দৃশ্যপট-১: 'ক' অঞ্চলের রাজা অল্পবয়সী ও কম অভিজ্ঞ হওয়ায় তিনি সকলকেই বিশ্বাস করতেন। তার সরলতার সুযোগে নিকট আত্মীয়, দেশীয় ও ভিনদেশি লোক ষড়যন্ত্র করে তাকে হত্যা করে। কিন্তু পরিণামে দেশীয়রা ভিনদেশিদের অধীনস্থ হয়। তারা নিজ স্বার্থে শাসন ব্যবস্থা চালু করে।

দৃশ্যপট-২: বিদেশি শক্তি 'খ' অঞ্চলকে একটি মাত্র কেন্দ্র হতে শাসন করা কঠিন মনে করে। ওই অঞ্চলের জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে দীর্ঘদিন অঞ্চলটিকে শাসন করার উদ্দেশ্যে দুটি ভাগে বিভক্ত করে।

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

১৭৭০ সালে' (বাংলা ১১৭৬ সনে) বাংলায় যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হয়েছিল তা ইতিহাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বাংলার নবজাগরণে ইংরেজ মিশনারি স্যার উইলিয়াম কেরি উল্লেখযোগ্য ও গুরত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি ব্যাকরণ রচনা, মুদ্রণযন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সংবাদপত্র প্রকাশ, স্কুল টেক্সট বোর্ড গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজের গোড়াপত্তন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ইংরেজরা উচ্চ শিক্ষার জন্য সারাদেশে স্কুল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি কিছু কলেজও স্থাপন করে। ১৮৫৭ সালে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার প্রতিষ্ঠান হিসেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলের রাজার পরিণতি বাংলায় পলাশী যুদ্ধের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠার ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব আলিবর্দী খাঁর মৃত্যুর পর তাঁর প্রিয় নাতি সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে বসলে ক্ষমতার অন্য উত্তরাধিকারীরা মনোক্ষুণ্ণ হয়। সিরাজউদ্দৌলার বয়স কম ও অভিজ্ঞতায় নবীন হওয়ার ফলে রাজদরবারে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার সেনাপতি মীর জাফর, খালা ঘসেটি বেগম, মীর কাসিমসহ রাজদরবারের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এবং উমিচাঁদ, জগৎশেঠ ও রাজবল্লভদের মতো তৎকালীন ধনী অভিজাতদের একটি অংশ ষড়যন্ত্র করে। ফলে ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার মধ্য দিয়ে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ঘটে। নবাবের নির্মম মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলার মূল ক্ষমতা চলে যায় ধূর্ত ও দুর্ধর্ষ ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের হাতে। 'দি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' বাংলা বিহার উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে। পরিণামে এ অঞ্চলের মানুষ ভিনদেশিদের অধীনস্ত হয়ে পড়ে। ইংরেজ কোম্পানি নিজেদের স্বার্থে শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনয়ন করে। দ্বৈতশাসনের নামে শোষণের মাধ্যমে বাংলায় দুর্ভিক্ষ ঘটায়।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলের রাজার পরিণতি বাংলার ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠার ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-২-এ উল্লিখিত ঘটনার অনুরূপ ঘটনা হলো বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা।

বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনার প্রেক্ষিতে সৃষ্ট আন্দোলন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপ পরিগ্রহ করে। ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী বৃহত্তর বাংলাকে ভাগ করতে পরিকল্পনা করল। তাদের যুক্তি ছিল যে, বাংলার সীমানা অনেক বড়। পূর্ব বাংলা, পশ্চিম বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে ছিল বৃহত্তর বাংলা। তাই কলকাতা থেকে শাসনকার্য পরিচালনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এ কারণে পূর্ব বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। তাই লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাকে দুভাগে ভাগ করেন। ঢাকাকে রাজধানী করে নতুন প্রদেশ করা হয়। এই প্রদেশের নাম হয় পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ। বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধে আন্দোলন শুরু হয়। কলকাতাকেন্দ্রিক শিক্ষিত বাঙালিদের অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে হিন্দু-মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ তৈরির পরিকল্পনা বলে মনে করেন। কারণ পূর্ব বাংলার বেশিরভাগ মানুষ মুসলমান। তাই মুসলমান নেতারা মনে করলেন নতুন প্রদেশ হলে পূর্ব বাংলার উন্নতি হবে। ফলে বাঙালি হিন্দু নেতারা একের পর এক চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। পাশাপাশি বিভিন্ন আন্দোলন শুরু করেন। এগুলো হচ্ছে স্বদেশি আন্দোলন, বয়কট আন্দোলন, স্বরাজ এবং সশস্ত্র আন্দোলন। পূর্ব বাংলার মুসলিমদের মধ্যে নতুন ভাবনা সৃষ্টি হলে ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ইংরেজদের অভিসন্ধি দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করলেও পরবর্তীতে তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে ব্রিটিশদের শাসন থেকে মুক্তির আন্দোলনে পরিণত হয়।তাই বলা যায়, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত বীজ রোপিত হয়েছিল ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
99

বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের আগমন ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে হলেও পরে তারা আমাদের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেয়। এদের মধ্যে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যায়। ১৭৫৭ সালে বাংলা-বিহার ও উড়িষ্যার নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করে তারা ক্ষমতা দখল করে নেয়। বাংলায় ইংরেজদের শাসন চলে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত। এভাবে ১৭৫৭ সালের পরে বাংলায় যে শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সাধারণত আমরা তাকে ঔপনিবেশিক শাসন বলি। আর ১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ইংরেজ শাসনামলকে ঔপনিবেশিক যুগ বলি ।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
উপনিবেশ কী তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার বিস্তার ও অবসানের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
বাংলায় ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকদের আগমন ও বাণিজ্য বিস্তার সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
বাংলায় ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব; বাংলায় ইংরেজ শাসনের কার্যক্রম ব্যাখ্যা ও মূল্যায়ন করতে পারব;
ইংরেজ কোম্পানি শাসনের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
ইংরেজ কোম্পানি শাসনকালে বাংলার আর্থ-সামাজিক অবস্থা বর্ণনা করতে পারব; ইংরেজ কোম্পানি শাসনের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব;
ব্রিটিশ শাসনের বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারব;
তৎকালীন বাংলার আর্থ-সামাজিক অবস্থা বর্ণনা করতে
ব্রিটিশ শাসনের প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারব,; বাংলার জাগরণের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উপনিবেশিকরণ হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে একটি দেশ অন্য দেশকে অর্থনৈতিক শোষণ এবং লাভের উদ্দেশ্যে নিজের দখলে আনে। দখলকৃত দেশটি দখলকারী দেশের উপনিবেশে পরিণত হয়। বাংলাও প্রায় দুইশ বছর ইংরেজদের অধীনে উপনিবেশ ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
402
উত্তরঃ

বাংলায় মানব বসতি প্রাচীনকাল থেকেই শুরু হয়। এই অঞ্চল ধনসম্পদে ভরপুর থাকায় বাইরের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এখানে এসে বসতি গড়ে তোলে। বাংলার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিই ছিল বহিরাগতদের আকর্ষণের প্রধান কারণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
319
উত্তরঃ

শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় দীর্ঘ সময় ধরে কোনো শক্তিশালী শাসক না থাকায় অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এই সময়কে মাৎস্যন্যায় যুগ বলা হয়। এটি সংস্কৃত ভাষায় 'বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে' এমন অরাজকতার সময় নির্দেশ করে। এ সময়ে বাংলা বহু রাজ্য বিভক্ত হয়ে পড়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
378
উত্তরঃ

বাংলার স্বাধীন সুলতানি শাসনের সূচনা হয় ১৩৩৮ সালে। সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ দিল্লির সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পরে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ বাংলার প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
230
উত্তরঃ

সুলতানি আমলে বাংলার প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন সুলতান - শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। তিনি বাংলার বৃহদাংশ অধিকার করে 'শাহ-ই-বাঙ্গালিয়ান' উপাধি গ্রহণ করেন। তার শাসনকালে বাংলার ঐক্য, 'স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
213
উত্তরঃ

সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ বাংলার ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি বাংলার শিল্প-সাহিত্য এবং সংস্কৃতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর শাসনকালে বাংলার অর্থনীতি ও সংস্কৃতি সমৃদ্ধি লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
259
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews