নিম্নচাপজনিত কারণে যখন প্রচন্ড গতিবেগে ঘূর্ণনের আকারে বাতাস বয় তখন তাকে সাইক্লোন বলে।
বৈশ্বিক উষ্ণতা হলো পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া। আর এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণ হলো পৃথিবীতে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে যানবাহন, শিল্প-কারখানা, বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। আবার বনভূমি ধ্বংসের কারণে প্রাকৃতিক উপায়ে গাছপালা দ্বারা কার্বন ডাইঅক্সাইডের শোষণ কমে যাচ্ছে যার ফলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ বেড়ে যাচ্ছে। এতে করে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে। এভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলে।
উদ্দীপক হতে দেখা যায়, বরগুনা জেলায় ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হানে। নিচে ঘূর্ণিঝড় সিডর সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
ঘূর্ণিঝড় সিডর সৃষ্টিতে মূলত যে দুটি কারণ দায়ী তা হলো নিম্নচাপ ও উচ্চ তাপমাত্রা। ঘূর্ণিঝড় সিডর তৈরি হয় বঙ্গোপসাগরে। এ সময় বঙ্গোপসাগরের তাপমাত্রা ছিল ২৭° সেলসিয়াসের বেশি এবং সমুদ্রের উত্তপ্ত পানি বাষ্পীভবনের ফলে উপরে উঠে জলকণায় পরিণত হয়ে বাষ্পীভবনের সুপ্ততাপ বাতাসে ছেড়ে দিয়েছিল। সে কারণে বাতাস উত্তপ্ত হয়ে বাষ্পীভবন আরো বেড়ে গিয়েছিল এবং বায়ুমণ্ডল অস্থিতিশীল হয়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছিল। নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে আশপাশের বাতাস সেখানে ধাবিত হয় যা বাড়তি তাপমাত্রার কারণে ঘুরতে ঘুরতে উপরে ওঠে ঘূর্ণিঝড় সিডর সৃষ্টি করে।
নওশাদ মিয়ার বাড়ি বরগুনা জেলায়। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরে তিনি ছাড়া সবাই মারা যায়। ঘরবাড়ি সবকিছু ঝড়ে উড়ে যায়। নওশাদ মিয়া ঘূর্ণিঝড়ের কবল হতে রেহাই পাবার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নিতে পারতেন-
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সময় পূর্বাভাস দেওয়া হয়। নওশাদ মিয়া ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস শোনামাত্র সপরিবারে নিকটবর্তী উঁচু ও মজবুত আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারতেন। আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার সময় কিছু শুকনা খাবার গবাদিপশু সঙ্গে নিতে পারতেন। এছাড়া টাকা, পয়সা বা মূল্যবান বস্তু হাড়ির ভেতর ভরে পলিথিন দিয়ে আবৃত করে যেতে পারতেন। যেহেতু বরগুনা জেলা একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। তাই নওশাদ মিয়া আগে বাড়ির আশেপাশে গাছপালা লাগাতে পারতেন। এতে তিনি ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে পারতেন।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!