা বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করতে চায়। বাংলার দামাল ছেলেরা তার তুমুল বিরোধিতা করে এবং বাংলা ভাষার দাবিতে রাজপথে মিছিলে নেমে বুকের রক্ত দিয়ে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করে। ভাষার জন্য এমন আত্মদান ইতিহাসে বিরল বলে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাই লেখক বাঙালির আত্মত্যাগের কথা বোঝাতে গিয়ে বলেছেন, 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।'

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রতিবাদ এবং অধিকার আদায়ের শপথ নেওয়ার দিক থেকে দৃশ্যকল্প-১-এর চরণগুলোর সাথে 'একুশের গান' কবিতার 'জাগো মানুষের সুপ্ত শক্তি হাটে মাঠে ঘাটে বাঁকে'- চরণটির সাদৃশ্য রয়েছে।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির বাঙালি জাতিসত্তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এই একুশের সংগ্রামী চেতনার পথ ধরে বাঙালি কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার দিকে ধাবিত হয়েছে। অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে।

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১-এ প্রিয়জন হারানোর শোকে বিহ্বল না হয়ে শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার চেতনা প্রতিফলিত হয়েছে। এই দিকটি 'একুশের গান' কবিতার মানুষের সুপ্ত শক্তির জাগরণ প্রত্যাশার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় কবি একুশের চেতনাকে ধারণ করে মানুষকে জেগে উঠতে বলেছেন। কারণ হাটে, মাঠে-ঘাটে, নদীর বাঁকে যেখানে যত মানুষ আছে, তাদের মধ্যে একুশের চেতনা জাগ্রত হলেই শহিদদের আত্মদান আরও সার্থক হয়ে উঠবে। কাজেই প্রিয়জন হারানোর শোক ও শক্তিকে কাজে লাগাতে সবাইকে জেগে উঠতে হবে। যা দৃশ্যকল্প-১-এর মূলভাবে প্রতিফলিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

"ওরা রক্ত দিয়েছিল বলেই বাংলা ভাষা রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পেয়েছিল।"- দৃশ্যকল্প-২ এর এই উক্তিটি তাৎপর্যপূর্ণ।

ভাষা আন্দোলন বাঙালির জাতীয় জীবনে একটি গৌরবময় অধ্যায়। ভাষার জন্য আত্মদানের ইতিহাস পৃথিবীতে আর নেই। বাঙালির এই আত্মত্যাগ পরবর্তী সংগ্রাম-আন্দোলনের প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।

দৃশ্যকল্প-২-এ একুশের ফেব্রুয়ারিতে আত্মদানের কাহিনি তুলে ধরা * হয়েছে। এখানে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বাঙালির রক্তদানের কথা বলা হয়েছে। তৎকালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের নানাভাবে শোষণ করে। এক পর্যায়ে তারা বাঙালির ভাষার ওপর আঘাত করে। তারা জোর করে এদেশের মানুষের মুখের ভাষা বাংলা কেড়ে নিয়ে উর্দু চাপিয়ে দিতে চায়। বাঙালিরা এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করে। শাসকগোষ্ঠী ১৪৪ ধারা জারি করে ভাষা আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। বাঙালির সাহসী সন্তানরা সেদিন একুশে ফেব্রুয়ারির ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজপথে মিছিল করে। সেই মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে ভাষা প্রেমিদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়। তাদের এই আত্মদানের চেতনা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়লে শাসকগোষ্ঠী ভাষার অধিকার দাবি মানতে বাধ্য হয়। 'একুশের গান' কবিতায়ও ভাষা আন্দোলনকারীদের রক্তদানের ইতিহাস ও গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে।

'একুশের গান' কবিতায় কবি মাতৃভাষার জন্য বাঙালি ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিষয়টি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছেন। তিনি একুশের চেতনায় জাগ্রত হয় সমস্ত অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য আহ্বান করেছেন। এ কবিতায় যে কাহিনি প্রতিফলিত হয়েছে তা দৃশ্যকল্প-২-এর আলোচনার সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। উভয় ক্ষেত্রেই বাঙালির সংগ্রামী চেতনা এবং রক্ত দিয়ে অধিকার অর্জনের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
110

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি

আমি কি ভুলিতে পারি 

ছেলেহারা শত মায়ের অঙ্গ-গড়া এ ফেব্রুয়ারি 

আমি কি ভুলিতে পারি 

আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারি
 

আমি কি ভুলিতে পারি

জাগো নাগিনীরা জাগো নাগিনীরা জাগো কালবোশেখিরা 

শিশু হত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা, 

দেশের সোনার ছেলে খুন করে রোখে মানুষের দাবি 

দিন বদলের ক্রান্তি লগনে তবু তোরা পার পাবি? 

না, না, না, না, খুন-রাঙা ইতিহাসে শেষ রায় দেওয়া তারই 

একুশে ফেব্রুয়ারি, একুশে ফেব্রুয়ারি ॥
 

সেদিনও এমনি নীল গগনের বসনে শীতের শেষে 

রাত জাগা চাঁদ চুমো খেয়েছিল হেসে;

পথে পথে ফোটে রজনিগন্ধা অলকানন্দা যেন, 

এমন সময় ঝড় এলো এক, ঝড় এলো ক্ষ্যাপা বুনো॥

 

সেই আঁধারের পশুদের মুখ চেনা

তাহাদের তরে মায়ের, বোনের, ভায়ের চরম ঘৃণা 

ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে দেশের দাবিকে রোখে 

ওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে

ওরা এদেশের নয়,

দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয় 

ওরা মানুষের অন্ন, বস্ত্র, শান্তি নিয়েছে কাড়ি

একুশে ফেব্রুয়ারি, একুশে ফেব্রুয়ারি ॥

তুমি আজ জাগো তুমি আজ জাগো একুশে ফেব্রুয়ারি 

আজো জালিমের কারাগারে মরে বীর ছেলে বীর নারী 

আমার শহিদ ভাইয়ের আত্মা ডাকে 

জাগো মানুষের সুপ্ত শক্তি হাটে মাঠে ঘাটে বাঁকে 

দারুণ ক্রোধের আগুনে আবার জ্বালব ফেব্রুয়ারি 

একুশে ফেব্রুয়ারি, একুশে ফেব্রুয়ারি ॥

Related Question

View All
উত্তরঃ

'সেই আঁধারের পশুদের মুখ চেনা' চরণটিতে কবি পাকিস্তানি সেনাদের কথা বলেছেন।

১৯৪৮ সালে যখন সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা বাংলাকে উপেক্ষা করে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা বলে ঘোষণা করা হয় তখনই আঘাত লাগে বাঙালির বুকে। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে তারা, শুরু হয় বাংলা ভাষা আন্দোলন। আন্দোলন ক্রমেই সংগঠিত হয়ে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি তা প্রবল আকার ধারণ করে। সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে তৎকালীন সরকারের পুলিশ গুলি চালায়। এতে ছাত্র-জনতার অনেকে শহিদ হন। তাই কবি সেই শত্রুদের 'অন্ধকারের পশু' বলে অভিহিত করেছেন যাদের বাঙালি জাতি চেনে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
391
উত্তরঃ

দ্বিতীয় উদ্দীপকের আলোকে বলা যায় 'একুশের গান' কবিতায় বর্ণিত 'ওরা এদেশের নয়' চরণটি উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির সত্তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। কারণ এই দিনেই বাঙালি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন বাংলার বীর সন্তানরা।

দ্বিতীয় উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্মম অত্যাচার ও নির্যাতনের কথা। তারা বাঙালির ভাষার ওপর আঘাত করার মধ্য দিয়ে কেড়ে নিতে চায় বাঙালির বুকের স্বপ্ন। নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে বাঙালি সন্তানদের। তাঁদের রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। 'একুশের গান' কবিতায় কবি বলেছেন, 'ওরা' এদেশের নয়। উদ্দীপকের 'ওরা' এবং আলোচা কবিতার 'ওরা' একই। ওরা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। ওরা হত্যা করে এদেশের মানুষকে, ওরা এদেশের নয় বলেই এদেশের মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে নির্বিকার চিত্তে। তাই আমরা বলতে পারি যে, দ্বিতীয় উদ্দীপকের আলোকে 'একুশের গান' কবিতায় বর্ণিত 'ওরা এদেশের নয়' চরণটি উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
246
উত্তরঃ

প্রথম উদ্দীপকের যিনি অভিযাত্রিক তিনিই 'একুশের গান' কবিতার ভাষা-শহিদ- মন্তব্যটি যথার্থ।

জাতীয় জীবনকে একটি স্বতন্ত্র মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করার জন্য অমর একুশের সীমাহীন অবদানের কথা অবশ্য স্বীকার্য। বিশ্বে অকুতোভয় জাতির পরিচয়ে মাথা তুলে স্থান লাভের জন্য এ অনন্য দিনটির গুরুত্ব সর্বাধিক।

উদ্দীপকে দুঃসাহসিক অভিযাত্রিক দলের কথা বলা হয়েছে। তারা - সকল বাধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। তারা নির্ভীক, সাহসী, তারা তরুণ তাজা প্রাণ। তাদের চলার শেষ নেই। এ অভিযাত্রিকরা 'একুশের গান' কবিতার ভাষাশহিদের অনুরূপ। কারণ তারা পাকিস্তানিদের বুলেটের ভয় উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে গিয়েছে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে।
পাকিস্তানিদের রুদ্র মূর্তি তাদের আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে পারেনি। আত্মত্যাগের মাধ্যমে তারা মাতৃভাষা বাংলার অধিকার অর্জন করেছে।

ভাষাশহিদরা নির্ভীক। তাঁরা জাতির গর্বিত সন্তান। তাঁদের মহান আত্মত্যাগেই বাংলা ভাষা আজ রাষ্ট্রভাষার সম্মান লাভ করেছে। পাকিস্তানি পুলিশের বাধার মুখে জীবন বাজি রেখে তারা এগিয়ে গিয়েছে। উদ্দীপকের অভিযাত্রিক দলেরও সেই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। তাই আমরা বলতে পারি যে, প্রথম উদ্দীপকের যিনি অভিযাত্রিক তিনিই 'একুশের গান' কবিতার ভাষাশহিদ- মন্তব্যটি যথার্থ

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
179
উত্তরঃ

'দারুণ ক্রোধের আগুনে আবার জ্বালব ফেব্রুয়ারি'- লাইনটিতে অন্যায়ভাবে গুলিবর্ষণকারী তৎকালীন পাকিস্তানি শোষকদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির জাগ্রত প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে।

'একুশ' বাঙালির সংগ্রামী চেতনার প্রথম ধাপ। একুশের অর্জন বাঙালিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের পথে প্রেরণা জুগিয়েছে। বাঙালি একুশের চেতনা বুকে ধারণ করে স্বাধিকার আন্দোলন, স্বায়ত্তশাসন ইত্যাদি ধাপ পার হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। একুশের চেতনার আগুন দিয়েই কবি সমস্ত অন্যায়, অবিচার নির্মূল করার কথা ব্যক্ত করেছেন প্রশ্নোক্ত লাইনটিতে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
189
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews