যে বাজারে শেয়ার, বন্ড ইত্যাদির লেনদেন হয় তাকে শেয়ারবাজার বলে।
অবৈধ পথে অর্জিত সম্পদ প্রতিরোধে বাংলাদেশে প্রচলিত আইনটি হলো মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০২।
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০২ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভ করে ২০০২ সালে এপ্রিলের ৫ তারিখে এবং কার্যকর হয় ২০০৩ সালের ১ থেকে। এ আইনের আওতায় অবৈধ পন্থায় অর্থ হস্তান্তর, রূপান্তর অবস্থানের গোপনকরণ বা উক্ত কাজে সহায়তা করার অপরাধ অজামিনযোগ্য। এর শাস্তি হলো ৪ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত কারদণ্ড এবং মানি লন্ডারিং অপরাধের সাথে জড়িত অর্থের দ্বিগুণ অর্থদণ্ড।
উদ্দীপকে নিশা মাধ্যমিক বাজার থেকে শেয়ার ক্রয় করেছেন।
সেকেন্ডারি বা মাধ্যমিক বাজার হচ্ছে পুঁজি বাজারের দ্বিতীয় অংশ। অর্থাৎ প্রাইমারি বাজার হতে ক্রয়কৃত সিকিউরিটিগুলো বিনিয়োগকারীরা নিজেদের মধ্যে যে বাজারে বিক্রয় করে তাকে মাধ্যমিক বাজার বলে।
উদ্দীপকে তিন্নি তার কাছে থাকা কিছু পুরাতন শেয়ার বিক্রি করে দিলেন। তার বন্ধু নিশা বাজারের সকল নিয়মাবলি পালন করে তিন্নির বিক্রয় করা শেয়ারগুলো ক্রয় করেন। অর্থাৎ নিশা যে বাজার হতে শেয়ার ক্রয় করেছে এগুলোর মূল্য প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়। এ বাজারের সুবিধা হলো এটি নিশার মতো বিনিয়োগকারীদের জন্য তারল্য সুবিধা প্রদান করে। নিশার বিনিয়োগকৃত এ বাজার তুলনামূলক অধিক ঝুঁকিপূর্ণ যা মাধ্যমিক বাজার নামে পরিচিত। সুতরাং বলা যায়, নিশা মাধ্যমিক বাজার থেকে ক্রয় করেছেন।
উদ্দীপকের আলোকে বলা যায়, নিশার অনিশ্চয়তা দূরীকরণে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের বহুবিধ করণীয় রয়েছে
সরকারের বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এটি দেশের বিনিয়োগ বাজারকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য নীতিমালার আলোকে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ কমিশন ১৯৯৩ সালের ৮ জুন গঠিত হয়।
উদ্দীপকে নিশা মাধ্যমিক বাজার হতে শেয়ার ক্রয় করেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে বাজার বিশৃঙ্খলা অবস্থা তৈরি হয় এবং শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস নামলে নিশা চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। অর্থাৎ নিশার ক্রয়কৃত শেয়ারের মূল্য কমে যাওয়ার আশঙ্খায় তিনি দুশ্চিন্তায় পড়েন।
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অবাধ, স্বচ্ছ ও দক্ষ সিকিউরিটি বাজারের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে। বিনিয়োগকারী হিসেবে নিশার স্বার্থ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সংস্থাটি নিতে পারে। এক্ষেত্রে সিকিউরিটির যথাযথ ইস্যু ও সিকিউরিটিজ আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে পারলে তবে নিশার অনিশ্চয়তা দূর হবে। সুতরাং নিশার অনিশ্চয়তা দূরীকরণে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা নানাবিধ পদক্ষেপ নিতে পারে।
Related Question
View Allঅর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন, সরকারি নীতির পরিবর্তন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ইত্যাদি কারণে যে ঝুঁকির সৃষ্টি হয় তাকে বাজার ঝুঁকি বলে।
সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত দীর্ঘমেয়াদি বন্ডকে ট্রেজারি বন্ড বা সরকারি বন্ড বলে।
সরকারি বন্ডে বিনিয়োগে ঝুঁকি থাকে না। বিনিয়োগ ঝুঁকি বলতে বন্ডের সুদ ও আসল টাকা পরিশোধ করার অসামর্থ্যকে বোঝায়। সরকারি বন্ডে এ ধরনের ঝুঁকি প্রযোজ্য নয়, কারণ সরকার দেউলিয়া হতে পারে না। তাছাড়া সরকার প্রয়োজনে বাধ্যতামূলকভাবে কর আদায় করতে পারে।
সিকিউরিটি A এর গড় আয়ের হার নির্ণয়:
আমরা জানি
গড় আয়ের হার
সিকিউরিটি B-এর গড় আয়ের হার নির্ণয়:
আমরা জানি,
গড় আয়ের হার
=
= ৮%
সুতরাং সিকিউরিটি A এবং সিকিউরিটি B এর গড় আয়ের হার যথাক্রমে ১০% ও ৮%।
সিকিউরিটি A এর ব্যবধানংক নির্ণয়:
সিকিউরিটি A এর গড় আয়ের হার
আদর্শ বিচ্যুতি
আমরা জানি
ব্যবধানংক =আদর্শ বিচ্যুতি /গড় আয়ের হার /× ১০০
= ৫০%
সিকিউরিটি B এর ব্যবধানংক নির্ণয়:
এখানে
সিকিউরিটি B এর গড় আয়ের হার
আদর্শ বিচ্যুতি =
= ১৪.৪২%
আমরা জানি
বাবধানংক আদর্শ বিচ্যুতি /গড় আয়ের হার /× ১০০
= ১৮০.২৫%
লক্ষণীয় যে, সিকিউরিটি A এর ব্যবধানংক ৫০% এবং সিকিউরিটি B এর ব্যবধানংক ১৮০.২৫%। এক্ষেত্রে সিকিউরিটি A এর ব্যবধানংক সিকিউরিটি B অপেক্ষা কম অর্থাৎ ঝুঁকি কম। এমতাবস্থায় কম ঝুঁকি বিবেচনায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সিকউরিটি A উত্তম হবে।
বিনিয়োগ হতে প্রত্যাশিত আয় ও প্রকৃত আয়ের বিচ্যুতিকে ঝুঁকি বলে।
একাধিক সিকিউরিটি বা প্রকল্পের সমাহারকে পোর্টফোলিও বলে। পোর্টফোলিও গঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিনিয়োগকারীর ঝুঁকি হ্রাস করা। কারণ একটি সম্পদ হতে ক্ষতি হলেও অন্যান্য সম্পদের লাভহতে তা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!