দ্রুত বাজারে ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে। এক্ষেত্রে গৃহীত কতিপয় ব্যবস্থা ও ঋণ সরবরাহ সূচকে তার প্রভাব নিচে দেখানো হলো-

বিবরণ পূর্বতন হার ও ঋণ সরবরাহ সূচক নতুন ঘোষিত হার ও ঋণ সরবরাহ সূচক 
ব্যাংক হার ৫% ৬% 
নগদ জমার আবশ্যকতার হার ৫% ৬% 
বিধিবদ্ধ তারল্য আবশ্যকতার হার ১৩% ১৪% 
ঋণ সরবরাহ সূচক (১০০% কাম্যস্তর) ১৩০% ১২০% 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ব্যাংকিং লেনদেন থেকে উদ্ভূত আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনার নিষ্পত্তিস্থলই হলো নিকাশ ঘর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

সরকারের পক্ষে অর্থসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন ও পরামর্শ দেওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয়।

এ ব্যাংক দেশের ব্যাংক ও মুদ্রা ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিতে সরকারের মালিকানায় ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মালিক, পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক সরকার। এ ব্যাংক সরকারের পক্ষে অর্থ লেনদেন করে, হিসাব রাখে ও সরকারকে প্রয়োজনে ঋণ দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ ঋণ নিয়ন্ত্রণের সংখ্যাগত পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে ঋণের পরিমাণ দ্রুত কমিয়ে আনার লক্ষ্যে নানা ধরনের পদক্ষেপের মধ্যে অন্যতম হলো সংখ্যাগত পদ্ধতি। এ পদ্ধতির আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংখ্যার পরিবর্তনের মাধ্যমে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে। উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংক হার ৫% থেকে ৬% বাড়ানো ব্যাংক হার নীতির আওতাভুক্ত। অপরদিকে নগদ জমার আবশ্যকতার হার ৫% থেকে ৬% করা জমার হার পরিবর্তন নীতির আওতাভুক্ত। এ ব্যাংক হার বৃদ্ধি করা হয় যখন বাজারে অর্থ সরবরাহের পরিমাণ বেড়ে যায়। এছাড়া একই কারণে জমার হারও বৃদ্ধি করা হয়। এখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণের পরিমাণ কমানোর জন্য ব্যাংক হার ও নগদ জমার হারসহ বিভিন্ন হারের সংখ্যাত্মক পরিবর্তন ঘটিয়েছে। এসব সংখ্যাত্মক পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত সম্পূর্ণ ঋণ, ঋণের ব্যয় বা রিজার্ভ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে পদ্ধতি ব্যবহার করুক না কেন ব্যাংক হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে সংখ্যাত্মক পদ্ধতির জমার হার নীতি ছাড়াও খোলাবাজার নীতি পদক্ষেপটি গ্রহণ করতে পারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের মুদ্রা পরিস্থিতি কাম্যস্তরে রেখে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে। ঋণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গৃহীত সংখ্যাত্মক পদ্ধতিগুলো হলো ব্যাংক হার নীতি, খোলাবাজার কার্যক্রম ও জমার হার পরিবর্তন নীতি।

উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক হার ও নগদ জমার হার পরিবর্তনের মাধ্যমে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করেছে। এ পদ্ধতি ছাড়াও কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজার কার্যক্রম কাজে লাগাতে পারে। ঋণের পরিমাণ বেশি থাকায় খোলাবাজার কার্যক্রমের আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের সরকারি বন্ড, সিকিউরিটিজ বিল, শেয়ার, ডিবেঞ্চার প্রভৃতি আকর্ষণীয় শর্তে বিক্রয় করবে। ফলে যেসব বাণিজ্যিক ব্যাংকে প্রচুর পরিমাণে অর্থ আমানত হিসেবে পড়ে আছে তারা সরাসরি উক্ত দলিলাদি ক্রয়ে উৎসাহী হবে। এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের জমা তহবিলের পরিমাণ হ্রাস পাবে। প্রচুর অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা হবে বিধায় বাজারে ঋণের পরিমাণও কমিয়ে আনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য সহজ হবে। এভাবেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে অন্য পদক্ষেপটি অর্থাৎ খোলাবাজারের কার্যক্রম কাজে লাগাতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
46
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নগদে ও অংশবিশেষ বন্ড, সিকিউরিটিজ কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখার বিধানকে বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত হার বা Statutory Liquidity Ratio (SLR) বলে। বর্তমানে SLR-এর হার ১৩%।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
348
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।
তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহ যেকোনো কারণেই তারল্য সংকটে 'বা আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এ সময় ব্যাংকগুলো অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সরবরাহে এগিয়ে আসে। এক্ষেত্রে এই ব্যাংক ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ব্যাংক বাণিজ্যিক হুন্ডি, প্রতিজ্ঞাপত্র ইত্যাদি পুনঃবাট্টা করে ঋণ দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
213
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘর নামক বিশেষ কক্ষের কথা উল্লেখ রয়েছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যকার আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান হলো নিকাশঘর। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্যদিবসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সেবার মাধ্যমে তাদের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত আন্তঃব্যাংকিং নিকাশঘর পরিচালনা করে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক হলো মুদ্রাবাজারের অভিভাবক। এই ব্যাংকের একটি বিশেষ কক্ষ রয়েছে। উক্ত কক্ষে তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহের পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিশেষ কক্ষ হলো নিকাশঘর। এখানে সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্য দিবসে তাদের দেনা-পাওনার বিবরণী নিয়ে উপস্থিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবার দেনা ও পাওনা সমন্বয় করে। ফলে খুব সহজেই ব্যাংকগুলো অন্য ব্যাংকের চেক, বিল, ড্রাফট ইত্যাদি নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
177
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাংক হার 'নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতি গ্রহণ করেছে।

ব্যাংক ঋণের হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল হলো ব্যাংক হার নীতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি প্রতিরোধে ব্যাংক হার বৃদ্ধি করে। আবার, প্রতিটি তালিকাভুক্ত ব্যাংক আমানতের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এ হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করাই হলো জমার হার পরিবর্তন নীতি।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ ও আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। সম্প্রতি দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি তার সুদের হার ৫% থেকে ৬%-এ উন্নীত করে। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক CRR বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাই ব্যাংক হার। উদ্দীপকে প্রথমত ব্যাংক হার বৃদ্ধি করা হয়। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংক কম ঋণ গ্রহণ করবে এবং বাজারে অর্থের সরবরাহ হ্রাস পাবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো যদি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয় তাহলে এ নীতি তেমন কার্যকর হয় না। আবার প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংককে আমানতের একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। এই হারকে জমার হার বলা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ হার বৃদ্ধি করলে ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে বাজারে ঋণ সরবরাহও হ্রাস পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ব্যাংক হার নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতির মধ্যে জমার হার পরিবর্তন নীতি অধিক কার্যকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
180
উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে সুদের হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেয় বা প্রথম শ্রেণির বিল বা সিকিউরিটিজ বাট্টা করে, সেই হারকে ব্যাংক হার বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
372
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে খোলাবাজারে বন্ড, সিকিউরিটিজ, বিল, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি কেনা-বেচা করাকে খোলাবাজার নীতি বলে।

বাজারে অর্থের সরবরাহ বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে জনগণকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি কেনার আহ্বান জানায়। আবার অর্থ সরবরাহ কম হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনগণের কাছ থেকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি ক্রয় করে। এতে ঋণের প্রবাহ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
557
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews