শর্করাকে নিচু স্তরে রেখে পর্যায়ক্রমে পরিমাণগত দিক বিবেচনা করে শাক-সবজি, ফলমূল, আমিষ, স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যকে সাজানোর মাধ্যমে তৈরি কাল্পনিক পিরামিডকে সুষম খাদ্য পিরামিড বলে।
শর্করা হলো মানুষের প্রধান খাদ্য। দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি ও তাপশক্তি উৎপাদনের জন্য আমরা শর্করা জাতীয় খাবার খাবো।
এছাড়াও আমাদর বিপাকীয় কাজের জন্য যে শক্তি লাগে তা শ্বসনের সময় কার্বোহাইড্রেট তথা শর্করা জাতীয় খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়। তাই আমরা সুষম খাদ্য তলিকা অনুযায়ী শর্করা জাতীয় খাবার খাবো।
উদ্দীপকের মিসেস ফাল্গুনী সংরক্ষক দ্রব্য ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ করেন। রাসায়নিক পদার্থের দ্বারা খাদ্যের পচন রোধ করা যায়। এগুলোকে সংরক্ষক বলা হয়। এগুলোর কোনো পুষ্টিগুণ নেই। খাদ্যে নির্ধারিত পরিমাণ সংরক্ষক পদার্থ প্রয়োগের মাধ্যমে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যকে রক্ষা করা যায়। উল্লেখযোগ্য একটি রাসায়নিক সংরক্ষক হলো ভিনেগার। ভিনেগার ব্যবহারের মাধ্যমে
মিসেস ফাল্গুনী জলপাইয়ের আচার ও সস সংরক্ষণ করেন। এতে করে এসব খাদ্যে জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ ঘটে। এছাড়াও কিছু সালফেট লবণ রয়েছে যেমন সোডিয়াম বাইসালফেট, পটাসিয়াম মেটা বাইসালফেট ইত্যাদি ব্যবহারের মাধ্যমে ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতে পারেন।
উদ্দীপকের খাদ্য তালিকা অনুযায়ী কাইফ ও তালেব এর খাদ্য যথাক্রমে সুষম খাদ্য ও জাঙ্ক ফুড। কাইফের বিভিন্ন সময়ের খাবারে খাদ্য উপাদানগুলোকে এমনভাবে স্থান দেওয়া হয়েছে যাতে পরিমাণ মতো প্রয়োজনীয় সকল উপাদানই অন্তর্ভুক্ত থাকে। এতে করে সে পরিমাণমত স্বাভাবিক কাজ-কর্মের জন্য উপযুক্ত পরিমাণ ক্যালরি সে পাবে। কিন্তু তালেব তার বিভিন্ন সময়ের খাদ্য তালিকায় সবগুলো খাদ্য উপাদান জাঙ্কফুড বা ফাস্টফুড দিয়ে পূর্ণ করেছে। এসব খাদ্যে
অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ, চর্বি ও চিনি থাকে। কিন্তু ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ থাকে না। তাই তার দেহে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি পুরন হবে না। এছাড়া অধিক পরিমাণ চর্বিজাতীয় খাবার খেলে দেহ এগুলোকে চর্বিকলায় রূপান্তর করে। ফলে দেহ স্থূলকায় হয়ে পড়ে। এর ফলস্বরূপ বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়। কিন্তু কাইফের খাদ্যে আমিষ, শর্করা, স্নেহ, ভিটামিন ও খনিজ লবণ থাকায় তালেবের খাবারের চেয়ে এগুলো বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।
Related Question
View Allকীভাবে ভর সূচি বা BMI নির্ণয় করা হয়?
ভর সূচি নির্ণয়ের সূত্র হলো: ভর সূচি = ওজন (কেজি) / (উচ্চতা (মি) x উচ্চতা (মি))।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির ওজন ৭০ কেজি এবং উচ্চতা ১.৭৫ মিটার হয়, তাহলে তার ভর সূচি হবে: ভর সূচি = ৭০ / (১.৭৫ x ১.৭৫) = ৭০ / ৩.০৬২৫ ≈ ২২.৮৬।
ভর সূচির ব্যবহার
প্রাপ্ত ভর সূচির মান ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর ওজন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো সাধারণত এই মান ব্যবহার করে ওজন-সম্পর্কিত রোগ বা স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা মূল্যায়ন করে থাকে।
জেরোফথ্যালমিয়া ভিটামিন 'এ' এর অভাব জনিত একটি রোগ। জেরোফথ্যালমিয়ায়, বিটোটের দাগগুলি কনজাংটিভাল জেরোসিসের পরে দেখা দেয়। ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরােফথ্যালমিয়া নামক রােগ হয়। যখন ভিটামিন এ-এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়,তখন চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয় সে অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া বলে।
ফল, শাকসবজি, শস্যদানা ইত্যাদি উপস্থিত সেলুলোজ নির্মিত আঁশ বা তন্তুর ন্যায় অপাচ্য অংশই হলো রাফেজ।
খাদ্যপ্রাণ বলতে সাধারণত জীবিত প্রাণী বোঝায়। অর্থাৎ, যে সকল প্রাণী খাদ্য গ্রহণ করে, বৃদ্ধি পায়, প্রজনন করে এবং পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করে তাদেরকে খাদ্যপ্রাণ বলা হয়।
খাদ্যপ্রাণের কিছু উদাহরণ:
- মানুষ: আমরা খাদ্য গ্রহণ করে শক্তি পাই এবং বেঁচে থাকি।
- প্রাণী: সকল প্রাণী, যেমন সিংহ, হাতি, পাখি, মাছ ইত্যাদি।
- পোকামাকড়: মশা, মাছি, পিঁপড়া ইত্যাদি।
- উদ্ভিদ: উদ্ভিদ সূর্যের আলো, পানি এবং মাটি থেকে খাদ্য তৈরি করে।
খাদ্যপ্রাণের মূল বৈশিষ্ট্য:
- জীবন: খাদ্যপ্রাণের মধ্যে জীবনের উপস্থিতি থাকে।
- বৃদ্ধি: খাদ্য গ্রহণ করে খাদ্যপ্রাণ বৃদ্ধি পায়।
- প্রজনন: খাদ্যপ্রাণ নিজের প্রজাতির বংশ বিস্তার করে।
- পরিবেশের সাথে যোগাযোগ: খাদ্যপ্রাণ পরিবেশের সাথে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে।
খাদ্যপ্রাণের শ্রেণিবিন্যাস:
খাদ্যপ্রাণকে বিভিন্ন ভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। যেমন:
- খাদ্যের ধরনের উপর ভিত্তি করে: শাকসভী, মাংসাশী, সর্বভুক ইত্যাদি।
- বাসস্থানের উপর ভিত্তি করে: স্থলচর, জলচর, উড়ুচর ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!