দৈনন্দিন জীবনে ইবাদতের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তিগত জীবনে ইবাদত আমাদের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আমাদের মনে প্রশান্তি নিয়ে আসে। ইবাদতের মাধ্যমে আমরা সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মানুবর্তিতার অনুশীলন করতে পারি। নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা করতে শিখি। ইবাদত 'আমাদের উত্তম আচরণ অনুশীলন করতে অনুপ্রাণিত করে। ইবাদত পরিবারের সদস্যদের নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটায়। সকলে মিলে ইবাদত পালনের ফলে পরিবারের সকলের মধ্যে সম্ভাব ও সম্প্রীতি তৈরি করে। পরিবারে শান্তি ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে। পারস্পরিক স্নেহ-ভালোবাসা ও বন্ধন সুদৃঢ় হয়। ইবাদত সমাজে পারস্পরিক ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে। জাকাত, সদকা (দান) ও কুরবানি সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর করে। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। এর মাধ্যমে মুসলমানগণ একে অন্যের সহায়তায় এগিয়ে আসে। জাকাত আদায়ের মাধ্যমে দেশপ্রেমের। পরিচয় ফুটে ওঠে। জাকাত আদায় করলে সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে দারিদ্র্য ও শ্রেণিবৈষম্য দূর হয়। এতে দেশের কল্যাণ হয়।
Related Question
View Allআল-আসমাউল হুসনা' অর্থ হলো সুন্দরতম নামসমূহ l
ইমানে মুফাসসাল হলো ইমানের বিষয়গুলোর বিস্তারিত বিবরণ।
কেউ বিপদে পড়লে তাকে সাহায্য করাও ইবাদত
যের' এর পরে জযমযুক্ত 'ইয়া' থাকলে এক আলিফ পরিমাণ টেনে পড়তে হয়।
সালাতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা ফরজ
আকাইদ একটি আরবি শব্দ। এটি একটি বহুবচন, যার একবচন হলো আকিদা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!