ব্যবস্থাপনার '6M' হলো- Men, Mechine, Materials, Money, Market, Method.
প্রশাসন হলো প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারক কার্যক্রম।
প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ স্তরে যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নির্ধারণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ ও সংগঠন কাঠামো তৈরি করা হয় তাকে প্রশাসন বলে। প্রশাসনকে নীতিনির্ধারণমূলক কাজ হিসেবে অভিহিত করা যায়। প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ স্তরে প্রশাসনের অবস্থান। পরিকল্পনা প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ ও উদ্দেশ্যাবলি প্রতিষ্ঠা হলো প্রশাসনের কাজ। প্রশাসন হলো প্রতিষ্ঠানের উচ্চস্তরের কর্মীদের দ্বারা কার্য সম্পাদনের কেন্দ্রস্থল। প্রশাসনের পরিব্যাপ্তি নীতি ও পরিকল্পনা তৈরি, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি কার্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
মি. আবীর প্রথমত 'শৃঙ্খলার নীতি' অনুসরণ করেছেন।
যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্যস্থানে এবং সঠিক বস্তুকে সঠিক স্থানে স্থাপনের নীতিকেই ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলার নীতি বলে। উপযুক্ত ব্যক্তিকে উপযুক্ত স্থানে এবং সঠিক বস্তুকে সঠিক স্থানে স্থাপন করাই এ নীতির মূল কথা। এ নীতি অনুযায়ী সংগঠনকে এমনভাবে বিন্যাস করতে হবে যাতে প্রতিটি জিনিসের ও প্রত্যেক ব্যক্তির সুশৃঙ্খলভাবে যথাস্থানে অবস্থানের সুবিধা থাকে। প্রতিষ্ঠানে উপকরণ ও মানুষ সবসময় নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে থাকবে। যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্যস্থানে নিয়োগ করার সাথে এ নীতি সম্পৃক্ত।
উদ্দীপকে দেশে উন্নতমানের প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরির উদ্দেশ্যে জনাব আবীর একটি ফ্যাক্টরি গড়ে তোলেন। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার আগে খেয়াল রাখেন যেন কাজটি কর্মীর শিক্ষা ও দক্ষতার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ না হয় এবং কাজটি সম্পাদনের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষমতাও তাকে অর্পণ করা হয়। উদ্দীপকে জনাব আবীর কর্মীদের যার যে যোগ্যতা রয়েছে তাকে সে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে সচেষ্ট থাকেন। বস্তুগত উপকরণাদিও যেখানে যেটা ব্যবহৃত হওয়া উচিত সেভাবেই ব্যবহার করেন। অর্থাৎ তিনি শৃঙ্খলার নীতি অনুসরণ করেছেন। সুতরাং বলা যায়, মি. আবীর প্রথমত হেনরি ফেয়লের 'শৃঙ্খলার নীতি' অনুসরণ করেছেন।
বস্তুগত ও অবস্তুগত উপকরণের যথাযথ ব্যবহার মি. আবীরকে তার উদ্দেশ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদ্দীপকে জনাব আবীরের পালনীয় নীতি হলো শৃঙ্খলার নীতি। যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্যস্থানে এবং সঠিক বস্তুকে সঠিক স্থানে স্থাপনের নীতিকেই ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলার নীতি বলে।
উদ্দীপকে দেশে উন্নতমানের প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরির উদ্দেশ্যে জনাব আবীর একটি ফ্যাক্টরি গড়ে তোলেন। তিনি তার প্রতিষ্ঠানে কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার আগে খেয়াল রাখেন যেন কাজটি কর্মীর শিক্ষা ও দক্ষতার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ না হয় এবং কাজটি সম্পাদনের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষমতাও তাকে অর্পণ করা হয়। শুধু যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্যস্থানে নিয়োগ নয় এর বাইরে অন্যান্য উপায়-উপকরণাদিকেও সঠিক স্থানে স্থাপন করেন। এতে তার উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে।
যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য স্থানে এবং সঠিক বস্তুকে সঠিক স্থানে স্থাপনের নীতিকেই ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলার নীতি বলে। এক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বলতে উপায়-উপকরণাদির শৃঙ্খলাকে বোঝানো হয়। যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য স্থানে বসানো না গেলে কখনোই তার নিকট থেকে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভ করা সম্ভব হয় না। আমাদের দেশের অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রায়শই লক্ষণীয় যে, ব্যক্তির যোগ্যতা বা মেধার চাইতেও ব্যক্তিগত সম্পর্ক, রেফারেন্স, ব্যক্তিগত লাভালাভ ইত্যাদিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলে মানবীয় শৃঙ্খলা বলতে সেখানে কিছুই থাকে না। কার্যত অদক্ষতা অযোগ্যতাকেই সেখানে লালন করা হয়। যা কখনোই প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো ফল দেয় না। অন্যদিকে যে প্রতিষ্ঠান যোগ্য লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে আন্তরিক থাকে সেখানে কখনোই অদক্ষতা, অনিয়ম ইত্যাদি ভর করতে পারে না। বস্তুগত শৃঙ্খলার বিষয়টাও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। যে যন্ত্রটি যেখানে থাকা দরকার, যাকে যে ধরনের টেবিল-চেয়ার দেওয়া দরকার, কারখানা বিন্যাস, অফিস বিন্যাস ইত্যাদি যেভাবে হওয়া প্রয়োজন তা সেভাবে করলেই তার দ্বারা উপযুক্ত ফলাফল সম্ভব।
সুতরাং উদ্দীপকের আলোকে এটি স্পষ্ট যে, বস্তুগত ও অবস্তুগত উপকরণের যথাযথ ব্যবহার মি. আবীরকে তার উদ্দেশ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
Related Question
View Allফ্রেডরিক উইনসলো টেলর (Frederick Winslow Taylor)
ফ্রেডরিক উইনসলো টেলর (Frederick Winslow Taylor)
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!