দৃশ্যকল্প-(i) 
সুখের পিছে ছুটবে যত 
অসুখ ততো বাড়ে
বেশি পাবার প্রত্যাশা যার 
দুঃখ হাড়ে হাড়ে। 

দৃশ্যকল্প-(ii) 

পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি 
এ জীবন মন সকলি দাও; 
তার মত সুখ কোথাও কি আছে? 
আপনার কথা ভুলিয়া যাও। 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ হতাশায় মানুষের আয়ু কমে যায়।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

'আশা' কবিতায় প্রত্যাশিত মানুষ জাগতিক লোভ, মোহ ও ভোগ-বিলাস পরিহার করে এক সরল ও আত্মত্যাগের জীবন বেছে নেয়। তারা অল্পতেই তুষ্ট থাকে এবং অন্যের কল্যাণে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকে। যেহেতু তাদের কোনো অপ্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা বা বস্তুগত সুখের প্রতি মোহ থাকে না, তাই তাদের মনে কোনো দুরাশার গ্লানি স্পর্শ করতে পারে না।

কবি সুফিয়া কামাল এই কবিতায় বোঝাতে চেয়েছেন যে, প্রকৃত সুখ ও শান্তি বাহ্যিক প্রাপ্তির মধ্যে নয়, বরং নির্লোভ ও আত্মত্যাগের মধ্যে নিহিত। যে মানুষ ভোগবাদী জীবন পরিহার করে এবং অন্যের কল্যাণের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে, তার মনে কোনো অপ্রাপ্তির বেদনা বা দুরাশার গ্লানি থাকে না। তাদের আশা ক্ষুদ্র হলেও তা মানবতা ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ, যা তাদের প্রশান্ত মন এনে দেয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-(i)-এ 'আশা' কবিতার বিষয়বস্তুর মূল দিক অর্থাৎ অতিরিক্ত লোভ, আকাঙ্ক্ষা ও বস্তুগত সুখের প্রতি মোহ ত্যাগের মাধ্যমে প্রকৃত সুখ ও শান্তির অন্বেষণের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

সিকান্দার আবু জাফরের 'আশা' কবিতায় কবি জীবনকে ভোগসর্বস্ব না করে আত্মিক সন্তুষ্টির মাধ্যমে জীবনের সার্থকতা অন্বেষণ করতে বলেছেন। কবি মনে করেন, অর্থবিত্ত আর প্রাচুর্যের পেছনে ছুটে মানুষ কখনো প্রকৃত শান্তি পায় না। বরং ক্ষুদ্র জীবনের চাওয়া-পাওয়াকে সীমিত রেখে মানবতাবাদী ও সেবামূলক কাজের মাধ্যমে আত্মিক শান্তি লাভ করাই শ্রেয়।

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-(i) তে বলা হয়েছে, "সুখের পিছে ছুটবে যত / অসুখ ততো বাড়ে / বেশি পাবার প্রত্যাশা যার / দুঃখ হাড়ে হাড়ে।" এই অংশে অতিরিক্ত প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা এবং বস্তুগত সুখের পেছনে ছোটার ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হয়েছে। এটি 'আশা' কবিতার সেই মূল সুরের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, যেখানে কবি লোভ ও অদম্য আকাঙ্ক্ষাকে দুঃখের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে মানুষকে সহজ-সরল জীবনযাপন ও প্রাপ্তিতে সন্তুষ্ট থাকার প্রেরণা দিয়েছেন। দৃশ্যকল্পের এই পঙক্তিগুলো 'আশা' কবিতার শিক্ষাকেই বাস্তবে প্রতিফলিত করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

‘আশা’ কবিতা মূলত স্বার্থপরতা পরিহার করে অপরের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার মাধ্যমে প্রকৃত সুখ ও শান্তির বার্তা দেয়। এই কবিতার মূল সুর হলো, নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের জন্য কিছু করা এবং এর মাধ্যমেই জীবনের সার্থকতা খুঁজে পাওয়া।

দৃশ্যকল্প-(ii)-এর পঙক্তিগুলো—"পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি / এ জীবন মন সকলি দাও; / তার মত সুখ কোথাও কি আছে? / আপনার কথা ভুলিয়া যাও"—দ্বারা সুস্পষ্টভাবে অপরের জন্য আত্মত্যাগ ও নিঃস্বার্থ সেবার আহ্বান জানানো হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত সুখ বা প্রাপ্তির চেয়ে অন্যের মঙ্গলকে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে এবং নিজের স্বার্থ ভুলে পরার্থে জীবন উৎসর্গ করার মহত্ত্বকে তুলে ধরা হয়েছে। এটি প্রকারান্তরে ব্যক্তি-স্বার্থপরতাকে প্রত্যাখ্যান করে সর্বজনীন কল্যাণের ধারণাকে প্রতিষ্ঠা করে।

‘আশা’ কবিতার মূল ভাবও ঠিক এমনই। কবি শেখ ফজলুল করিম তাঁর ‘আশা’ কবিতায় বলেছেন, মানুষ যদি নিজের আশা-আকাঙ্ক্ষা, ভোগ-বিলাস ও আরাম-আয়েশকে বিসর্জন দিয়ে অন্যের কল্যাণে এগিয়ে আসে, তবেই সে জীবনে প্রকৃত সুখ ও শান্তি লাভ করে। স্বার্থপরতা মানুষের জীবনকে সংকীর্ণ ও দুঃখময় করে তোলে, পক্ষান্তরে পরোপকার ও নিঃস্বার্থ ত্যাগই জীবনে পূর্ণতা এনে দেয়। দৃশ্যকল্প-(ii)-এর প্রতিটি পঙক্তিই ‘আশা’ কবিতার এই আত্মত্যাগমূলক ও পরহিতৈষী আদর্শকে পুরোপুরি ধারণ করে।

সুতরাং, দৃশ্যকল্প-(ii) যে পরার্থপরতা ও আত্মত্যাগের কথা বলেছে, তা ‘আশা’ কবিতার মূল ভাবের সার্থক প্রতিফলন। এর মাধ্যমে কবি মানবতাবাদী আদর্শকে মূর্ত করে তুলেছেন এবং স্বার্থপরতাহীন জীবনের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
82

আমি সেই জগতে হারিয়ে যেতে চাই,

যেথায় গভীর-নিশুত রাতে

        জীর্ণ বেড়ার ঘরে

নির্ভাবনায় মানুষেরা ঘুমিয়ে থাকে ভাই ॥

যেথায় লোকে সোনা-রূপায়

     পাহাড় জমায় না,

বিত্ত-সুখের দুর্ভাবনায়

     আয়ু কমায় না;

যেথায় লোকে তুচ্ছ নিয়ে

       তুষ্ট থাকে ভাই ॥

সারা দিনের পরিশ্রমেও

  পায় না যারা খুঁজে

একটি দিনের আহার্য সঞ্চয়,

তবু যাদের মনের কোণে

    নেই দুরাশা গ্লানি,

নেই দীনতা, নেই কোনো সংশয় ৷

যেথায় মানুষ মানুষেরে

বাসতে পারে ভালো

প্রতিবেশীর আঁধার ঘরে

জ্বালতে পারে আলো,

সেই জগতের কান্না-হাসির

     অন্তরালে ভাই

আমি হারিয়ে যেতে চাই ॥
 

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews