যে মানচিত্রে কোনো দেশ বা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিষয় যেমন পর্বত, মালভূমি, মরুভূমি, নদী, হ্রদ ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য থাকে তাকে প্রাকৃতিক মানচিত্র (Physical map) বলে।
মানচিত্র পঠনের মাধ্যমে সারা বিশ্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা যার। এর মাধ্যমে সারা বিশ্বের প্রাকৃতিক পরিবেশ (যেমন- জলবায়ু, উদ্ভিজ্জ); ভূমিরূপ (যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমির অবস্থান); সাংস্কৃতিক পরিবেশ (যেমন- জনসংখ্যার বণ্টন, কৃষি উৎপাদন, গ্রাম ও নগরের অবস্থান) ইত্যাদি সম্পর্কে জানা যায়। তাই খুব কম সময়ে ঘরে বসে সারা বিশ্বকে জানার জন্য মানচিত্রের বিকল্প নেই।
দৃশ্যকল্প-১ এ মন্টি যে মানচিত্র দেখেছে সেগুলো হলো প্রাকৃতিক মানচিত্র।
কার্যের (function) উপর ভিত্তি করে মানচিত্রকে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে একটি হচ্ছে প্রাকৃতিক মানচিত্র। যে মানচিত্রে কোনো দেশ বা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ভূমিরূপ যেমন- পর্বত, মালভূমি, মরুভূমি, নদী, হ্রদ ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য থাকে তাকে প্রাকৃতিক মানচিত্র বলে। দৃশ্যকল্প-১ এ মন্টির দেখা মানচিত্রে এশিয়ার পর্বত,
মালভূমি ও সমভূমি সম্পর্কে তথ্য ছিল। সুতরাং সে প্রাকৃতিক মানচিত্র দেখেছিল।
দৃশ্যকল্প-২ এ মন্টির দেখা মানচিত্র ছিল সাংস্কৃতিক মানচিত্র (Cultural map)। এ ধরনের মানচিত্রে ভূপৃষ্ঠের প্রাকৃতিক উপাদানসমূহ দেখানো হয় না, বরং মনুষ্যসৃষ্ট উপাদান (man made elements) দেখানো হয়।
সাংস্কৃতিক মানচিত্রকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
1 রাজনৈতিক মানচিত্র: বিভিন্ন দেশ বা রাষ্ট্রের সীমানা দেখিয়ে এই মানচিত্র তৈরি করা হয়। এর মধ্যে কোনো দেশ বা রাষ্ট্রের রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ শহরও দেখানো হয়।
ii. বণ্টন মানচিত্র: যেসব মানচিত্রে কোনো একটি অঞ্চল বা দেশের জনসংখ্যা, শস্য, জীবজন্তু, শিল্প ইত্যাদির বণ্টন দেখানো হয় তাকে বণ্টন মানচিত্র (distribution map) বলে।
iii. ঐতিহাসিক মানচিত্র : ঐতিহাসিক কোনো স্থান বা নিদর্শন
(যেমন- মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সেক্টর) দেখানোর জন্য যেসব মানচিত্র তৈরি করা হয় সেগুলোকে ঐতিহাসিক মানচিত্র বলে।
iv. সামাজিক মানচিত্র: পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সমাজ ব্যবস্থার
(যেমন- যৌতুক প্রথার প্রসার) উপর ভিত্তি করে এই মানচিত্রগুলো তৈরি করা হয়। যারা সামাজিক প্রথা ও বৈষম্য নিয়ে গবেষণা করেন তারা এই মানচিত্র ব্যবহার করেন।
v. ভূমি ব্যবহার মানচিত্র: কোন ভূমি কী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে
(landuse) তার উপর ভিত্তি করে যে মানচিত্র তৈরি করা হয় তাকে ভূমি ব্যবহার (landuse map) মানচিত্র বলে।
Related Question
View Allআকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
জাউদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা = ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা
সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা
= ৬ ঘণ্টা
= (৬৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!