দৃশ্যকল্প-১। বাবার মৃত্যুতে শফিক দিশেহারা হয়ে গেলে তার খালু তাকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে বলেন, দেখ তোমার দাদা, নানা, চাচা, আরও অনেকে মারা গেছেন, আমিও একদিন মারা যাব। কারণ সকল মানুষই মরণশীল।

দৃশ্যকল্প-২। রফিক তার কলাবাগান পরীক্ষা করে মোট ২০ কাঁদি কলা পেয়েছে। সে প্রত্যেক কাঁদি কলা পরীক্ষা করে দেখল যে সবকটি কাঁদির কলাই পুষ্ট হয়েছে। তখন সে সিদ্ধান্ত নিল যে, বাগানের সকল কলাই পুষ্ট।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

যা কিছুকে আমরা প্রত্যক্ষ করি এবং যা-কিছুকে আমরা মনের সম্মুখে রাখি তাই হলো নিরীক্ষণ। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পরীক্ষণের সকল ক্ষেত্রে নিরীক্ষণ সম্ভব। নিরীক্ষণ ব্যতীত পরীক্ষণ সম্ভব নয়। কোনো বিষয় বা ঘটনাকে পরীক্ষণ করতে গেলে নিরীক্ষণ করতে হয়। অর্থাৎ পরীক্ষণ নিরীক্ষণের উপর নির্ভরশীল। পরীক্ষক পরীক্ষা কার্য চালাতে গেলে আগে নিরীক্ষণ করতে হয়। নিরীক্ষণ সুষ্ঠু ও নিশ্চিত হলেই কেবল পরীক্ষণকার্য সত্য হয় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ আরোহ অনুমানের প্রকাশ ঘটেছে। জানা সত্য থেকে অজানা সত্য সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করাই মূলত অনুমান। অনুমান দুই ধরনের- অবরোহ অনুমান ও আরোহ অনুমান। বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের সাদৃশ্য বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে সার্বিক দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠার সারধর্মকে 'আরোহ' বলে। অর্থাৎ কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ ও নিরীক্ষণ করে তার ভিত্তিতে সার্বিক সিদ্ধান্ত স্থাপন করা। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ দেখা যাচ্ছে যে শফিকের বাবার মৃত্যুতে তাকে তার খালু সান্ত্বনা দিচ্ছে যে তোমার দাদা মারা গেছে, চাচা মারা গেছে, আজ তোমার বাবা মারা গেলো। মূলত পৃথিবীর সবাই একদিন মারা যাবে।সবাই মরণশীল। মূলত এখানে আরোহ অনুমানের প্রকাশ ঘটেছে। একে আমরা যদি যুক্তি আকারে লিখি তবে দেখতে পাই-

শফিকের দাদা মারা গেছেন।
 নানা মারা গেছেন। চাচা মারা গেছেন।
 আরও অনেকে মারা গেছেন।'
 সকল মানুষ মরণশীল।

দেখা যাচ্ছে যে বিশেষ আশ্রয়বাক্যের সাহায্যে সার্বিক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। শফিকের দাদা, চাচা, নানা মারা গেছেন, আর অনেকে মারা গেছেন। সুতরাং সবাইকে মরতে হবে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে উদ্দীপকের ১নং দৃশ্যকল্পে আরও অনুমানের প্রকাশ ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এর মধ্যে আরোহ অনুমানে দৃশ্যকল্প-২ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দৃশ্যকল্প-১ হচ্ছে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি এবং দৃশ্যকল্প-২ হচ্ছে কার্যকারণ নীতির নিরীক্ষণ নীতি।" দৃশ্যকল্প-১ এ আমরা প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি দেখতে পাই- এখানে বলা হয়েছে, যেহেতু-

শফিকের দাদা মারা গেছেন।
 নানা মারা গেছেন।
 চাচা মারা গেছেন।
∴  সকল মানুষ হয় মরণশীল।

উপরের দৃষ্টান্তে দেখা যাচ্ছে যে, শফিকের দাদা মারা গেছে, নানা মারা গেছে, চাচা মারা গেছে। তাদের মৃত্যু প্রত্যক্ষ করে এই জ্ঞান লাভ করা যায় যে, সবাই মারা যাবে। এটি অত্যন্ত সীমিত জ্ঞান। কারণ অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সকল মানুষ যে মরণশীল এই জ্ঞান লাভ করা অসম্ভব। সুতরাং প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতিতে বিশ্বাস করে কিছু সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে সব মানুষ মরণশীল সম্পর্কে একটা সিদ্ধান্ত স্থাপন করি। দৃশ্যকল্প-২ এ আমরা যে বিষয়টি পাই তা হলো- রফিক তার কলাবাগানের প্রতি কাঁদির প্রতিটি কলা পরীক্ষা করে দেখলো যে সবগুলা পুষ্ট। তাই বাগানের সব কলা পুষ্ট। প্রত্যেক কাঁদি কলা পরীক্ষা করলো ও দেখলো সবকলা পুষ্ট। এভাবে বাগানের মোট ২০ কাঁদি কলা পরীক্ষা করলো এবং দেখলো যে সব কলা পুষ্ট।

সে সিদ্ধান্ত নিলো বাগানের সব কলা পুষ্ট। আরোহ অনুমানের আশ্রয়বাক্যগুলো যে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত তা নিরীক্ষণের মাধ্যমে যাচাই করে প্রতিপাদন করে থাকি। কলাগুলোকে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে তথা প্রতিটি কলাকে দেখে নিরীক্ষণের মাধ্যমে জানতে পারলাম যে তা পুষ্ট। সুতরাং উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এর থেকে দৃশ্যকল্প-২ আরোহ অনুমানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
203

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো কার্যকে ঘটানোর জন্য যে সকল পূর্ববর্তী ঘটনার প্রয়োজন হয় তাদের সমষ্টিকে 'কারণ' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
উত্তরঃ

কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো ঘটনাকে, সুনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রত্যক্ষণ করাই হলো 'নিরীক্ষণ'। আর কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে গবেষণাগারে যন্ত্রপাতির সাহায্যে উৎপাদিত ঘটনাবলির সুনিয়ন্ত্রিত প্রত্যক্ষণ হলো পরীক্ষণ। পরীক্ষণ এক ধরনের নিরীক্ষণ। পৃথিবীতে অনেক ঘটনা রয়েছে, যেগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়, যেমন- ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি। এগুলো নিরীক্ষণ ব্যতীত পরীক্ষণ করা। যায় না। পরীক্ষণের ক্ষেত্র কেবল গবেষণাগারে কিন্তু নিরীক্ষণের ক্ষেত্র সর্বত্র। এজন্য নিরীক্ষণের ব্যাপকতা পরীক্ষণ থেকে বেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
318
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাঁশঝাড় সম্পর্কে ইকবালের ভাবনা ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণের দিকটি নির্দেশ করা হয়েছে। নিরীক্ষণের মাধ্যমে আমরা অভিজ্ঞতার জগতের নানা বিষয় সম্পর্কে ধারণা লাভ করি। অর্থাৎ বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো ঘটনাকে সুনিয়ন্ত্রিত প্রত্যক্ষণ হলো নিরীক্ষণ। নিরীক্ষণ সব সময় অ-ভ্রান্ত হয় না, ভ্রান্ত নিরীক্ষণও হয়। ভ্রান্ত নিরীক্ষণ বা নিরীক্ষণ জাতীয় অনুপপত্তিকে দুভাগে ভাগ করা হয়। ১. সদর্থক জাতীয় অনুপপত্তি, ২. নঞর্থক জাতীয় অনুপপত্তি। সদর্থক জাতীয় অনুপপত্তি হলো ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। এটি দুই ধরনের- ১. ব্যক্তিগত, ২. সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। বাঁশঝাড় সম্পর্কে ইকবালের ভাবনা ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। কারণ ভ্রান্ত নিরীক্ষণ হলো তাই যা- যখন কোনো বস্তু যেরূপ তাকে সেভাবে না দেখে ভিন্নরূপে দেখা। ইকবাল বাঁশঝাড়কে বাঁশঝাড়রূপে না দেখে ভিন্নরূপ ভূত বলে মনে করে চিৎকার করে। এটি ব্যক্তিগত কারণ নিরীক্ষণে কেবল ব্যক্তিবিশেষের বেলায় প্রযোজ্য দেখা যাচ্ছে যে দুজন একসঙ্গে যাচ্ছেলো কিন্তু ইকবাল 'ভূত' বলে চিৎকার করলেও তামিম সে ভুল করেনি। অর্থাৎ ইকবালের সে ভ্রান্ত ধারণা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
234
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তামিম এবং ইকবাল দুজনেই ভ্রান্ত ধারণা বা ভ্রান্ত নিরীক্ষণের শিকার। তামিমের ভ্রান্ত নিরীক্ষণ ছিল সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ এবং ইকবালের যে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ ছিল তা হলো ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ।

নিরীক্ষণ হলো- যা কিছু আমরা প্রত্যক্ষ করি এবং যা কিছুকে আমরা মনের সম্মুখে রাখি। নিরীক্ষণজনিত ভুল হলো ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। কোনো বস্তু বা ঘটনাকে যেভাবে দেখার কথা সেভাবে না দেখে ভিন্নভাবে বা ভুলভাবে দেখা হলো ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। ইকবাল অন্ধকারে বাঁশঝাড় দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠে ভূত ভূত বলে। আসলে সেটি ভূত যে নয়, সেটি বাঁশঝাড় ছিল। তামিম, ইকবালকে সেটাই দেখালো এবং তাঁর ভুল ভাঙালো। ইকবালের এই ভ্রান্ত ধারণা ছিল ব্যক্তিগত। দুজন একসঙ্গে থেকেও ইকবাল বাঁশঝাড়কে ভূত মনে করলেও তামিম তা করেনি। সুতরাং ইকবালের বাঁশঝাড় সম্পর্কে যে ভুল ছিল তা হলো ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। তামিম, ইকবালের ব্যক্তিগত ভুল ভাঙালো কিন্তু সে যে ভুল করলো সেটা হলো সর্বজনীন ভুল। যে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ কেবল ব্যক্তিবিশেষের বেলায় নয় বরং সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেটা মূলত সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। উদ্দীপকে তামিমের মতো প্রায় সবাই বলে যে সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ে যার ফলে সন্ধ্যা হয়। সূর্য কখনো পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ে না বরং পৃথিবী যেহেতু সূর্যের চারদিকে ঘুরে, সেহেতু একটা সময় আসে যখন পৃথিবীর একটা অংশ সূর্য থেকে আড়াল হয় এবং অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। সুতরাং, তামিম ও ইকবালের ধারণা বা নিরীক্ষণ ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। ইকবালের ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ এবং তামিমের যে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ তা হলো সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
314
উত্তরঃ

যা কিছুকে আমরা প্রত্যক্ষ করি এবং যা-কিছুকে আমরা মনের সম্মুখে রাখি তাই হলো নিরীক্ষণ। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
606
উত্তরঃ

পরীক্ষণের সকল ক্ষেত্রে নিরীক্ষণ সম্ভব। নিরীক্ষণ ব্যতীত পরীক্ষণ সম্ভব নয়। কোনো বিষয় বা ঘটনাকে পরীক্ষণ করতে গেলে নিরীক্ষণ করতে হয়। অর্থাৎ পরীক্ষণ নিরীক্ষণের উপর নির্ভরশীল। পরীক্ষক পরীক্ষা কার্য চালাতে গেলে আগে নিরীক্ষণ করতে হয়। নিরীক্ষণ সুষ্ঠু ও নিশ্চিত হলেই কেবল পরীক্ষণকার্য সত্য হয় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
343
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews