দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহকে কৃষি এবং বিভিন্ন আত্মকর্মসংস্থানমূলক ক্ষেত্রে অধিক ঋণ দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করে। কিন্তু কিছু সংখ্যক ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশ অমান্য করে লাভজনক খাতে ঋণ দেওয়ার প্রবণতা বজায় রাখে। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক অমান্যকারী ব্যাংকগুলোকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে আন্তঃব্যাংকিং লেনদেনের নিষ্পত্তির সুবিধা স্থগিত করে। 

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যেসব ব্যাংক গ্রাহকদের প্রয়োজন ও অর্থনীতির বিশেষ কোনো দিক নিয়ে ব্যাংকিং কাজ পরিচালনা করে তাকে বিশেষায়িত ব্যাংক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সরকারের পক্ষে অর্থসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন ও পরামর্শ দেওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয়।

এ ব্যাংক দেশের ব্যাংক ও মুদ্রা ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিতে সরকারের মালিকানায় ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মালিক, পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক সরকার। এ ব্যাংক সরকারের পক্ষে অর্থ লেনদেন করে, হিসাব রাখে ও সরকারকে প্রয়োজনে ঋণ দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে বরাদ্দকরণ নীতিটি অনুসরণ করেছে।

এ নীতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণের গুণগত বা নির্বাচনমূলক পদ্ধতি গুলোর মধ্যে অন্যতম। বরাদ্দকরণ নীতি অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কিছু খাতে ঋণ দিতে বিধি-নিষেধ আরোপ করে। আবার বিশেষ খাত চিহ্নিত করে ঋণের পরিমাণ কম বেশি করে দেয়।

উদ্দীপকে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক তালিকাভুক্ত ব্যাংক সমূহকে ঋণ প্রদানে বিশেষ কিছু খাত চিহ্নিত করে দেয়। এক্ষেত্রে কৃষি ও বিভিন্ন আত্মকর্মাসংস্থানমূলক ক্ষেত্রে অধিক ঋণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। অর্থাৎ, দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণদানের খাত নির্দিষ্ট করে দিয়ে মোট ঋণের অধিকাংশ উক্ত খাতের জন্য বরাদ্ধ করেছে। মূলত বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের বরাদ্ধকরণ নীতি এক্ষেত্রে প্রয়োগ করেছে। এ নীতি অনুযায়ী যে সব খাতে ঋণের প্রয়োজন তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক চিহ্নিত করে ঋণ বরাদ্ধের নির্দেশ দেয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের বরাদ্ধকরণ নীতি অনুসরণ করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শেষ কার্যক্রমটি হলো নিকাশঘর যা ব্যাংকিং লেনদেন প্রসারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নিকাশঘর হলো আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান। মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে এ পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে।

উদ্দীপকে উল্লেখ্য, দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহকে নির্দিষ্ট খাতে ঋণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিছু কিছু ব্যাংক এ নির্দেশ অমান্য করে লাভজনক খাতে ঋণ দেওয়ার প্রবণতা বজায় রাখে। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক অমান্যকারী ব্যাংকগুলোকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আন্তঃব্যাংকিং লেনদেন নিষ্পত্তির সুবিধা স্থগিত করে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিকাশঘর কার্যক্রম স্থগিতকে নির্দেশ করেছে। নিকাশঘরের সুবিধা বঞ্চিত হলে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো গ্রাহকের চেক, বিনিময় বিল প্রভৃতির মূল্য পরিশোধ করতে পারবে না। এতে ব্যাংকের ওপর গ্রাহক সন্তুষ্টি কমবে। ফলে ব্যাংকগুলোর গ্রাহকের সংখ্যা কমতে পারে। এর ধারাবাহিকতায় ব্যাংকিং লেনদেনর প্রসার বাধা প্রাপ্ত হবে। অন্যদিকে, নিকাশঘর ব্যবস্থার মাধ্যম অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ব্যাংকগুলো পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করতে পারে। এর মাধ্যমে লেনদেনগুলো সময় সাশ্রয়ীও হয়। ফলে ব্যাংকিং লেনদেনের গতিশীলতা ও প্রসার সম্ভব হয়। তাই বলা যায়, নিকাশঘর কার্যক্রম লেনদেন প্রসারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
128

Related Question

View All
উত্তরঃ

তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নগদে ও অংশবিশেষ বন্ড, সিকিউরিটিজ কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখার বিধানকে বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত হার বা Statutory Liquidity Ratio (SLR) বলে। বর্তমানে SLR-এর হার ১৩%।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
426
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।
তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহ যেকোনো কারণেই তারল্য সংকটে 'বা আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এ সময় ব্যাংকগুলো অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সরবরাহে এগিয়ে আসে। এক্ষেত্রে এই ব্যাংক ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ব্যাংক বাণিজ্যিক হুন্ডি, প্রতিজ্ঞাপত্র ইত্যাদি পুনঃবাট্টা করে ঋণ দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
290
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘর নামক বিশেষ কক্ষের কথা উল্লেখ রয়েছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যকার আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান হলো নিকাশঘর। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্যদিবসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সেবার মাধ্যমে তাদের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত আন্তঃব্যাংকিং নিকাশঘর পরিচালনা করে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক হলো মুদ্রাবাজারের অভিভাবক। এই ব্যাংকের একটি বিশেষ কক্ষ রয়েছে। উক্ত কক্ষে তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহের পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিশেষ কক্ষ হলো নিকাশঘর। এখানে সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্য দিবসে তাদের দেনা-পাওনার বিবরণী নিয়ে উপস্থিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবার দেনা ও পাওনা সমন্বয় করে। ফলে খুব সহজেই ব্যাংকগুলো অন্য ব্যাংকের চেক, বিল, ড্রাফট ইত্যাদি নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
243
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাংক হার 'নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতি গ্রহণ করেছে।

ব্যাংক ঋণের হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল হলো ব্যাংক হার নীতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি প্রতিরোধে ব্যাংক হার বৃদ্ধি করে। আবার, প্রতিটি তালিকাভুক্ত ব্যাংক আমানতের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এ হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করাই হলো জমার হার পরিবর্তন নীতি।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ ও আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। সম্প্রতি দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি তার সুদের হার ৫% থেকে ৬%-এ উন্নীত করে। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক CRR বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাই ব্যাংক হার। উদ্দীপকে প্রথমত ব্যাংক হার বৃদ্ধি করা হয়। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংক কম ঋণ গ্রহণ করবে এবং বাজারে অর্থের সরবরাহ হ্রাস পাবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো যদি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয় তাহলে এ নীতি তেমন কার্যকর হয় না। আবার প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংককে আমানতের একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। এই হারকে জমার হার বলা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ হার বৃদ্ধি করলে ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে বাজারে ঋণ সরবরাহও হ্রাস পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ব্যাংক হার নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতির মধ্যে জমার হার পরিবর্তন নীতি অধিক কার্যকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
228
উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে সুদের হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেয় বা প্রথম শ্রেণির বিল বা সিকিউরিটিজ বাট্টা করে, সেই হারকে ব্যাংক হার বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
452
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে খোলাবাজারে বন্ড, সিকিউরিটিজ, বিল, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি কেনা-বেচা করাকে খোলাবাজার নীতি বলে।

বাজারে অর্থের সরবরাহ বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে জনগণকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি কেনার আহ্বান জানায়। আবার অর্থ সরবরাহ কম হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনগণের কাছ থেকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি ক্রয় করে। এতে ঋণের প্রবাহ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
720
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews