দৃশ্যপট-১: ২০১৭-১৮ অর্থবছরে 'A' দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য ২৪,০০০ কোটি টাকা। তন্মধ্যে ঐ দেশে বসবাসকারী বিদেশিদের দ্বারা উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার মূল্য ১,৫০০ কোটি টাকা এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী 'A' দেশের নাগরিকদের মোট উৎপাদনের আর্থিক মূল্য ৪,০০০ কোটি টাকা। 

দৃশ্যপট-২: 'B' দেশটিতে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে লোকসংখ্যা ছিল ২ লক্ষ, তাদের মোট আয় ছিল ২০ কোটি ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশটিতে লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ২.০২ লক্ষ। তাদের উৎপাদিত মোট দ্রব্যাদির অর্থমূল্য গিয়ে দাঁড়ায় ২২ কোটি ডলারে। দেশটির অভ্যন্তরে এরূপ অবস্থা বেশ কয়েক বছর যাবত চলে আসছে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

কোনো দেশের জাতীয় আয়ের বার্ষিক বৃদ্ধির হারকে প্রবৃদ্ধির হার বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থেকে মাথাপিছু আয় বাড়লে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পায়। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির কারণে ভোগব্যয় করার পরও জনগণের কাছে উদ্বৃত্ত আয় থাকে যা সঞ্চয় হিসেবে জমা হয়। এ সঞ্চয় মূলধন গঠন করে এবং তা বিনিয়োগের ফলে উৎপাদনের পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পায় এবং জনগণ দারিদ্রতা থেকে বের হয়ে আসে। এভাবেই মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি দরিদ্র্য দূর করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে দৃশ্যপট-১ এ উল্লিখিত 'A' দেশটির মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করা হলো-

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোনো দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ বা ভূমির ওপর সে দেশের মোট শ্রম ও মূলধন বিনিয়োগ করে যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার আর্থিক মূল্যকে ঐ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে। তবে দেশের অভ্যন্তরে বসবাসকারী বিদেশিদের দ্বারা উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার মূল্য জাতীয় উৎপাদনের অন্তর্ভুক্ত হবে না। কিন্তু বিদেশে বসবাসকারী ঐ দেশের নাগরিকদের উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার মূল্য দেশটির জাতীয় উৎপাদনের অন্তর্ভুক্ত হবে।

উদ্দীপকে দেওয়া আছে, A দেশের,

মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (GDP) = ২৪,০০০ কোটি টাকা

বিদেশি নাগরিকদের উৎপাদন (M) = ১৫০০ কোটি টাকা

দেশের নাগরিকদের বিভিন্ন দেশে উৎপাদন (X) = ৪০০০ কোটি টাকা

আমরা জানি,

মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) = GDP + (X - M)

= ২৪০০০ + ( ৪০০০ - ১৫০০)

= ২৪০০০ + ২৫০০

∴  GNP-  ২৬৫০০ কোটি টাকা

অতএব, ২০১৭ - ১৮ অর্থবছরে 'A' দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) ২৬৫০০ কোটি টাকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি দৃশ্যপট-২-এ নির্দেশিত 'B' দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা আশাব্যঞ্জক।

কোনো দেশের প্রবৃদ্ধির হার যদি ২% হয় এবং সে দেশের জনসংখ্যাও যদি ২% হারে বৃদ্ধি পায়, তাহলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটছে বলা যাবে না। কারণ প্রবৃদ্ধির হার ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার একই হলে মাথাপিছু আয় একই থাকবে। যদি প্রবৃদ্ধির হার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের চেয়ে বেশি হয় তাহলেই মাথাপিছু আয় বাড়বে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে বলা যাবে। এর সাথে দ্রব্যমূল্যস্তর পরিবর্তনের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।

উদ্দীপকে দৃশ্যপট-২-এ 'B' দেশটিতে ২০১৪-১৫ হতে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অর্থাৎ ১ বছরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ,, - ,, ×  বা ১%।

আবার ঐ ১ বছরেই দেশটির প্রবৃদ্ধির হার 

,,,   ,,, ×  ,,, ডলার বা ১০%।

এখন 'B' দেশটির দ্রব্যমূল্যস্তর যদি স্থির বিবেচনা করি, তাহলে দেশটির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (১%)-এর তুলনায় প্রবৃদ্ধির হার (১০%) বেশি। অর্থাৎ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের চেয়ে প্রবৃদ্ধির হার দশগুণ বেশি। এতে বিগত এক বছরে 'B' দেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পায়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে 'B' দেশের মাথাপিছু আয় ছিল . বা ১০০০ ডলার, যা ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায়  . বা ১০৮৯ (প্রায়) ডলারে। এ অবস্থায় বিগত এক বছরে  'B' দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে বলা যায়। দেশটির অভ্যন্তরে এরূপ অবস্থা বেশ কয়েক বছর ধরে চলে আসছে বিধায় 'B' দেশটির প্রকৃত মাথাপিছু আয়ও অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পায় এবং দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে। ক্রমাগত জাতীয় আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির কারণেই আমি মনে করি 'B' দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত আশাবাঞ্জক।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
276

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধারণত দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সংঘটিত বাণিজ্যকে বৈদেশিক বাণিজ্য বলা হয়।

পৃথিবীর কোনো দেশই সর্বদিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। তাই প্রত্যেক দেশকেই অন্য দেশ থেকে কিছু আমদানি করতে হয়; আবার কোনো দেশ তার নিজের চাহিদা মিটিয়ে কোনো না কোনো পণ্য অন্য দেশে রপ্তানিও করে থাকে। এভাবে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যে বাণিজ্য গড়ে ওঠে তাই হচ্ছে বৈদেশিক বাণিজ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.6k
উত্তরঃ

অনিমা ও তার বাবা কুয়াকাটা যাওয়ার পথে যে ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয় তা হচ্ছে প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা অর্থাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ ঘটনা। বলা হয়, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগ কবলিত দেশ। প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো ও নদীভাঙন। এ দুর্যোগগুলো প্রধানত দেশের কৃষিখাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এছাড়া বাড়িঘর, পথঘাট ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়। বিশেষত প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে সীমিত কৃষি জমির এদেশের বিপুল পরিমাণ জমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি গবাদি পশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এ ক্ষতিপূরণ করেই প্রতিবছর আবার উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়। উদ্দীপকে অনিমা লক্ষ করে মহীপুরের ফেরিপার হতে গিয়ে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসের কারণে ফেরি সংলগ্ন পল্টুনের তিন-চতুর্থাংশ পানির নিচে ডুবে গেছে। এক্ষেত্রে জলোচ্ছ্বাস হচ্ছে একটি প্রকৃতি সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা।

তাই বলা যায়, অনিমা ও তার পরিবার কুয়াকাটা যাওয়ার পথে দেশের প্রকৃতি সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
446
উত্তরঃ

অনিমার বাবার জানা প্রকল্পটি হচ্ছে 'কম্প্রিহেনসিভ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম' বা সংক্ষেপে সিডিএমপি যা এদেশে প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য কাজ করছে। প্রকল্পটি অবশ্যই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠেছে। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগ, এর অধীনস্থ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো ও আবহাওয়া অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড ইত্যাদি সংস্থা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রদান করে থাকে। বহুসংখ্যক এনজিও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করছে। ত্রাণ ও পুনর্বাসন, খাদ্য, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরসমূহ, পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগ 'কম্প্রিহেনসিভ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম' শীর্ষক প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় ২০১০-১৪ মেয়াদে বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় দুর্যোগ সম্পর্কে আগাম সতর্কীকরণ, দুর্যোগের জন্য পূর্বপ্রস্তুতি, ঝুঁকি হ্রাস, দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি পদক্ষেপ গৃহীত ও বাস্তবায়িত হচ্ছে। উদ্দীপকে অনিমা তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কুয়াকাটায় বেড়াতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে জলোচ্ছ্বাসের কারণে তাদের যাত্রাতে বিঘ্ন ঘটে। যা প্রকৃতসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতাকে নির্দেশ করে। অনিমার বাবা সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানতে পারে, সরকার এ প্রতিবন্ধকতা দূর করতে একটি বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। সরকারের এ প্রকল্প কম্প্রিহেনসিভ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামকে নির্দেশ করে। এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রাকৃতিক এসব দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে ফলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ প্রোগ্রাম বিশেষভাবে অবদান রাখবে বলে আমি মনে করি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
423
উত্তরঃ

যেকোনো অবস্তুগত দ্রব্য যার উপযোগ এবং বিনিময় মূল্য আছে, তাই সেবা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
365
উত্তরঃ

শিল্প ও সেবা খাতের অগ্রগতির সাথে দেশে বিদ্যমান শাসনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির সম্পর্ক রয়েছে। ফলে সুশাসনের অভাব শিল্প ও সেবা খাতের অগ্রগতির অন্তরায় হিসেবে কাজ করে।

সুশাসনের অভাব দেশে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের ইচ্ছাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। তাছাড়া সুশাসনের অভাব দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মনে ভয়ভীতি এনে দেয়। সার্বিকভাবে সুশাসনের অভাব অর্থনীতিতে ঝুঁকি বৃদ্ধি করে যা শিল্প ও সেবা খাতের অগ্রগতিতে অন্তরায় হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
401
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews