UNDP-এর পূর্ণরূপ হলো- United Nations Development Programme.
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় একটি সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংক্রামক ব্যাধি, ম্যালেরিয়া, কলেরা ও ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে তৎপর এ সংস্থা। বিশুদ্ধ পানি, পয়ঃনিষ্কাশন, মা ও শিশু স্বাস্থ্য প্রভৃতিসহ সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে WHO-এর ভূমিকা অনন্য।
জনাব রাব্বী যে বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন, সেই কাজ সম্পাদনকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল বা United Nations International Children's Emergency Fund (UNICEF)। ইউনিসেফ বিভিন্ন দেশের শিশুদের সেবাদান করে। মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, মৌলিক শিক্ষা, স্যানিটেশন ও নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের ত্রাণ সাহায্য প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৪৬ সালে এ সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫০ সাল থেকে এটি বিশ্বের স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের শিশুদের কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করে আসছে।
তাই বলা যায়, ইউনিসেফ-এর কাজ জনাব রাব্বীর বেসরকারি সংস্থার কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
জনাব হাসনাতের সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানটি হলো বিশ্বখাদ্য সংস্থা বা FAO. শুধু কৃষি নয়, জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও সহায়তা করছে এ সংস্থা ।
দৃশ্যকল্প-২-এ দেখা যায়, জনাব হাসনাত' একটি আন্তর্জাতিক সহায়তায় উন্নত কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার করে মুনাফা অর্জনে সাফল্য পেয়েছেন। যা বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (FAO)-কে নির্দেশ করে।
১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থার প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো- ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূরীকরণের মাধ্যমে বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়ন। এ লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য FAO বিভিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছে। যেমন-একটি খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে FAO সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সাহায্য দেয়। এছাড়াও FAO খাদ্যদ্রব্য সরবরাহে সহায়তা ও কৃষির উন্নয়নে পরামর্শ দিয়ে থাকে। জরুরি মোকাবিল্লায় সহায়তা করে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে 'ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদে ও প্রান্তিক চাষিদের প্রযুক্তিগত সহায়তাও দিয়ে থাকে সংস্থাটি।
তাই বলা যায়, FAO শুধু কৃষি নয়, জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও সহায়তা করছে।
Related Question
View Allপৃথিবীতে মোট ১৯৫টি দেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম হলেও, আজকের বিশ্বে কোনো দেশের পক্ষেই অন্যের সহযোগিতা ছাড়া একা চলা সম্ভব নয়। অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এমন কি রাজনৈতিক দিক দিয়েও দেশগুলো একে অপরের উপর কমবেশি নির্ভরশীল। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও নিজেদের উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের পরস্পরের সহযোগিতা নিতে হয়।
পৃথিবীর কোনো দেশের পক্ষেই অন্যের সহযোগিতা ছাড়া একা চলা সম্ভব নয়। এজন্য অন্য দেশ ও সংস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন হয়। সকলের সহযোগিতার মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান ও একটি শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে পৃথিবীতে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।
নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করে ওই অঞ্চলের দেশগুলোকে নিয়ে যে সংস্থা গড়ে ওঠে তাকে আঞ্চলিক সংস্থা বলে। কয়েকটি আঞ্চলিক সংস্থা হলো- সার্ক, আসিয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আফ্রিকান ইউনিয়ন প্রভৃতি।
পুরো পৃথিবীকে কেন্দ্র করে যে সংস্থার বিস্তৃতি ঘটেছে তাকে আন্তর্জাতিক সংস্থা বলে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো- জাতিসংঘ, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন, ওআইসি, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, ফাও, ইউএনএফপিএ, ন্যাটো, ইউএনডিপি, হু প্রভৃতি।
UNICEF-এর পূর্ণরূপ হলো- United Nations International Children's Emergency Fund. (জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক জরুরি শিশু তহবিল)।
ইউনিসেফ জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা যা বিভিন্ন দেশের বিশেষ করে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের শিশুদের কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করে। মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও রোগপ্রতিরোধ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, মৌলিক শিক্ষা, স্যানিটেশন ও নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!