ইউএনডিপির প্রধান কাজ হচ্ছ- বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়নে সহায়তা করা।
বর্তমানে বিশ্বের দেশগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম হলেও একে অপরের ওপর কমবেশি নির্ভরশীল। প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব 'সমস্যা রয়েছে। যা সমাধানে অন্য দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন হয়। তাই সকলের সহযোগিতার মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান ও একটি শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তুলতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
দৃশ্যকল্প-২-এর বর্ণিত সমস্যা সমাধানে তৎপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO। দৃশ্যকল্প-২-এ বলা হয়েছে, বন্যার পর বিশুদ্ধ পানির অভাব প্রকট হয়। ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ে মহামারী আকারে। আর এসব সমস্যা সমাধানে তৎপর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO-কে ইঙ্গিত করে। WHO-এর পুরো নাম World Health Organization। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় একটি সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থার সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে। বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে এ সংস্থা ভূমিকা পালন করছে। দেশ থেকে সংক্রামক ব্যাধি দূর করতে সাহায্য করছে। শিশুদের ৬টি ঘাতক রোগ প্রতিরোধেও সংস্থাটি অবদান রাখছে। এছাড়া' দেশ থেকে ম্যালেরিয়া দূরীকরণ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি, মাতৃ ও শিশু মৃত্যু হার কমানোর জন্যও কাজ করছে সংস্থাটি। কলেরা ও ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অবদান উল্লেখযোগ্য।
দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত অবস্থায় কৃষকদের সহায়তায় এগিয়ে আসে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা।
দৃশ্যকল্প-২-এ উল্লিখিত বন্যার পর বিশুদ্ধ পানির অভাব প্রকট হয়। ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ে মহামারী আকারে। আর এসব সমস্যা সমাধানে তৎপর হয় একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। যা বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বা FAO- কে নির্দেশ করে।- FAO-এর পুরো নাম Food and Agriculture Organization। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থার সদর দপ্তর ইতালির রাজধানী রোমে। সংস্থাটি সারা বিশ্বে ক্ষুধার বিরুদ্ধে কাজ করছে। বাংলাদেশের খাদ্য ও কৃষির উন্নয়নে FAO গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বাংলাদেশ খাদ্যে পুরাপুরি স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। উপরন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই আমাদের দেশে খাদ্য সংকট দেখা দেয়। এই সমস্যার মোকাবিলায় একটি খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে FAO সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সাহায্য দেয়। এছাড়াও FAO খাদ্যদ্রব্য সরবরাহে সহায়তা ও কৃষির উন্নয়নে পরামর্শ দিয়ে থাকে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা করে। ঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের প্রযুক্তিগত সহায়তাও দেয় সংস্থাটি।
Related Question
View Allপৃথিবীতে মোট ১৯৫টি দেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম হলেও, আজকের বিশ্বে কোনো দেশের পক্ষেই অন্যের সহযোগিতা ছাড়া একা চলা সম্ভব নয়। অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এমন কি রাজনৈতিক দিক দিয়েও দেশগুলো একে অপরের উপর কমবেশি নির্ভরশীল। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও নিজেদের উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের পরস্পরের সহযোগিতা নিতে হয়।
পৃথিবীর কোনো দেশের পক্ষেই অন্যের সহযোগিতা ছাড়া একা চলা সম্ভব নয়। এজন্য অন্য দেশ ও সংস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন হয়। সকলের সহযোগিতার মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান ও একটি শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে পৃথিবীতে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।
নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করে ওই অঞ্চলের দেশগুলোকে নিয়ে যে সংস্থা গড়ে ওঠে তাকে আঞ্চলিক সংস্থা বলে। কয়েকটি আঞ্চলিক সংস্থা হলো- সার্ক, আসিয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আফ্রিকান ইউনিয়ন প্রভৃতি।
পুরো পৃথিবীকে কেন্দ্র করে যে সংস্থার বিস্তৃতি ঘটেছে তাকে আন্তর্জাতিক সংস্থা বলে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো- জাতিসংঘ, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন, ওআইসি, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, ফাও, ইউএনএফপিএ, ন্যাটো, ইউএনডিপি, হু প্রভৃতি।
UNICEF-এর পূর্ণরূপ হলো- United Nations International Children's Emergency Fund. (জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক জরুরি শিশু তহবিল)।
ইউনিসেফ জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা যা বিভিন্ন দেশের বিশেষ করে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের শিশুদের কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করে। মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও রোগপ্রতিরোধ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, মৌলিক শিক্ষা, স্যানিটেশন ও নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!