দৃশ্যকল্প-১: মহানগর কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির নির্বাচনি গে দশজন শিক্ষার্থীর ইংরেজি বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বর নিম্নরূপ: ৫০, ৫৫, ৬২, ৬৫, ৬৬, ৬৮, ৭০, ৭২, ৭৪, ৭৫।

দৃশ্যকল্প-২: নিচের উপাত্তগুলো লক্ষ করো (আরম্ভ সংখ্যা ২৫, শ্রেণি ব্যবধান ৫): ৪২, ৪০, ৩৯, ৫৫, ৫০, ৪৭, ৪৬, ৩৯, ৩৬, ৪০, ৪১, ৫২, ৩১, ৩০, ৪০, ২৭, ৪৬, ৪৪, ৩৬, ৩১, ৩৮, ৪৬, ৪৪, ৪৮, ৪৯, ৪২, ৩০, ৪১, ৩১, ৪২

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বিন্যাসের ভিত্তিতে উপাত্তকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

উত্তরঃ

বিন্যস্ত উপাত্তের মধ্যমার সূত্র:

এখানে, Mdn = মধ্যমা/মধ্যক

L = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে সেই শ্রেণির প্রকৃত নিম্নসীমা।
Cfl = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে তার নিচের শ্রেণির ক্রমবর্ধিষ্ণু পৌনঃপুন্য।

f = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে সেই শ্রেণির পৌনঃপুন্য।
N = পৌনঃপুন্যের সমষ্টি।
i = শ্রেণিসীমা

উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ এ মহানগর কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির নির্বাচনি দশজন শিক্ষার্থীর ইংরেজি বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বর- ৫০, ৫৫, ৬২, ৬৫, ৬৬, ৬৮, ৭০, ৭২, ৭৪, ৭৫।
এখন নম্বরগুলো যোগ করতে হবে।

X=৫০+৫৫+৬২+৬৫+৬৬+৬৮+৭০+৭২+৭৪+৭৫

= ৬৫৭

= ৬৫.৭

নির্ণেয় গড় ৬৫.৭।

এখানে,

X = গড়

= সাফল্যাঙ্কগুলোর যোগফল ৬৫৭

=সাফল্যাঙ্কগুলোর যোগফল ৬৫৭

N = সাফল্যাঙ্কের মোট সংখ্যা ১০

উত্তরঃ

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-২ এ উপাত্তগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সংখ্যা =

৫৫ এবং সবচেয়ে ছোট সংখ্যা = ২৭।

পরিসর = সবচেয়ে বড় সংখ্যা- সবচেয়ে ছোট সংখ্যা + ১

= (৫৫ – ২৭) + ১

= ২৮ + ১

= ২৯

আবার, শ্রেণি সংখ্যা= পরিসর

শ্রেপিসীমা

= ২৯

= ৫.৮

পৌনঃপুন্য বণ্টন সারণি প্রস্তুতকরণ এবং ক্রমবর্ধিষ্ণু পৌনঃপুন্য নির্ণয়।

শ্রেণি ব্যবধান

টালি

পৌনঃপুন্য

ক্রমবর্ধিষ্ণু পৌনঃপুন্য

২৫-২৯

l

৩০

৩০-৩৪

llll

২৯

৩৫-৩৯

llll

২৪

৪০-৪৪

llll llll

১০

১৯

৪৫-৪৯

lllll

৫০-৫৪

ll

৫৫-৫৯

l

N = ৩০

144
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো বণ্টনের সবচেয়ে বড় সংখ্যা থেকে সবচেয়ে ছোট সংখ্যার বিয়োগফলের সাথে ১ যোগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাকে পরিসর বলে।

529
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় প্রবণতা হলো তথ্যসারির একটি প্রতিনিধিত্বকারী মান যার চারদিকে অন্যান্য সংখ্যা জড়ো হয়। কেন্দ্রীয় প্রবণতা বলতে বোঝায় X-অক্ষের ওপর একদল সাফল্যাঙ্ককের অবস্থান অথবা একটি পৌনঃপুন্য বণ্টনের সাফল্যাংকের একটি কেন্দ্রীয় বিন্দুর চার পাশে জড় হওয়ার প্রবণতা। আমরা যখন কোনো পৌনঃপুন্যের বণ্টন লক্ষ করি তখন দেখা যায় যে, সাফল্যাঙ্কগুলোর বণ্টনের মাঝামাঝি বিন্দুতে, অর্থাৎ কেন্দ্রস্থলে স্তূপীকৃত হওয়ার এবং দুই প্রান্তে ক্রমশ বিরল হয়ে আসার একটা প্রবণতা রয়েছে। একে কেন্দ্রীয় প্রবণতা বলে।

1.8k
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ এর 'B' চিহ্নিত স্থানে মধ্যক বা মধ্যমাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
দৃশ্যকল্প-১ কেন্দ্রীয় প্রবণতা বিভিন্ন পরিমাপকে দেখানো হয়েছে। আমরা জানি, কেন্দ্রীয় প্রবণতার কেন্দ্রমুখী অংশসমূহকে ৩টি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: গড় বা গাণিতিক গড়, মধ্যক বা মধ্যমা এবং কেন্দ্রিক বা প্রচুরক। প্রদত্ত ছকের প্রথমাংশে গড় উল্লেখ থাকায় এটা খুব সহজেই অনুমান করা যায় যে 'B' অংশে মধ্যক বা মধ্যমা এবং 'C' অংশে কেন্দ্রীক বা প্রচুরককে নির্দেশ করা হয়েছে।
দৃশ্যকল্প-১ এ 'B' চিহ্নিত স্থান তথা মধ্যমা বা মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র

নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-অবিন্যস্ত উপাত্ত থেকে মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র হলো-

Mdn = N+1 তম সংখ্যা

2

এখানে, N হলো সাফল্যাঙ্ককের মোট সংখ্যা সংখ্যাগুলোকে ক্রমানুসারে সাজিয়ে মোট সাফল্যাংক তথা N এর সাথে ১ যোগ করে ২ দ্বারা ভাগ করতে হবে। প্রাপ্ত সংখ্যাটি হবে মধ্যক। বিন্যাস্ত উপাত্ত থেকে মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র হলো-

এখানে Mdn= মধ্যক

L = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে সেই শ্রেণির প্রকৃত নিম্নসীমা।

cfl = মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে তার নিচের শ্রেণির ক্রমবর্ধিষ্ণু পৌনঃপুন্য

f= মধ্যক যে শ্রেণিতে আছে সেই শ্রেণির পৌনঃপুন্য

N = পৌনঃপুন্যের সমষ্টি।

i = শ্রেণিসীমা

300
উত্তরঃ

প্রদত্ত সারণি হতে 'C' চিহ্নিত পরিমাপটি তথা প্রচুরক নিচে নির্ণয় করে দেখানো হলো-

শ্রেণি ব্যবধান

পৌনঃপুন্য

৪০-৪৪

৩৫-৩৯

৩০ - ৩৪

২৫- ২৯

২০- ২৪

১৫ - ১৯

১০-১৪

N = ৪০

এখন, প্রচুরক =Lmo

Lmo = যে শ্রেণির পৌনঃপুন্য সবচেয়ে বেশি সেই শ্রেণির প্রকৃত নিম্নসীমা

fa = সবচেয়ে বেশি পৌনঃপুন্য বিশিষ্ট্য শ্রেণির পূর্ববর্তী শ্রেণির পৌনঃপুন্যের পার্থক্য।

fb = সবচেয়ে বেশি পৌনঃপুন্য বিশিষ্ট্য শ্রেণির পরবর্তী শ্রেণির পৌনঃপুন্যের পার্থক্য

i = শ্রেণিসীমা

এখন,

= ২৪.৫ + ১.৬৭

= ২৬.১৭

নির্ণেয় প্রচুরক ২৬.১৭।

204
উত্তরঃ

কোনো বণ্টনের সবচেয়ে বড় সংখ্যা থেকে সবচেয়ে ছোট সংখ্যার বিয়োগফলের সাথে ১ যোগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাকে পরিসর বলে।

2.2k
উত্তরঃ

পরিসরকে শ্রেণি ব্যবধান দ্বারা ভাগ করলে পাওয়া যাবে শ্রেণিসংখ্যা।
পৌনঃপুন্য বণ্টনের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো শ্রেণিরসংখ্যা নির্ণয় করা।
শ্রেণিসংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো:


শ্রেণিসংখ্যা = পরিসর

শ্রেণি ব্যবধান
শ্রেণিসংখ্যা প্রাপ্ত তথ্যের ওপর নির্ভর করলেও সাধারণত ৫ থেকে ১০ এর মধ্যে হলে ভালো হয়।

566
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews