দৃশ্যকল্প-২: শিশুর আচরণ নিয়ে গবেষণার জন্য ড. শাকিল তাঁর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশে টেপরেকর্ডার ও ক্যামেরার ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন।

Updated: 2 weeks ago
উত্তরঃ

কোনো পরীক্ষণ পরিচালনা করার পূর্বেই উক্ত পরীক্ষণের সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে যে আনুমানিক ধারণা ঠিক করা হয় তাকে প্রকল্প বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

পুনরাবৃত্তি পরীক্ষণ পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। কোনো বিষয় বা ঘটনার ওপর বারবার পরীক্ষণকার্য পরিচালনা করাকে পরীক্ষণে পুনরাবৃত্তি বলা হয়।
পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পূর্বে পরীক্ষণপ্রাপ্ত কোনো বিষয়কে পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক গবেষণাকার্য পরিচালনা করা হয়। যার মাধ্যমে গবেষণালব্ধ ফলাফলের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা যায়। তাই পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

ড. শাকিল তাঁর গবেষণায় নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করেন।
নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি হলো এমন একটি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যেখানে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো বিষয় বা ঘটনার সামনে উপস্থিত হয়ে প্রত্যক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। মূলত এমন কতগুলো আচরণ রয়েছে, যা গবেষণাগারে সৃষ্টি করা যায় না। এসব আচরণ বা ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 'নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির একটি ভাগ হলো প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণের অন্যতম দুটি বৈশিষ্ট্য হলো প্রথমত পর্যবেক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে পরীক্ষণপাত্রের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে এবং দ্বিতীয়ত, পরীক্ষণ পাত্রের স্বাভাবিক আচরণ যাতে বিঘ্নিত না হয়, পর্যবেক্ষণকারী সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখেন।
দৃশ্যকল্প-২ এ ড. শাকিল স্বাভাবিক পরিবেশে টেপরেকর্ডার ও ক্যামেরা ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করে শিশুর আচরণের ওপর গবেষণা করেন। এ থেকে স্পষ্ট হয় ড. শাকিলের গবেষণার পদ্ধতিটি হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ এর ক্ষেত্রে 'A' ও 'B' চল বলতে যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চলকে নির্দেশ করে।
যে চল অন্য কোনো চলের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেই স্বাধীনভাবে অন্য উদ্দীপক বা আচরণের ওপর প্রতিক্রিয়া বা পরিবর্তন আনতে সক্ষম তাকে অনির্ভরশীল চল বলে। পরীক্ষণকারী পরীক্ষণের প্রয়োজনে তার ইচ্ছানুযায়ী অনির্ভরশীল চলের হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। উদাহরণস্বরূপ একজন গাড়িচালক শহরের রাস্তায় গাড়ি চালাতে চালাতে ট্রাফিক মোড়ে লাল আলো জ্বলে ওঠায় গাড়ি চালাতে শুরু করল। এখানে আলোর উপস্থাপন অর্থাৎ লাল বা সবুজ আলো হচ্ছে অনির্ভরশীল চল। আলো উপস্থাপনের সাথে সাথে পরীক্ষণপাত্র প্রতিক্রিয়া করবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন বর্ণের আলোর উপস্থাপন 'হলো নির্ভরশীল চল। অনির্ভরশীল চল সবসময় পরীক্ষণকারীর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

অন্যদিকে, যে চল তার উপস্থিতি বা সৃষ্টির জন্য অনির্ভরশীল চলের ওপর নির্ভর করে তাকে নির্ভরশীল চল বলে। এ চল অনির্ভরশীল চলের দ্বারা সৃষ্ট, প্রভাবিত যা পরিবর্তিত হয়। উপরের উদাহরণে দেখা যায় যে, চালক লাল আলো দেখে গাড়ি থামিয়ে দেয় এবং সবুজ আলো জ্বলে উঠলে গাড়ি চালাতে শুরু করে। এখানে গাড়ি থামানো বা পুনরায় চালানো নির্ভর করছে লাল বা সবুজ আলো জ্বলে ওঠার ওপর। তাই গাড়ি থামানো বা গাড়ি পুনরায় চালানো হচ্ছে নির্ভরশীল দল। অর্থাৎ অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চলের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। কারণ নির্ভরশীল চলকে অনির্ভরশীল চলের ওপর নির্ভর করে চলতে হয়।
পরিশেষে বলা যায়, অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চল ভিন্ন হলেও একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
4
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলতে অনুসন্ধানের সুনির্দিস্ট প্রতিক্রিয়াকে বোঝায়, যার দ্বারা ধারাবাহিক, বস্তুনিষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
9
উত্তরঃ

মনোবিজ্ঞানের পরীক্ষণে কোনো ঘটনার কিছু শর্তকে যখন পরীক্ষকের ইচ্ছানুযায়ী এবং প্রয়োজনানুসারে পরিবর্তন করে পরীক্ষণের ওপর থেকে প্রভাবমুক্ত রাখা হয় তখন তাকে নিয়ন্ত্রণ বলা হয়।
নিয়ন্ত্রণ বলতে মূলত পরীক্ষণে চলের নিয়ন্ত্রণকেই বোঝায়। চলের নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষণ পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। পরীক্ষণ পরিচালনায় গবেষককে অনির্ভরশীল চল ব্যতীত অন্য যেসব চল নির্ভরশীল চলকে প্রভাবিত করতে পারে সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। একারণে পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
9
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'C' চিহ্নিত স্থানটি মধ্যবর্তী চলকে নির্দেশ করে।
পরীক্ষণে চল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মূলত চল বলতে তাকে বোঝায় যা পরিবর্তনশীল। চলকে প্রধানত অনির্ভরশীল, নির্ভরশীল, মধ্যবর্তী ও বাহ্যিক- এই চার ভাগে ভাগ করা যায়। উদ্দীপকের ছকে বিভিন্ন প্রকার চলের প্রকারভেদ দেখানো হয়েছে। অতএব বলা যায়, 'C' চিহ্নিত স্থানে মধ্যবতী বা অন্তবর্তী চলকেই নির্দেশ করা হয়েছে। অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী চলকে মধ্যবর্তী চল বা অন্তবর্তী চল বলে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই চলকে যোগ সাধনকারী চল হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। পরীক্ষণ পরিচালনার সময় এই মধ্যবর্তী চল কিছুটা অন্য রকমের হয়। এক্ষেত্রে মধ্যবর্তী চল দুই রকমের হতে পারে। যথা: ১. মনস্তাত্ত্বিক চল, যেমন- বুদ্ধি, শিক্ষণ, ব্যক্তিত্ব, প্রেষণা, চিন্তন, আবেগ ইত্যাদি এবং ২. শরীরবৃত্তীয় চল, যেমন-বয়স, লিঙ্গ, স্বাস্থ্যগত অবস্থা ইত্যাদি। সাপেক্ষ চলের ওপর অনির্ভরশীল চলের প্রভাব মধ্যবর্তী চলের প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ কারণে মধ্যবর্তী চলগুলো পরীক্ষণে অবাস্তব উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই একটি ভালো পরীক্ষণ চালাতে এসব চলকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যাতে এদের প্রভাব সাপেক্ষ চলে পড়তে না পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
9
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A' ও 'D' চিহ্নিত স্থান দুটি যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চলকে নির্দেশ করে।
'A' চিহ্নিত স্থানে নির্দেশিত অনির্ভরশীল চল 'উদ্দীপক চল' বা 'নিরপেক্ষ চল' নামেও পরিচিত। মূলত গবেষক প্রাণীর আচরণের ওপর যে সকল চলের প্রভাব লক্ষ করেন সে সকল চলই হচ্ছে অনির্ভরশীল চল। এখানে গবেষক তার ইচ্ছানুসারে অনির্ভরশীল চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় শব্দ, আলোকরশ্মি, বিদ্যুৎপ্রবাহ ইত্যাদিকে উদ্দীপক বা অনির্ভরশীল চল হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ অর্থে বলা যায়, যে চলকে তার উপস্থিতি বা সৃষ্টির জন্য অন্য চলের ওপর নির্ভর করতে হয় না তাকে অনির্ভরশীল বা স্বাধীন চল বলা হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, পরীক্ষণের ফলাফলের ওপর যেসব চল অবাঞ্ছিতভাবে প্রভাব বিস্তার করে সেসব চলকে বাহ্যিক চল বলে। যেমন- গবেষণাগারের পরিবেশ, আলো, বাতাস, তাপমাত্রা, শব্দ ইত্যাদি যদি গবেষণা কাজে সমস্যা সৃষ্টি করে তবে এগুলোকে বাহ্যিক চলা বলা যাবে। উদাহরণস্বরূপ, মুখস্থ করার সময় যদি কক্ষের তাপমাত্রা খুব বেশি থাকে অথবা কক্ষের বাইরে যদি তখন তুমুল হট্টগোল চলতে থাকে, তাহলে তা মুখস্থ করার ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাই এই চলটিকেও এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যাতে পরীক্ষণের উপর এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে।
-পরিশেষে বলা যায়, অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চল উভয়ই পরীক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্ব বহন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
14
উত্তরঃ

কোনো পরীক্ষা পরিচালনা করার পূর্বেই উক্ত পরীক্ষণের সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে যে আনুমানিক ধারনা ঠিক করা হয় তাকে প্রকল্প বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
8
উত্তরঃ

পরীক্ষণ পদ্ধতি হলো এমন একটি সুপরিকল্পিত ও সুনিয়ন্ত্রিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চলসমূহের কার্যকারণগত সম্পর্ক নির্ণয় ও পরিমাপ করা হয়।
মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে পরীক্ষণ পদ্ধতি হলো মানুষ বা প্রাণীর আচরণ ও মানসিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নির্ণয়ের একটি সুপরিকল্পিত ও সুনিয়ন্ত্রিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্যাবলি বর্তমান থাকে। এ কারণেই পরীক্ষণ পদ্ধতিকেই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
7
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews