দৃশ্য-১: সোহাগ অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। সে স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়। সে ছাত্রদের সাথে মারামারি করে।

দৃশ্য-২: খাদিজা দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে। বাবার দারিদ্র্যের কারণে তার বিয়ে হয়ে যায়। তার স্বামী বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দেবার জন্য তাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে। খাদিজার বাবা সমাজে নির্যাতনের বিচার না পেয়ে আইনের আশ্রয় নেন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক অবৈধ পন্থায় নীতি বহির্ভূত বা জনস্বার্থবিরোধী কাজকেই দুর্নীতি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুরা যেমন বড় হয়ে কেউ ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার বা বড় আমলা হয়, তেমনি কেউ হয় দক্ষ উদ্যোক্তা বা দক্ষ শ্রমিক। তাই জাতির বৃহত্তর স্বার্থে শিশুদের যোগ্য, সক্ষম ও শারীরিক মানসিকভাবে সুস্থভাবে গড়ে তুলতে শিশুশ্রম নিরুৎসাহিত করা উচিত। তাছাড়া শিশুশ্রম শিশুর স্বাভাবিক জীবনের আনন্দ কেড়ে নিয়ে কিশোর অপরাধের ন্যায় বিভিন্ন সামাজিক। সমস্যার দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়। সর্বোপরি শিশুশ্রম কখনো এবং কোনোভাবেই মঙ্গলময় হতে পারে না। তাই শিশুশ্রমকে নিরুৎসাহিত করা উচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সোহাগের মধ্যে কিশোর অপরাধ নামক সামাজিক সমস্যাটি বিদ্যমান রয়েছে।

কিশোর অপরাধ প্রায় প্রতিটি সমাজের জন্য একটি উদ্বেগজনক সমস্যা। সাধারণত শিশু-কিশোরদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধকে কিশোর অপরাধ বলা হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ১৮ বছর পর্যন্ত বয়সকে শিশু ধরা হয় এবং ৭ থেকে ১৬ বছর বয়সী সবার অপরাধকে কিশোর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সামাজিক সুষ্ঠু পরিবেশ ও মৌলিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত হয়ে খারাপ সঙ্গ ও পাচারকারী এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ব্যক্তির সাথে জড়িত হয়ে শিশু-কিশোররা অপরাধী হয়ে পড়ে। স্কুল পালানো, মারামারি করা, মাদক সেবন, ইভটিজিং বড়দের সাথে অশালীন বা অসৌজন্যমূলক ব্যবহার, চুরি, ছিনতাই ইত্যাদি কিশোর অপরাধের কিছু প্রচলিত প্রকৃতি। উদ্দীপকের দৃশ্য-১-এর সোহাগ অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। সে স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয় ও ছাত্রদের সাথে মারামারি করে। দেখা যাচ্ছে যে, সোহাগের অপরাধ ও তার বয়স বিবেচনায় সে একজন কিশোর অপরাধী। সুতরাং সোহাগের মধ্যে কিশোর অপরাধ নামক সামাজিক সমস্যাটিই বিদ্যমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

না, উদ্দীপকে খাদিজাদের সমস্যা তথা নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে তার বাবার নেওয়া পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলে আমি মনে করি।

উদ্দীপকের দৃশ্য-২ এ দারিদ্র্যের কারণে খাদিজার দ্রুত বিয়ে হয়ে যায় এবং বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে না দিতে পারায় সে স্বামীর দ্বারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তার প্রতি এরূপ সহিংসতার প্রতিরোধে সমাজে বিচার না পেয়ে খাদিজার বাবা আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। হ্যাঁ, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে আইনি আশ্রয় গ্রহণ অবশ্যই একটি কার্যকর সমাধান। কিন্তু কেবল আইনি আশ্রয় লাভ নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে যথেষ্ট নয়। এক্ষেত্রে সমাজকেও এগিয়ে আসতে-হবে। পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। নারী শিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ, বিধবা ভাতা প্রদান, নারীর জন্য ঋণদান কর্মসূচি প্রভৃতি কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি করা যেতে পারে। পরিবারে ছেলেমেয়ে উভয়কেই পারিবারিক জীবনে নৈতিক মূল্যবোধ গঠন সম্পর্কিত শিক্ষা প্রদান করতে হবে। ছেলেমেয়েদের মাঝে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত থাকলে নারীর অবমূল্যায়ন ও নারীর প্রতি সহিংসতা হ্রাস পাবে। এছাড়াও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে অবশ্য কর্তব্য কিছু করণীয় হলো- নারীর অধিকার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মতৎপরতার সম্প্রসারণ, ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি, কঠোর আইন প্রণয়ন ও তা জনসম্মুখে প্রচার করা ইত্যাদি। স্পষ্টত নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে আইনের আশ্রয় লাভ পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নয়।

তাই বলা যায়, খাদিজার বাবার নেওয়া উদ্যোগকে যথেষ্ট বলে আমি মনে করি না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
201

Related Question

View All
উত্তরঃ

এইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস, যার পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency Virus) ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
281
উত্তরঃ

এইডস হচ্ছে এমন একটি ধ্বংসাত্মক ব্যাধি যা এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে রোগীর দেহে প্রবেশ করে। এইডস রোগটি ছড়ানোর বিভিন্ন উপায় থাকলেও এর অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে যৌন মিলন। অর্থাৎ এইচআইভি সংক্রমিত পুরুষ বা মহিলার সাথে যৌন মিলনে এ রোগ ছড়াতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
273
উত্তরঃ

ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হলেন যে, রিমির মা এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

এইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস। এ ভাইরাসের পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency virus) সংক্ষেপে এইচ আইভি (HIV)। এটি মানবদেহে প্রবেশ করে দেহের নিজস্ব, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয়। এ ভাইরাস অনেকদিন পর্যন্ত শরীরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। সাধারণত এর সুপ্তিকাল ৬-৭ মাস। উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পিতার ছয় মাস পর তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়ে তাকে এইডস আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করেন। এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায় হলো এইডস। যদি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কারও দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত করা যায় তবেই তাকে এইচআইভি পজিটিভ বলা হয়। এইচআইভি পজিটিভ ব্যক্তি এইডস রোগে আক্রান্ত হয়। যা ব্যক্তির অনিবার্য পরিণতি অকাল মৃত্যু। তাই বলা যায়, রিমির মায়ের রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ডাক্তার নিশ্চিত হয়েছেন যে তিনি এইডস রোগে আক্রান্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
262
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পরিবারের সমস্যা মোকাবিলায় 'নির্মল হাসি' সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয়, মানবিক ও সময়োপযোগী।

এইডস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। তাই এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিকে সমাজ, পরিবার-পরিজন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা অনুচিত। এক্ষেত্রে উদ্দীপকে 'নির্মল হাসি' উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম প্রশংসনীয়। রিমির বাবা সিঙ্গাপুরে চাকরিরত অবস্থায় অসুস্থতাবোধ করলে দেশে ফিরে আসেন এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। পিতার মৃত্যুর ছয় মাস পর তার মাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্মল হাসি নামক উন্নয়ন সংস্থার সহায়তায় চিকিৎসা শুরু করলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার তাকে এইডস রোগে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করলে পরিবারটি বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত হয়। এ সমস্যা প্রতিরোধে নির্মল হাসি সংস্থা পরিবারটির পাশে এসে দাঁড়ায় এবং- নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যেমন- সামাজিক ও মানসিক সমর্থনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে। রোগীর প্রতি সমাজের অন্যান্যদের মানসিক ও সামাজিক সমর্থন আদায়ে প্রচেষ্টা চালায়। রোগীর সাথে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখে এবং স্নেহ- ভালোবাসা দিয়ে রোগীর মনকে প্রফুল্ল রাখতে চেষ্টা করে। রোগীকে সবার কাছ থেকে আলাদা না করার জন্য পরিবারের সদস্যদের উপদেশ দেয় এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখে।

তাই বলা যায়, এইডস রোগীদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির ফলে যে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো মোকাবিলায় নির্মল হাসি সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপগুলো প্রশংসার দাবিদার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
275
উত্তরঃ

বাংলাদেশে গাড়ির সংখ্যা যে হারে বেড়েছে সে হারে দক্ষ চালক তৈরি হয়নি। অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালককে দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। গাড়ি চালানোর জন্য যেসব আইন ও নিয়মনীতি রয়েছে তাও অধিকাংশ গাড়ি চালকরা জানেন না। এ কারণে তারা কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই কম বেতনে সনদবিহীন চালক নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব চালকদের অধিকাংশই তরুণ বয়সের, যারা রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় অন্য গাড়িকে ওভারটেক করে এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এ কারণেও প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
644
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews