দৃশ্যকল্প-১: ডঃ শাহীন দুর্ভিক্ষ ও বিবাহবিচ্ছেদের উপর একটি গবেষণা পরিচালনা করেন। অপরদিকে তার সহকর্মী ডঃ রায়হান শিশুর আবেগ নিয়ে একটি গবেষণা পরিচালনা করেনে। এজন্য তিনি টেপরেকর্ডার ও ক্যামেরার সাহায্য নেন।

দৃশ্যকল্প-২:

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ

বাহ্যিক চল নিয়ন্ত্রণের কৌশল পাঁচটি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

পরস্পর বিরোধী ফলাফল পুনরায় গবেষণায় প্রবৃত্ত করে বলে একে সমস্যার উৎস বলা হয়।
কয়েকজন গবেষক যদি একই সমস্যার উপর গবেষণা করে পরস্পর বিরোধী ফলাফল পান তাহলে আবার আমরা নতুন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে পড়ি। এই পরিস্থিতিতে সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য বিজ্ঞানীগণ আবার গবেষণা করেন। কেননা এ ধরনের পরস্পর বিরোধী ফলাফলের কোনটি সত্য তা যাচাই করা দরকার। অর্থাৎ এ অবস্থায় পুনরায় একটি সমস্যার সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

খ' চলটি নির্ভরশীল চলকে নির্দেশ করে।
যে চলকে তার উপস্থিতি বা সৃষ্টির জন্য অন্য কোনো চলের উপর নির্ভর করতে হয় তাকে নির্ভরশীল চল বলে। ওয়াইনি 'ওয়াইটেন এর মতে, "নির্ভরশীল চল হলো সেই চল যা অনির্ভরশীল চল প্রয়োগের ফলে প্রভাবিত হয় বলে মনে করা হয়। অনির্ভরশীল চল পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রাণীর আচরণে যেসব পরিবর্তন ঘটে সেগুলোকে বলা হয় নির্ভরশীল চল। উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-২ এ চলের প্রকারভেদ নির্দেশ করা হয়েছে যেখানে 'খ' চলটি নির্ভরশীল চলকে নির্দেশ করে। মনোবিজ্ঞানীদের গবেষণায় জীবের প্রতিক্রিয়া বা সাড়াই হলো নির্ভরশীল চল। যেমন- চালক লাল আলো দেখে গাড়ি থামায় এবং সবুজ আলো জ্বললে গাড়ি চালাতে শুরু করে। এখানে গাড়ি নামানো বা পুনরায় চালানো নির্ভর করছে লাল বা সবুজ আলো জ্বলে ওঠার উপর। তাই গাড়ি থামানো বা পুনরায় চালানো 'হচ্ছে নির্ভরশীল চল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

ক. শাহীন ও জ. রায়যাবের গবেষণায় ব্যবস্তুর পদ্ধতি দুটি যথাক্রমে নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষণ।
নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ হলো পারস্পরিক সম্পর্ক বা কার্যকরণ সম্পর্কের ভিত্তিতে সংঘটিত বিষয়াবলি সঠিকভাবে লক্ষ করা এবং রেকর্ড করা। এজন কতগুলো আচরণ বা ঘটনা আছে যা গবেষণাগারে তৈরি করা যায়না। সেসব ঘটনা অনুসন্ধানে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়। অপরদিকে পরীক্ষণ হলো এখন একটি গবেষণা পদ্ধতি যেখানে অনুসম্মানকারী কতগুলো নির্দিষ্ট চল প্রয়োগ করেন এবং অন্যান্য চলের উপর তাদের প্রমান পরিমাণ করেন। এটি সুনিয়ন্ত্রিত পরিবেশে করা হয় এবং ইচ্ছামতো পুনরুৎপাদন করা যায়। নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির দুটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো-পরীক্ষণপাত্রকে তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে পর্যবেক্ষণ করা এবং পরীক্ষণপাত্রের আচরণে পর্যবেক্ষণকারী কোনোভাবেই প্রতিবশ্যকতা সৃষ্টি করে না। অপরদিকে পরীক্ষণে গবেষক যথাযথ নিয়ম মেনে যখন খুশি তখন ঘটনাটি সৃষ্টি করতে পারেন এবং কতগুলো অবস্থার পরিবর্তন বা গ্রাব-বৃদ্ধি করে ফলাফলের পরিবর্তন লক্ষ করতে পারেন।
উদ্দীপকে ড. শাইন সৃতিক ও বিবাহবিলেদের উপর গবেষণা পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণের সাহায্যে ঘটনার সাথে সংপ্রিন্ট শর্তাবলি খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণকে নির্দশ করা হয়। এছাড়া সামাজিক সংঘর্ণ, দাজা ইত্যাদি ঘটনা ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যববার করা হয়। আবার ড. জাহান শিশুর আবেগ নিয়ে একটি গবেষণা পরিচালনা করেন। এজন্য তিনি টেপরেকর্ডার ও ক্যামেরার সাহায্য নেন। এভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিষেশে গবেষণাকার্য পরিচালনা করা পরীক্ষণ পদ্ধতিতে নির্দেশ করে।
পরিশেষে বলা যায়, পরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ পদ্বতি বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে আলাদা-হলেও উভয়ই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত। উভয়েরই লক্ষ্য কেনো ঘটনার যথার্থ কারণ অনুসন্ধান করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
14

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলতে অনুসন্ধানের সুনির্দিস্ট প্রতিক্রিয়াকে বোঝায়, যার দ্বারা ধারাবাহিক, বস্তুনিষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
22
উত্তরঃ

মনোবিজ্ঞানের পরীক্ষণে কোনো ঘটনার কিছু শর্তকে যখন পরীক্ষকের ইচ্ছানুযায়ী এবং প্রয়োজনানুসারে পরিবর্তন করে পরীক্ষণের ওপর থেকে প্রভাবমুক্ত রাখা হয় তখন তাকে নিয়ন্ত্রণ বলা হয়।
নিয়ন্ত্রণ বলতে মূলত পরীক্ষণে চলের নিয়ন্ত্রণকেই বোঝায়। চলের নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষণ পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। পরীক্ষণ পরিচালনায় গবেষককে অনির্ভরশীল চল ব্যতীত অন্য যেসব চল নির্ভরশীল চলকে প্রভাবিত করতে পারে সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। একারণে পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
20
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'C' চিহ্নিত স্থানটি মধ্যবর্তী চলকে নির্দেশ করে।
পরীক্ষণে চল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মূলত চল বলতে তাকে বোঝায় যা পরিবর্তনশীল। চলকে প্রধানত অনির্ভরশীল, নির্ভরশীল, মধ্যবর্তী ও বাহ্যিক- এই চার ভাগে ভাগ করা যায়। উদ্দীপকের ছকে বিভিন্ন প্রকার চলের প্রকারভেদ দেখানো হয়েছে। অতএব বলা যায়, 'C' চিহ্নিত স্থানে মধ্যবতী বা অন্তবর্তী চলকেই নির্দেশ করা হয়েছে। অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী চলকে মধ্যবর্তী চল বা অন্তবর্তী চল বলে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই চলকে যোগ সাধনকারী চল হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। পরীক্ষণ পরিচালনার সময় এই মধ্যবর্তী চল কিছুটা অন্য রকমের হয়। এক্ষেত্রে মধ্যবর্তী চল দুই রকমের হতে পারে। যথা: ১. মনস্তাত্ত্বিক চল, যেমন- বুদ্ধি, শিক্ষণ, ব্যক্তিত্ব, প্রেষণা, চিন্তন, আবেগ ইত্যাদি এবং ২. শরীরবৃত্তীয় চল, যেমন-বয়স, লিঙ্গ, স্বাস্থ্যগত অবস্থা ইত্যাদি। সাপেক্ষ চলের ওপর অনির্ভরশীল চলের প্রভাব মধ্যবর্তী চলের প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ কারণে মধ্যবর্তী চলগুলো পরীক্ষণে অবাস্তব উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই একটি ভালো পরীক্ষণ চালাতে এসব চলকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যাতে এদের প্রভাব সাপেক্ষ চলে পড়তে না পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
24
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A' ও 'D' চিহ্নিত স্থান দুটি যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চলকে নির্দেশ করে।
'A' চিহ্নিত স্থানে নির্দেশিত অনির্ভরশীল চল 'উদ্দীপক চল' বা 'নিরপেক্ষ চল' নামেও পরিচিত। মূলত গবেষক প্রাণীর আচরণের ওপর যে সকল চলের প্রভাব লক্ষ করেন সে সকল চলই হচ্ছে অনির্ভরশীল চল। এখানে গবেষক তার ইচ্ছানুসারে অনির্ভরশীল চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় শব্দ, আলোকরশ্মি, বিদ্যুৎপ্রবাহ ইত্যাদিকে উদ্দীপক বা অনির্ভরশীল চল হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ অর্থে বলা যায়, যে চলকে তার উপস্থিতি বা সৃষ্টির জন্য অন্য চলের ওপর নির্ভর করতে হয় না তাকে অনির্ভরশীল বা স্বাধীন চল বলা হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, পরীক্ষণের ফলাফলের ওপর যেসব চল অবাঞ্ছিতভাবে প্রভাব বিস্তার করে সেসব চলকে বাহ্যিক চল বলে। যেমন- গবেষণাগারের পরিবেশ, আলো, বাতাস, তাপমাত্রা, শব্দ ইত্যাদি যদি গবেষণা কাজে সমস্যা সৃষ্টি করে তবে এগুলোকে বাহ্যিক চলা বলা যাবে। উদাহরণস্বরূপ, মুখস্থ করার সময় যদি কক্ষের তাপমাত্রা খুব বেশি থাকে অথবা কক্ষের বাইরে যদি তখন তুমুল হট্টগোল চলতে থাকে, তাহলে তা মুখস্থ করার ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাই এই চলটিকেও এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যাতে পরীক্ষণের উপর এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে।
-পরিশেষে বলা যায়, অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চল উভয়ই পরীক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্ব বহন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
28
উত্তরঃ

কোনো পরীক্ষা পরিচালনা করার পূর্বেই উক্ত পরীক্ষণের সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে যে আনুমানিক ধারনা ঠিক করা হয় তাকে প্রকল্প বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
19
উত্তরঃ

পরীক্ষণ পদ্ধতি হলো এমন একটি সুপরিকল্পিত ও সুনিয়ন্ত্রিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চলসমূহের কার্যকারণগত সম্পর্ক নির্ণয় ও পরিমাপ করা হয়।
মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে পরীক্ষণ পদ্ধতি হলো মানুষ বা প্রাণীর আচরণ ও মানসিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নির্ণয়ের একটি সুপরিকল্পিত ও সুনিয়ন্ত্রিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্যাবলি বর্তমান থাকে। এ কারণেই পরীক্ষণ পদ্ধতিকেই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
25
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews