দেশের মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা অপরিসীম। বিভিন্ন কারণে দেশের মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে ব্যাংকটি তার সুদের হার ১% বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ব্যাংকটি ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে কতগুলো খাত সুনির্দিষ্ট করে দেওয়ায় ঋণ সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকিং লেনদেন থেকে সৃষ্ট আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনার নিষ্পত্তিস্থলই হলো নিকাশ ঘর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

সরকারের পক্ষে অর্থসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন ও পরামর্শ দেওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয়। এই ব্যাংক দেশের ব্যাংক ও মুদ্রা ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিতে সরকারের মালিকানায় ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মালিক, পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক সরকার। এই ব্যাংক সরকারের পক্ষে অর্থ লেনদেন করে, হিসাব রাখে ও সরকারকে প্রয়োজনে ঋণ দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ঋণ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রথমে ব্যাংক হার নীতি অবলম্বন করেছে।

যে সুদের হারে বাণিজ্যিক ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাকে ব্যাংক হার বলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক উক্ত হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। আর বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা নিয়ন্ত্রিত হলে মুদ্রা বাজারে অর্থ সরবরাহও স্থিতিশীল হয়।

উদ্দীপকে মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে ব্যাংকটি তার সুদের হার ১% বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে গৃহীত ঋণের সুদের হার বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সুদের হার বৃদ্ধি পাবে। এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা এবং বাজারে অর্থ সরবরাহ হ্রাস পাবে। তাই বৈশিষ্ট্যগত দিক বিবেচনায় বলা যায়, ঋণ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক হার বৃদ্ধি করেছে যা ব্যাংক হার নীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সর্বশেষ ঋণ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম হলো ঋণের বরাদ্দকরণ নীতি, যা সম্পূর্ণ যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।

ঋণের বরাদ্দকরণ নীতি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণের খাত নির্দিষ্ট করে বাণিজিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কিছু খাতে ঋণদানের বিধিনিষেধ আরোপ করে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমাসহ ঋণদানে উৎসাহিত করে।

উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। সম্প্রতি মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে, ব্যাংক তার সুদের হার ১% বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ব্যাংকটি ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে কতগুলো খাত সুনির্দিষ্ট করে দেয়। ফলে ঋণ সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসে। এখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রথমত ব্যাংক হার বৃদ্ধি করে। কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হলে, তারা ঋণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে যাবে না এবং ব্যাংক হার নীতিও কার্যকর হবে না। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকের লাগামহীন ঋণ নিয়ন্ত্রণে ঋণের খাত বরাদ্দ করে দেয়। ফলে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বাণিজ্যিক ব্যাংক শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত খাতেই ঋণ দিতে পারবে। এটি উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিস্থিতিতে দেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে সর্বশেষ পর্যায়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণে ঋণের বাদ্দকরণ নীতি প্রয়োগ করা যৌক্তিক হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
110
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নগদে ও অংশবিশেষ বন্ড, সিকিউরিটিজ কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখার বিধানকে বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত হার বা Statutory Liquidity Ratio (SLR) বলে। বর্তমানে SLR-এর হার ১৩%।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
348
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।
তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহ যেকোনো কারণেই তারল্য সংকটে 'বা আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এ সময় ব্যাংকগুলো অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সরবরাহে এগিয়ে আসে। এক্ষেত্রে এই ব্যাংক ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ব্যাংক বাণিজ্যিক হুন্ডি, প্রতিজ্ঞাপত্র ইত্যাদি পুনঃবাট্টা করে ঋণ দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
213
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘর নামক বিশেষ কক্ষের কথা উল্লেখ রয়েছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যকার আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান হলো নিকাশঘর। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্যদিবসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সেবার মাধ্যমে তাদের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত আন্তঃব্যাংকিং নিকাশঘর পরিচালনা করে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক হলো মুদ্রাবাজারের অভিভাবক। এই ব্যাংকের একটি বিশেষ কক্ষ রয়েছে। উক্ত কক্ষে তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহের পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিশেষ কক্ষ হলো নিকাশঘর। এখানে সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্য দিবসে তাদের দেনা-পাওনার বিবরণী নিয়ে উপস্থিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবার দেনা ও পাওনা সমন্বয় করে। ফলে খুব সহজেই ব্যাংকগুলো অন্য ব্যাংকের চেক, বিল, ড্রাফট ইত্যাদি নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
176
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাংক হার 'নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতি গ্রহণ করেছে।

ব্যাংক ঋণের হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল হলো ব্যাংক হার নীতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি প্রতিরোধে ব্যাংক হার বৃদ্ধি করে। আবার, প্রতিটি তালিকাভুক্ত ব্যাংক আমানতের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এ হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করাই হলো জমার হার পরিবর্তন নীতি।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ ও আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। সম্প্রতি দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি তার সুদের হার ৫% থেকে ৬%-এ উন্নীত করে। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক CRR বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাই ব্যাংক হার। উদ্দীপকে প্রথমত ব্যাংক হার বৃদ্ধি করা হয়। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংক কম ঋণ গ্রহণ করবে এবং বাজারে অর্থের সরবরাহ হ্রাস পাবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো যদি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয় তাহলে এ নীতি তেমন কার্যকর হয় না। আবার প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংককে আমানতের একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। এই হারকে জমার হার বলা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ হার বৃদ্ধি করলে ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে বাজারে ঋণ সরবরাহও হ্রাস পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ব্যাংক হার নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতির মধ্যে জমার হার পরিবর্তন নীতি অধিক কার্যকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
180
উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে সুদের হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেয় বা প্রথম শ্রেণির বিল বা সিকিউরিটিজ বাট্টা করে, সেই হারকে ব্যাংক হার বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
371
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে খোলাবাজারে বন্ড, সিকিউরিটিজ, বিল, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি কেনা-বেচা করাকে খোলাবাজার নীতি বলে।

বাজারে অর্থের সরবরাহ বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে জনগণকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি কেনার আহ্বান জানায়। আবার অর্থ সরবরাহ কম হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনগণের কাছ থেকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি ক্রয় করে। এতে ঋণের প্রবাহ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
557
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews