কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় ১৯২২ সালে অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা 'ধূমকেতু' প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটির প্রকাশনা উপলক্ষ্যে আশীর্বাদ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন "কাজী নজরুল ইসলাম কল্যাণীয়েষু, আয় চলে আয়রে ধূমকেতু। আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু, দুর্দিনের এই দুর্গশিরে উড়িয়ে দে তোর বিজয় কেতন।” এ মন্তব্যটি পত্রিকার পাতার শীর্ষে লেখা থাকতো। নজরুল এ পত্রিকায় দেশের মুক্তির দিশারী হিসেবে 'অনুশীলন' ও 'যুগান্তর' দলের সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনকে উৎসাহ প্রদান ও ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতা দাবি করে বহু অগ্নিঝরা সম্পাদকীয়, কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯২২ সংখ্যায় নজরুলের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি প্রকাশিত হলে ৮ নভেম্বর পত্রিকার উক্ত সংখ্যাটি ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ২৩ নভেম্বর, ১৯২২ সালে 'যুগবাণী' প্রবন্ধগ্রন্থ নিষিদ্ধ হলে নজরুল গ্রেফতার হন এবং ১৬ জানুয়ারি, ১৯২৩ সালে এক বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। ফলে নজরুলের অনুপস্থিতিতে বীরেন সেনগুপ্ত ও অমরেশ কাঞ্জিলালের সম্পাদনায় কয়েকটি সংখ্যা প্রকাশিত হলেও মার্চ, ১৯২৩ সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।
Related Question
View All”ধূমকেতু” পত্রিকার সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন ।
ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি দ্বি - সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ২৬ শ্রাবণ (১৯২২ সালের ১১ আগস্ট) প্রথম প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটি শুরুতে ফুলস্কেপ কাগজের চার পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হতো এবং পরে আট পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হতো। পত্রিকাটির সর্বশেষ সংস্করণ ১৯২৩ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়েছিল। এর প্রথম সংখ্যায় নজরুলের কবিতা ‘ধূমকেতু’ প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাকে আশীর্বাদ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, কাজী নজরুল ইসলাম কল্যাণীয়েষু, আয় চলে আয়রে ধূমকেতু।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!