"ধার্মিকরাই হয় সুখী' বাক্যটিতে উদ্দেশ্য হচ্ছে 'ধার্মিকেরা' বিধেয় হচ্ছে 'সুখী'। আর বিধেয়ক হলো 'হয়' শব্দটি। এখানে 'ধার্মিকেরা' আর 'সুখী' পদের মধ্যে এক ধরনের সম্পর্ক রয়েছে। মূলত 'বিধেয়' এবং 'বিধেয়ক' এক বিষয় নয়।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল সর্বপ্রথম যুক্তিবিদ্যায় বিধেয়কের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে গুণ জাত্যর্থের অংশ নয়, আবার জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃতও হয় না, তাকে অবান্তর লক্ষণ বলে। অবান্তর লক্ষণ একটি পদ সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রদান করে।

যেমন- 'সকল মানুষ হয় হাস্যপ্রিয়'- এ যুক্তিবাক্যে 'হাস্যপ্রিয়' গুণটি হলো অবান্তর লক্ষণ। 'মানুষ' পদের জাত্যর্থ হলো 'জীববৃত্তি' ও 'বুদ্ধিবৃত্তি'। 'হাস্যপ্রিয়তা' এবং 'বুদ্ধিবৃত্তি' ও 'জীব বৃত্তির' কোনোটিরই অংশ নয়। আবার 'বুদ্ধিবৃত্তি' ও 'জীববৃত্তি' থেকে নিঃসৃত হয় না। এজন্য হাস্যপ্রিয়তা হলো অবান্তর লক্ষণ। এ 'হাস্যপ্রিয়তা' গুণটি দ্বারা মানুষ সম্পর্কে বুদ্ধিবৃত্তিক ও জীববৃত্তি ছাড়া নতুন তথ্য প্রদান করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ধার্মিকেরা' এবং 'সুখী' শব্দের মধ্যে উদ্দেশ্য এবং বিধেয়ের সম্পর্ক বিরাজমান।

আলোচ্য যুক্তিবাক্যে বলা হয়েছে 'ধার্মিকেরা হয় সুখী'। আমরা জানি, যাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য পদ বলে এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু বলা হয় তাকে বিধেয় বলে। তাই 'ধার্মিকেরা' ও 'সুখী' শব্দের মধ্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়- এর সম্পর্ক রয়েছে। এ উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যে নানা প্রকার সম্বন্ধ থাকতে পারে। গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল ও পরফিরি উদ্দেশ্যের সাথে সম্বন্ধের ভিত্তিতে বিভিন্ন বিধেয়ের যে শ্রেণিবিভাগ করেছেন তা যুক্তিবিদ্যায় 'বিধেয়ক' নামে পরিচিত।। বিধেয়কের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বিশিষ্ট যুক্তিবিদ অধ্যাপক ল্যাটা ও ম্যাকবেথ বলেন, বিধেয়সমূহকে সাধারণ পদসমূহের মোট শ্রেণিবিন্যাস হিসেবে নিরূপণ করা যায় যে শ্রেণিবিন্যাস একটি 'হ্যাঁ' এবং যা উদ্দেশ্য পদের সম্পর্কের উপর নির্ভরশীল। অ্যারিস্টটল বলেন, অবধারণের উদ্দেশ্যের সাথে বিধেয়ের সম্বন্ধগুলোকে যতো শ্রেণিতে ভাগ করা যায়, সেই শ্রেণিসমূহকে বিধেয়ক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে পদ উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনোকিছু স্বীকার বা অস্বীকার করে তাকে বিধেয় বলে এবং উদ্দেশ্যের সাথে বিধেয়ের যে সম্পর্ক তাকে বিধেয়ক বলে। কেননা, বিধেয়ক একটি পদের নাম, আর বিধেয়ক হলো সম্পর্কের নাম। বিধেয় হলো যুক্তিবাক্যের অংশ। কিন্তু বিধেয়ক হলো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যকার সম্পর্ক। বিধেয় এক বা একাধিক শব্দ নিয়ে গঠিত। অন্যদিকে, বিধেয়কে কোনো পদ নয় বলে বিধেয়ক কোনো শব্দ বা শব্দসমষ্টি দ্বারা গঠিত নয়। সদর্থক এবং নঞর্থক উভয় ধরনের যুক্তিবাক্যেই বিধেয় থাকে, কিন্তু বিধেয়ক থাকে সদর্থক বাক্যে। কারণ নঞর্থক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি বিধেয় সম্পর্কে কোনো স্বীকৃতি জ্ঞাপন করে না বলে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদটির মধ্যে কোনো সম্পর্কও স্থাপিত হয় না। কোনো বিশিষ্ট পদকে যুক্তিবাক্যের বিধেয় হিসেবে অবস্থান দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু কোনো যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি যদি বিশিষ্ট পদ হয়, তা হলে সে যুক্তিবাক্যের বিধেয়ক থাকে না। বিধেয়ের কোনো প্রকারভেদ বা শ্রেণিবিভাগ নেই, কিন্তু বিধেয়কের বিভিন্ন প্রকারভেদ বা শ্রেণিবিভাগ আছে। বিধেয়ককে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- জাতি, উপজাতি, লক্ষণ, উপলক্ষণ ও অবান্তর লক্ষণ। বিধেয় ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়, আর বিধেয়ক যুক্তিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়। স

তাই আমরা দেখতে পাই 'বিধেয়' ও 'বিধেয়ক' এক বিষয় নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
241

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে গুণের কারণে একই জাতির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতিকে তার সমজাতীয় অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করা হয় তাই হলো 'বিভেদক লক্ষণ'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
290
উত্তরঃ

জাতির মধ্যে উপজাতি অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং উপজাতিকে জাতি নিজের মধ্যে ধারণা করে। এরা যদিও আলাদা তথাপি জাতির আলোচনা করতে গেলে উপজাতির চলে আসবে এবং উপজাতি আলোচনা করতে গেলে জাতি আবশ্যিকভাবে চলে আসে। কারণ জাতিকে যদি ব্যাখ্যা করতে চাই তবে উপজাতির সাহায্য নিই এবং উপজাতিকে বিশ্লেষণ করতে জাতির সাহায্য নিই। সুতরাং জাতি এবং উপজাতি সম্পর্কের ক্ষেত্রে অবিচ্ছেদ্য ও অনিবার্যভাবে পরস্পরের সাথে জড়িত ও সম্পর্কিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
319
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি উপলক্ষণ বিধেয়ককে নির্দেশ করে।

উপলক্ষণ বিধেয়কের পাঁচটি শ্রেণির একটি। যে গুণ জাত্যর্থের অংশ নয়, কিন্তু জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় তাই হলো উপলক্ষণ। যেমন- সকল মানুষ হয় চিন্তাশীল প্রাণী। এই 'চিন্তাশীলতা' গুণটি মানুষ পদের উপলক্ষণ। ঠিক তেমনি উদ্দীপকের বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি হলো মানুষ পদের উপলক্ষণ। মানুষ পদের জাত্যর্থ হলো বুদ্ধিবৃত্তি ও জীববৃত্তি। বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি জাত্যর্থের অংশ নয়। কিন্তু জাত্যর্থ বুদ্ধিবৃত্তি গুণটি থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত। তাই বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটিকে মানুষ পদের উপলক্ষণ বলা হয়। অর্থাৎ বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদ সম্পর্কে এমন গুণ উল্লেখ করবে বা উদ্দেশ্য পদের জাত্যর্থ নয় কিন্তু গুণটি জাত্যর্থ থেকে উদ্ভূত।

বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি জাত্যর্থের অংশ না হয়েও জাত্যর্থ থেকে অপরিহার্যভাবে আসে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে বর্ণিত বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি উপলক্ষণ বিধেয়কের অন্তর্ভুক্ত। যা কোনো জাত্যর্থের অংশ নয় কিন্তু তা অপরিহার্যভাবে জাত্যর্থ থেকে এসেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
461
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত যে বিষয়গুলো দেওয়া আছে, তথা ২৫ মার্চ, ভোজনরসিক এবং অন্যকে খাওয়ানো এগুলো বিধেয়কের অবান্তর লক্ষণ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

অবান্তর লক্ষণ হলো যে গুণ বা গুণাবলি কোনো পদের জাত্যর্থের অংশ নয় এবং জাত্যর্থ থেকে আবশ্যিকভাবে অনুমিত নয়। যেমন- ভোজন রসিক বা খাওয়ানো মানুষের একটা অবান্তর লক্ষণ। এই গুণাবলি মানুষের মধ্যে বিদ্যমান কিন্তু তা জাত্যর্থের অংশ নয় বা জাত্যর্থ থেকে আবশ্যিকভাবে নিঃসৃত হয় না।

অবান্তর লক্ষণ কোনো শ্রেণির মধ্যে থাকতে পারে আবার ব্যক্তির মধ্যে থাকতে পারে। অবান্তর লক্ষণ চার ধরনের হতে পারে। (ক) শ্রেণিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (খ) শ্রেণিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (গ) ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (ঘ) ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ।

উদ্দীপকে যেসব অবান্তর লক্ষণ দেওয়া আছে তা মূলত ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণের সাথে সম্পর্কিত। ২৫ মার্চ অবান্তর লক্ষণটি ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। কারণ- ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ হলো তাই যা ব্যক্তির মধ্যে সব সময় বর্তমান এবং তা কোনোক্রমে পরিবর্তন করা যায় না। শিক্ষক নোমান ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। এটি অবিচ্ছেদ্যভাবে তার সাথে সম্পৃক্ত। কারণ তার জন্ম সাল বা তারিখ বদলে দেওয়া যাবে না। আবার, নোমান ভোজনরসিক ও খাওয়ানো যে গুণ তা হলো ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ এর অন্তর্ভুক্ত। কারণ ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ হলো যা ব্যক্তির মধ্যে কখনো বর্তমান আবার কখনো অবর্তমান থাকে। ভোজনরসিক এবং খাওয়ানো নোমান সাহেবের মধ্যে আছে। কিন্তু এমন হতে পারে যে কিছুদিন পর তা তাঁর মধ্যে নেই। সুতরাং এটি ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
215
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ অ্যারিস্টেটল সর্বপ্রথম যুক্তিবিদ্যায় বিধেয়কের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেন এবং একে চার ভাগে ভাগ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
267
উত্তরঃ

সদর্থক যুক্তিবাক্যে শ্রেণিবাচক বিধেয় পদের সাথে উদ্দেশ্য পদের যেসব সম্পর্ক হতে পারে সেগুলোকে বলা হয় বিধেয়ক। আর এই বিধেয়ক বিষয়টি যুক্তিবিদ্যায় সর্বপথম অন্তর্ভুক্ত করেন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টেটল। তিনি বিধেয়ক-এর চারটি শ্রেণিবিভাগ করেছেন। এগুলো হলো- ১. সংজ্ঞা, ২. জাতি, ৩. উপলক্ষণ, ৪. অবান্তর লক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
497
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews