ধীমান মন্ডলের বাড়ি নাগেশ্বরী উপজেলায়। তিনি উপজেলা চত্বরে বৃক্ষমেলায় আলোচনা অনুষ্ঠান শোনেন। সেখানে বন কর্মকর্তা বনসম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সামাজিকভাবে বনায়নের জন্য সবাইকে উদ্বুদ্ধ করেন। এছাড়া বন সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হওয়ার এবং বন সংরক্ষণ আইন মেনে চলার পরামর্শ দেন। ধীমান মন্ডল উদ্বুদ্ধ হয়ে তার বসতবাড়ির খালি জায়গায় বনজ বৃক্ষের চারা রোপণ করেন এবং সহায়ক খুঁটি প্রদান ও যথা নিয়মে সার প্রয়োগ করেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের শাখা থেকে কর্তন বা ছেদ কলম তৈরি করা হলে তাকে শাখা কলম বা কাটিং বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

চারার গোড়ার চারদিকে লতাপাতা, খড়কুটা, কচুরিপানা ইত্যাদি ঘন করে বিছিয়ে দেওয়াকে মালচিং বলা হয়। মালচিং করা হলে মাটিতে রস অনেকদিন থাকে। এছাড়া খড়কুটা পচে মাটিতে জৈব সারেরও যোগান - দেয়। ফলে চারার বৃদ্ধি ভালো হয়। শীতকালেও চারা সতেজ ও সবল থাকে। তাই মালচিং করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

ধীমান মন্ডল চারা রোপণ করে সহায়ক খুঁটি প্রদান ও যথানিয়মে সার প্রয়োগ করেন।
তিনি আরও যে সকল কাজ করবেন তা হলো:

i. নিয়মিত সেচ এবং সেচের পর চারার গোড়ায় জাবড়া দিবেন।
ii. চারায় বেড়া দিবেন, যাতে গরু-ছাগল চারা নষ্ট করতে না পারে।
iii. নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করবেন।
iv. প্রয়োজনে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করবেন।
v. পার্শ্বকুঁড়ি ও অপ্রয়োজনীয় শাখা বা ডালপালা অপসারণ করবেন।
vi. রোগ ও পোকামাকড় দমন করবেন।
উল্লিখিত উপায়ে ধীমান মন্ডল তার চারাগুলো সংরক্ষণ করতে পারবেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বন কর্মকর্তা বন সংরক্ষণের জন্য যে পরামর্শ দেন তা ছাড়াও আমাদেরকে নিম্নলিখিত কাজগুলো করা উচিত বলে আমি মনে করি। জনগণকে বনের গুরুত্ব বুঝাতে হবে এবং নির্বিচারে বনের গাছপালা কাটা বন্ধ করতে হবে। সামাজিক বনায়ন সৃষ্টিতে সবাইকে অংশ নিতে হবে। বনদস্যুদের প্রতিহত করতে হবে এবং বনভূমি দখলের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। স্বাভাবিক নিয়মে বন সৃষ্টিতে বাধা দেওয়া যাবেনা বরং বন সৃষ্টিতে। উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বনের মধ্যে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। বনের পশুপাখি ধধ্বংস করা যাবে না এবং বনসংরক্ষণ আইন মানতে হবে। উল্লিখিত উপায়ে বন সংরক্ষণ সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
54

বনায়ন হলো বনভূমিতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে গাছ লাগানো, পরিচর্যা ও সংরক্ষণ করা। সঠিকভাবে বনায়ন করা সম্ভব হলে, সর্বাধিক বনজ দ্রব্য উৎপাদিত হয়। এসব বনজ দ্রব্য হলো কাঠ, জ্বালানি, বনৌষধি, ফল, মধু, মোম প্রভৃতি। বনায়নের জন্য আমাদের বিভিন্ন প্রকার বনজ বৃক্ষ, ফলদ বৃক্ষ, নির্মাণ সামগ্রী ও ঔষধি উদ্ভিদ সম্পর্কে ভালোভাবে জানা দরকার। এ অধ্যায়ে আমরা এসব উদ্ভিদের পরিচিতি, চাষ পদ্ধতি ও গুরুত্ব সম্পর্কে জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করব। কৃষিজ নির্মাণ সামগ্রী কাঠ ও বাঁশের গুরুত্ব বলতে পারব। কান্ড থেকে নতুন চারা তৈরি করতে পারব। প্রাত্যহিক জীবনে ঔষধি উদ্ভিদের ব্যবহার বলতে পারব। এ সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করতে পারব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • বিভিন্ন প্রকার বৃক্ষের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বিভিন্ন প্রকার বৃক্ষের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • ফলদ, বনজ, নির্মাণ সামগ্রী ও ঔষধি বৃক্ষের চাষ পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
  • কাণ্ড থেকে নতুন চারা তৈরির পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
  • নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে বনজ দ্রব্যের ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

গরিবের কুটির থেকে শুরু করে বড় বড় অট্টালিকা তৈরিতে বাঁশ ব্যবহার করা হয়। গ্রামীণ কুটির শিল্পে, কৃষি উপকরণ এবং কাগজ ও রেয়ন তৈরির কাঁচামাল হিসেবে বাঁশ ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও খাল পারাপারের সাঁকো তৈরিতেও বাঁশ ব্যবহার করা হয়। এসব কারণে বাঁশকে নির্মাণ সামগ্রী বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
239
উত্তরঃ

সাজিদের দাদার বাগানের বিশেষ গুণসম্পন্ন ফলটির নাম কাঁঠাল।
কাঁঠাল একটি বহুবিধ ব্যবহার উপযোগী উদ্ভিদ। পাকা কাঁঠালের কোয়া খুবই মিষ্টি। এতে রয়েছে শর্করা ও ভিটামিন। এছাড়াও কাঁঠালে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা হাঁড় ও দাঁতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কাঁচা কাঁঠাল এবং কাঁঠালের বীজ সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। কাঁঠাল কাঠ খুবই উন্নত মানের, টেকসই ও ভালো পলিশ নেয়। তাই বাসগৃহের জানালা, দরজা ও আসবাব তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, অর্থনৈতিক এবং পুষ্টিগত দিক দিয়ে এ ফলটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতএব বলা যায় যে, উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের কারণে ফলটি বিশেষ গুণসম্পন্ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
160
উত্তরঃ

গ্রামীণ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে সাজিদের ব্যবহৃত গাছটি হলো নিম।
নিম গাছের ব্যবহার অনেকভাবে হয়ে থাকে। চর্মরোগে এর পাতার রস ও তেল ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়। নিম পাতার রস কৃমির উপদ্রব কমায়। নিমের ডাল দাঁতের মাজন, নিমের খৈল জীবাণুনাশক এবং নিম গাছের বাকল বাতজ্বর, দাদ, বিখাউজ, একজিমা, দাঁতের রক্ত ও পুঁজ পড়া, ডায়রিয়া, জণ্ডিস ইত্যাদি রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। এই গাছের বাকলের রস দাঁতের মাড়ি শক্ত করে। এছাড়া নিম পাতার নির্যাস শস্যের কীটনাশক হিসেবে ভালো কাজ করে, যা গ্রামীণ কৃষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, গ্রামীণ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে নিম গাছ - অত্যন্ত উপযোগী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
130
উত্তরঃ

শীতকালে যে সকল উদ্ভিদের পাতা ঝরে যায় তাদের পত্রঝরা উদ্ভিদ (যেমন- মেহগনি) বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
336
উত্তরঃ

কাঁঠাল গাছ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। পানি জমে থাকে এমন জায়গায় কাঁঠাল গাছ রোপণ করলে তা মারা যায়। তাই বন্যামুক্ত উঁচু স্থানে কাঁঠাল গাছ রোপণ করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
188
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews